খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০ ভাদ্র, ১৪৩৩

ডিজেল সংকটে বন্ধ জেলেদের নৌকা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ণ
ডিজেল সংকটে বন্ধ জেলেদের নৌকা

তীব্র ডিজেল সংকটে স্থবির হয়ে পড়েছে মৎস্য খাত। ঈদের লম্বা ছুটির পরে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন চরফ্যাশনের উপকূলীয় এলাকার লক্ষাধিক জেলে; কিন্তু প্রয়োজনীয় জ্বালানি তেলের সংকটে আর সাগরে যাওয়া হয়নি। 

 

পাঁচ-ছয় দিন দেশের অন্যতম ২য় বৃহৎ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ মাছ  ঘাটে বসেই বাজার-সওদা শেষ করেছেন। কবেনাগাদ তেলের জোগান পাবেন তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না তারা। যেখানে প্রতিদিন শত শত মাছভর্তি ট্রলারের ভিড় থাকত, সেখানে এখন নেমে এসেছে অচলাবস্থা।

ডিজেলের সংকটের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর ও চরফ্যাশনের উপকূলীয় এলাকার নদ-নদীতে মাছ আহরণ ৭০-৮০ শতাংশ কমে গেছে বলে দাবি করেছেন জেলে ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এতে সাগর উপক‚লীয় অঞ্চলের মৎস্যবন্দর ও মোকামগুলোতে প্রায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ফলে জেলে, স্থানীয় ব্যবসায়ী, আড়তদার, পাইকার, শ্রমিকসহ মৎস্য পেশার ওপর নির্ভরশীল লাখো মানুষের কর্মসংস্থানে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এরই মধ্যে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হচ্ছে টানা ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা। সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, প্রজনন নিশ্চিত করা ও টেকসই আহরণের লক্ষ্যে এ সময় বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। জ্বালানি সংকটের ভোগান্তি কাটতে না কাটতেই এই দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন উপকূলের মৎস্যজীবীরা।

সামনে পাওনাদারদের চৈত্রের হিসাব-নিকাশ মেটানোর তাগাদা। মুদি থেকে শুরু করে বাকি ধার-দেনার শেষ নাই।বহু জেলে এখন ট্রলার ছেড়ে বদলা-কামলা দেয়।’ স্থানীয় পাম্পে তো পরিবহনসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে দেওয়া হচ্ছে। তাও চাহিদা মেটাতে পারছে না।

উপজেলার সামরাজ মাছ ঘাটে এফভি ‘মা-বাবার দোয়া’ ট্রলারের মালিক মো ছলাউদ্দিন জানান, এক সপ্তাহ সাগরে থাকতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হয়। কিন্তু তিনি মাত্র ৩০০ লিটার নিয়ে গিয়ে দুই দিনের মধ্যেই ফিরে আসতে বাধ্য হন। বর্তমানে ডিজেল না পেয়ে ট্রলার, ১৮ জন মাঝিমাল্লাসহ তেতুলিয়া নদীর পাড়ের মায়া নদীর ঘাটে নোঙর করে আছেন। মাছ ধরা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের ভরণপোষণও তাকেই করতে হচ্ছে।

চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ মৎস্য আড়ত মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আজ্জি পাটোয়ারি জানান, এখানে দৈনিক ৩০-৩২ হাজার লিটার পেট্রোল ও ৫৫-৬০ হাজার লিটার ডিজেলের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এর এক দশমাংশ সরবরাহ নেই। ফলে জেলে পেশায় ভয়াবহ সংকট দেখা দিয়েছে।

আর এই কারনে অন্তত চার হাজার জেলে পরিবার শুধুমাত্র সামরাজ বেকার বসে দিন কাটাচ্ছে। শুধুমাত্র পাথরঘাটা, কক্সবাজারসহ বিভিন্ন ঘাট থেকে জালানি সংগ্রহ করে সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া কিছু ট্রলার কিছু পরিমাণ মাছ নিয়ে এখানে ফিরছে। এছাড়া স্থানীয় সকল ট্রলার ঘাটে বাঁধা রয়েছে। জালানি তেলের সংকট সহসা কাটবে এমন আশার কথাও কেউ শোনাতে পারছেন না।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু  বলেন, জ্বালানি সংকটে উপজেলাটিতে মাছ আহরণ ও সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জেলে ও ব্যবসায়ীরা জ্বালানি তেলের নিশ্চয়তা চেয়েছেন এবং বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

চরফ্যাশন উপজেলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এমাদুল হোসেন জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। যে পরিমাণ জালানি তেল সরবরাহ করা হচ্ছে তা সঠিকভাবে বিতরণের জন্য তারা সর্বাত্মক সচেষ্ট রয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।