খুঁজুন
বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন, ১৪৩২

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মহানায়ক বেগম জিয়া

কাজী রাব্বী :
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: গনতন্ত্র পুনরুদ্ধারের মহানায়ক বেগম জিয়া
  • সংকটাপন্ন অবস্থায় সিসিইউতে, কমে গেছে কিডনির কার্যকারিতা, রোগমুক্তি কামনায় দেশবাসী

 

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একজন লড়াকু, আপোসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ৮০ বছর বয়সী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি এখন হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রয়েছেন। মেডিকেল বোর্ডের দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা চলছে।

গৃহবধূ থেকে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বে তার জীবনের এই রূপান্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য উদাহরণ। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ও মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী । দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহন করে কখনো হারেননি। ছিলেন তিন বাবেরর প্রধানমন্ত্রী ও দুই বারের বিরোধী দলীয় নেত্রী। ২০০৪ সালে ফোর্বস সাময়িকীর বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাবান নারী নেতৃত্বের তালিকায় বেগম খালেদা জিয়া ১৪তম হন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের সময় খালেদা জিয়া ছিলেন নিতান্তই একজন গৃহবধূ। দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে তখন তিনি অবস্থান করছিলেন ঢাকা সেনানিবাসে। এ হত্যাকাণ্ডে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বিএনপি। দলের হাল কে ধরবে, তা নিয়ে দোলাচল, অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। পার্টির ভেতরে তখন দেখা দেয় গভীর কোন্দল।

রাষ্ট্রপতি জিয়ার জীবদ্দশায় খালেদা জিয়াকে খুব একটা প্রকাশ্যে দেখা যেত না। তাই তার রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্ত অনেককে চমকে দিয়েছিল।

১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন। যেটা ছিল তার রাজনৈতিক জীবনে প্রথম আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ। একই বছরের ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে তিনি প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বক্তব্য দেন।

১৯৮৩ সালের মার্চে তিনি দলের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর এপ্রিলের শুরুতে বিএনপির এক বর্ধিত সভায় গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দেন। সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কয়েক মাসের মধ্যেই তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন এবং সামরিক শাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিতে শুরু করেন।

১৯৮৪ সালের ১০ মে খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সে সময় তিনি দলের নেতৃত্ব না নিলে বিএনপি গভীর সংকটে পড়ে যেত।

এরশাদবিরোধী আন্দোলন জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের রাজনীতিতে ব্যাপক পরিচিতি এবং গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয় তার পক্ষে। আন্দোলনের সময় তাকে একাধিকবার আটক করা হলেও তিনি রাজপথ ছাড়েননি।

এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাজনীতিতে আসার মাত্র এক দশকের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী হওয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল ঘটনা। ২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো দেশ পরিচালনার সুযোগ পান তিনি।

তৃতীয় মেয়াদ শেষে আসে আলোচিত-সমালোচিত ওয়ান-ইলেভেন সরকার। সেই সময় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হয়। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দুটি দুর্নীতি মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুই বছরের বেশি সময় তিনি কারাগারে ছিলেন। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে তার সাজা শর্তসাপেক্ষে স্থগিত করে মুক্তি দেওয়া হয়, পরে প্রতি ছয় মাসে সেই মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরের দিন, ৬ আগস্ট খালেদা জিয়া নির্বাহী আদেশে মুক্ত হন। চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি রাতে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান বড় ছেলে তারেক রহমানের কাছে। প্রায় চার মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি দেশে ফেরত আসেন।

সম্প্রতি ফুসফুসে সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া এবং তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের কিডনি, লিভার, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসের জটিলতায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। একটি রোগের চিকিৎসা দিতে গেলে অন্যটির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ায় তার শারীরিক অবস্থা আরও জটিল হয়ে ওঠে।

এই পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যুক্ত দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আমেরিকার জনস হপকিনস হাসপাতালের চিকিৎসক এবং লন্ডন ক্লিনিকের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাঁর উন্নত চিকিৎসার জন্য আবার বিদেশে নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁর শারীরিক অবস্থা বিমান যাত্রার ধকল সামলানোর জন্য কতটা সক্ষম, তার ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চিকিৎসকেরা আগামী এক-দুই দিন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা দেখবেন। সম্ভব হলে তাঁকে আবার লন্ডন ক্লিনিকে নেওয়া হবে, যেখানে তাঁর চিকিৎসা হয়েছিল। সেটি সম্ভব না হলে কম দূরত্বের সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হতে পারে। তবে এই মুহূর্তে অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার মতো তাঁর শারীরিক অবস্থা নেই।

তার সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশবাসী।

যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
যুবদল নেতার ‘গরু চুরির’ কথা ফেসবুকে বলায় যুবককে পিটিয়ে হত্যা

মো. ইদ্রিস। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে পোস্ট ও কমেন্ট করাকে কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় মো. ইদ্রিস (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় ওই ব্যক্তির লাশ থানায় নিয়ে আসে তার স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওই ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারের যুবদলের অফিসে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

মৃত ইদ্রিস দক্ষিণ দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।

অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় তরকারি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরিসহ তার অপকর্মের বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট দেন এবং কমেন্ট করেন। এতে জহির ক্ষিপ্ত হন। বেশ কিছুদিন আগে ইদ্রিস ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। পরে ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পাখিমারা বাজারে গেলে সেখান থেকে তাকে জহিরসহ তার সহযোগীরা ডেকে ইউনিয়ন যুবদলের কার্যালয়ে নিয়ে ব্যাপক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়।

স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে গেলে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসার পর বাসায় নেয়। পরে সোমবার (২ মার্চ) রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তি তার কাছে মাফ চাইতে এসেছিল। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।

কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিন-ইচি সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ সহযোগিতা কামনা করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু ও অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দেশটি জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। জাপানের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। জাপান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি নিয়ে কাজ করেছে। ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপান সহযোগিতা করতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের পক্ষ থেকে কয়েকটি উপযুক্ত প্রস্তাব দেওয়া হবে।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, পুলিশ পুনর্গঠন, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্টটি গতবছর শেষ হয়েছে। আমরা পুলিশ ও ডিএমপি’র সঙ্গে আরও কাজ করতে আগ্রহী।

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীর নিকট বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, আমরা জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ বাংলাদেশে বসবাসরত সকল জাপানি নাগরিকের নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, জাপানের পক্ষ থেকে যে কোনো অনুরোধ আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করব।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কমিনি কেন, প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মজিদা উতারও প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলে আঘাত হেনেছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র

ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। ক্ষেপণাস্ত্রের একাংশ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় শহর পেতাহ তিকভায় আঘাত হেনেছে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে যে, ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হেনেছে, যার ফলে কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েল ব্যাপক বিমান হামলা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও জানিয়েছে, ওই এলাকায় হিজবুল্লাহ নেতাদের এক বৈঠক লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই চালানো এই অভিযানে ভবনগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির ফুটেজে ওই এলাকা থেকে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখা গেছে।

ইরানের চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, দাবি জর্ডানের

ইরান থেকে ছোঁড়া চারটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জর্ডান।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে যে, জর্ডান এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের জেরুজালেম সংলগ্ন এলাকায় ইরানের চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ঠেকানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই প্রতিহত করা হয়। এসব ঘটনায় প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে ড্রোন বিধ্বস্ত

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানের সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে।

ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দেশটির নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার সালালাহ বন্দরের কাছে একটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। ধোফার গভর্নরেটে আরও দুটি ড্রোন আটকে দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

হামলার উদ্দেশে ইরান থেকে ওই ড্রোন পাঠানো হয়েছে কিনা, তা উল্লেখ করা হয়নি ওমানের ওই সংবাদমাধ্যমে।

গত শনিবার ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে