খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন, ১৪৩২

উজিরপুরে সওজের জমিতে বিএনপি কার্যালয়

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
উজিরপুরে সওজের জমিতে বিএনপি কার্যালয়

বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) জমি দখল করে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই স্থানে গত বছরের ৫ আগস্টের আগে আওয়ামী লীগের নেতারা ছাপরা তুলে কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতেন বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

প্রায় দুই মাস ধরে শ্রমিক দিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা দুই কক্ষের ভবনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, দুই মাস ধরে সড়কের জমি দখল করে ভবন নির্মাণের কাজ চললেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল-বানারীপাড়ার সড়কে সবচেয়ে ব্যস্ততম গুঠিয়া সেতু। এটি ওই এলাকার বাণিজ্যিক বন্দর এবং গুঠিয়ার সন্দেশ প্রসিদ্ধ হওয়ায় সব সময় জমজমাট থাকে। বরিশাল থেকে বানারীপাড়া যেতে সেতু পার হওয়ার পর ঢালের শুরুতে দক্ষিণ পাশে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ভবন নির্মাণ করেছেন।

গতকাল বুধবার সড়ক ও জনপথ বিভাগের উজিরপুর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী হামিদুর রহমান বলেন, ‘আমি খবর পেয়ে আজ (বুধবার) নির্মাণাধীন ওই ভবন দেখে এসেছি। ভবনে ওঠার জন্য একটি সিঁড়িও করা হয়েছে। ওই ভবন এবং সিঁড়ি সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমির ওপর করা হয়েছে কি না, তা সার্ভেয়ার এনে মেপে দেখতে হবে।’

অপর দিকে স্থানীয় বিএনপির নেতারা বলছেন, সরকারের প্রয়োজন হলে তাঁরা জমি ছেড়ে দেবেন। জানা গেছে, একই স্থানে ২০২৩ সালের দিকে অবৈধভাবে টিনের ছাপরা তুলে গুঠিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয় করা হয়েছিল। গত বছর ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিন অফিসটিতে লুটপাট করে আগুন দেওয়া হয়।

গুঠিয়ার একজন ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সেতুর ঢাল যেখানে শুরু হয়েছে, সেখান থেকে আনুমানিক ৫ ফুট দূরত্বে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। দুটি লম্বা কক্ষ করা যাবে, এমন আকারের ভবনটি করা হয়। নিচু জায়গায় এরই মধ্যে পিলারের ওপর দাঁড় করানো ভবনে গাঁথুনি ও ছাদের ঢালাই শেষ হয়েছে। প্রকাশ্যে সড়কের জমি দখল করে ভবন করা হলো, কিন্তু সরকারি সংস্থাটির কারও নজরে পড়েনি, এটি বিশ্বাসযোগ্য নয়।’

গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উজিরপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিন হাওলাদার বলেন, ‘খালি জমি পড়ে আছে, ভবন করেছি। সরকারের যদি কোনো দিন প্রয়োজন হয় ছেড়ে দেব। তবে সেখানে আগে আওয়ামী লীগের কার্যালয় ছিল না।’

সেতুর ঢাল ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এবং সরকারি জমিতে পাকা ভবন নির্মাণ ঠিক কি না, এ প্রসঙ্গে শাহিন বলেন, ‘ঢাকায় সরকারি জমিতে অনেক দলের অফিস হয়েছে, তাতে হয়েছে কী?’

উজিরপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন খান বলেন, ‘পোলাপানে কার্যালয় করতে পারে। তারা অবশ্য বিষয়টি থানা বিএনপিকে জানায়নি। এ জন্য সঠিক বলতে পারব না।’

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের বরিশালের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘গুঠিয়া ব্রিজসংলগ্ন সড়ক ও জনপথের জমিতে ভবন করা হচ্ছে কি না, তা আমার জানা নেই। আমাকে কেউ জানাননি। সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

রেশনিংয়ের তেলে গন্তব্যে পৌঁছাবে না গাড়ি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:০১ অপরাহ্ণ
রেশনিংয়ের তেলে গন্তব্যে পৌঁছাবে না গাড়ি

বরিশাল নগরী থেকে প্রায় ৬০-৭০ কিলোমিটার দূরে বরগুনার আমতলীতে অফিস নগরীর বটতলা এলাকার বাসিন্দা সোহাগের। প্রতিদিনই মোটরসাইকেলে করেন আসা যাওয়া। শনিবার থেকে দিনে ২ লিটারের বেশি জ্বালানি নিতে পারছেন না রাকিব। অথচ অফিসে যেতে আসতে দৈনিক কম করে হলেও তিন লিটার তেল দরকার তার। যুগান্তরকে রাকিব বলেন, ‘আগে থেকে ট্যাংকিতে থাকা তেলে সামলাচ্ছেন পরিস্থিতি। এভাবে হয়তো চলবে কয়েক দিন। তারপর আসা যাওয়া করতে হবে বাসে, নয়তো স্ত্রী সন্তানদের বরিশালে রেখে আমতলিতে করতে হবে থাকার ব্যবস্থা।

 

জ্বালানি সংকটে যে গণপরিবহণে যাতায়াতের কথা ভাবছেন রাকিব সেই বাসের চালক-মালিকরাও আছেন দুশ্চিন্তায়। রেশনিংয়ের আওতায় লোকাল বাসে দৈনিক ৭০ থেকে ৮০ লিটার জ্বালানি দেওয়ার নিয়ম করেছে সরকার। অথচ দক্ষিণাঞ্চলে এমনও অভ্যন্তরীণ রুট রয়েছে যেখানে একবার যেতে আসতেই ১০০ লিটারের মতো জ্বালানি খরচ হয়। দিনে ৭০-৮০ লিটারের বেশি তেল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি কার্যকর হলে বিপদে পড়বে এসব গণপরিবহণ মালিকরা। এখন যেখানে দিনে একটি রাউন্ড ট্রিপ দেয় তারা সেখানে আজ যাত্রী নিয়ে গেলে পরদিন ছাড়া আর ফেরার উপায় থাকবে না। বরিশালের রূপাতলী বাস মালিক গ্রুপের সদস্য আল আমিন বলেন, ‘বরিশাল থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত একটি বাসের যাওয়া আসায় ৭০ থেকে ৮০ লিটার তেল দরকার হয়। যাত্রী চাপ বেশি থাকলে কোনো কোনো দিন দুবারও রাউন্ড ট্রিপ হয়। এখন পাম্প থেকে যদি দিনে ৭০-৮০ লিটারের বেশি তেল না দেয় তাহলে দিনে একবার রাউন্ড ট্রিপ দিয়ে বসে থাকতে হবে। এ পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়াবহ হবে আসন্ন ঈদে। ঈদের আগে পড়ে কোনো কোনো রুটে দিনে ৩-৪ বারও রাউন্ড ট্রিপ দিতে হয় আমাদের। জ্বালানি তেল প্রশ্নে এরকম রেশনিং চালু থাকলে একদিকে যেমন সেভাবে ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হবে না তেমনি যাত্রীরাও পড়বে চরম দুর্ভোগে।’

লোকাল পরিবহণের মতো জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন দূরপাল্লার বাসের চালকরা। সাগর পাড়ের কুয়াকাটা থেকে দেশের প্রায় সব প্রান্তে চলাচল করে যাত্রীবাহী বাস। বরিশালসহ অন্যান্য জেলাগুলো থেকেও যান দূর-দূরান্তে। জ্বালানি তেলের রেশনিং পুরোপুরি চালু হলে এসব বাসের চলাচল মুশকিল হয়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন চালক ও মালিকরা। কুয়াকাটা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে চলাচলকারী বাস ‘আরপি রোকেয়া’ পরিবহণের চালক রুহুল আমিন বলেন, ‘প্রতিবার কেবল যেতেই ২৭০-২৮০ লিটার ডিজেল লাগে আমাদের। অথচ সরকার বলছে ২২০ লিটারের বেশি দেবে না। তাহলে কি আমরা মাঝপথে দাঁড়িয়ে থাকব?’ কুয়াকাটা থেকে চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী সৌদিয়া পরিবহণের কাউন্টার ইনচার্জ ইমাম হোসেন বলেন, ‘প্রতিবার চট্টগ্রাম পর্যন্ত গাড়ি পৌঁছাতে ৩০০ লিটারের বেশি তেল লাগে। ২০০-২২০ লিটার তেলে কি হবে? সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এ বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখা উচিত ছিল।’ একইরকম সমস্যার কথা জানিয়েছেন বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নিলফামারী, পঞ্চগড়ের পথে প্রতিদিন ৫০০-৬০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেওয়া বাসগুলোর চালকরা। মাপা তেল নিয়ে আর যাই হোক সড়কে চলা সম্ভব নয়, বলেন তারা। সাকুরা পরিবহণের মালিক হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাউফল থেকে রাজধানী ঢাকায় একবার যেতে আসতে ১৮০ লিটারের মতো তেল লাগে একটি বাসের। বর্তমান রেশনিংয়ে কোনোভাবে চালিয়ে নিতে পারলেও ঈদের সময় যখন একেকটি বাস দিনে ২-৩ বার ট্রিপ দেবে তখন কী হবে? অতিরিক্ত ট্রিপ দিতে না পারলে তো ঈদযাত্রায় সবাইকে বাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হবে না।’ বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি জিয়াউদ্দিন সিকদার বলেন, ‘এখনো দূরত্ব বুঝে বাসগুলোকে তেল দিচ্ছে ফিলিং স্টেশনগুলো। কিন্তু সরকার যেভাবে বলছে সেই পদ্ধতি মানে রেশনিং পুরোপুরি চালু হলে এসব রুটের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এ বিষয়টির দিকে সবার খেয়াল দেওয়া দরকার।’

বাসচালকদের মতো বিপাকে পড়ার আশঙ্কায় পড়েছেন ভাড়ায় চালিত প্রাইভেটকার মাইক্রোবাসের মালিকরা। বরিশালের রেন্ট-এ-কার প্রতিষ্ঠান রংধনুর মালিক সোহাগ হাওলাদার বলেন, ‘আমাদের মাইক্রোবাসগুলোর জন্য দিনে ২০-২৫ লিটার তেলের বরাদ্দ রেখেছে সরকার। আমাদের গাড়িগুলো তো সারা বাংলাদেশ ছুটে বেড়ায়। একটি ১৮০০ সিসির গাড়ি এক লিটার তেলে সর্বোচ্চ ৬-৭ কিলোমিটার চলতে পারে। বরিশাল থেকে রাজধানী ঢাকার দূরত্ব ১৭০ কিলোমিটার। আসা যাওয়ায় পাড়ি দিতে হবে ৩৪০ কিলোমিটার পথ। সরকারের বেঁধে দেওয়া তেলে যেখানে মাত্র ১৭৫ কিলোমিটার চলতে পারব আমরা সেখানে বাকি পথ পৌঁছাব কেমন করে? এ তো গেল কেবল বরিশাল-ঢাকা পথের হিসাব। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর ধরলে তো যাত্রী নিয়ে রওনাই হতে পারব না।’ রেশনিং প্রশ্নে তেলের পরিমাণ এত কম ধরা নিয়ে ক্ষুব্ধ ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকরাও। বরিশাল নগরীর বাসিন্দা জিয়াউল হাসান বলেন, ‘আমার জিপের সিসি ৩০০০। প্রতি লিটার তেলে যায় সর্বোচ্চ তিন কিলোমিটার। আমাকে আপনি বলছেন দিনে ২৫ লিটার তেল নিতে। এই তেল দিয়ে আমি কি করব? ২৫ লিটার তেলে তো মাত্র ৭৫ কিলোমিটার যাবে গাড়ি। আমি যদি ঢাকা থেকে বরিশালে যাই তাহলেও তো আমার ৫৫-৬০ লিটার তেল লাগবে। এগুলো হিসাব না করেই কিভাবে এরকম সিদ্ধান্ত দিল?’

পরিচয় না প্রকাশের শর্তে বরিশালের একাধিক ফিলিংস্টেশনের মালিক যুগান্তরকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ডিজেলের ওপর তেমন কোনো চাপ পড়েনি এখানে। পেট্রোল আর অকটেন নিয়ে চলছে টানাটানি। রোববার স্থানীয় ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল দেওয়া হয়নি আমাদের। বরিশালে যেহেতু গাড়ি কম তাই প্রাইভেটকার কিংবা মাইক্রোবাসগুলোতে পুরোপুরি রেশনিং চালু করিনি আমরা। যার যার চাহিদা মতো দেওয়া হচ্ছে তেল। তবে এটা আর কতদিন পারব জানি না। ডিপো থেকে দেওয়া তেলের পরিমাণ যদি কমিয়ে দেয় তাহলে আমাদেরও তো কম দিতে হবে। ছোট শহরে সবাই সবার পরিচিত। কাউকে তো সরাসরি না বলতেও পারছি না। তবে ছোট গাড়ির জন্য রেশনিংয়ের যে পরিমাণ তা আরেকটু বাড়ানো উচিত। সারাদিনে মাত্র ১০ লিটার তেল, দূরের যাত্রা বাদ দিলাম, শহরে এখন যে পরিমাণ জ্যাম হয়, গাড়িগুলোকে যেভাবে জ্যামে বসে থাকতে হয়, সেটা বিবেচনা করে হলেও পরিমাণ আরেকটু বাড়ানো উচিত। তাছাড়া ছোট ছোট যেসব মালবাহী পিকাপভ্যান রয়েছে, সেগুলোও কিন্তু দূর-দূরান্তে পণ্য পরিবহণ করে। সরকারের উচিত হবে রেশনিং প্রশ্নে তেলের পরিমাণ আরেকটু বাড়ানো।’ বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রেসিডেন্ট এবায়েদুল হক চান বলেন, ‘অর্থনীতির গতি হচ্ছে গাড়ির চাকা। সেই চাকা থামিয়ে কোনো কিছুই করা সম্ভব হবে না। সংকটে রেশনিং আমরাও চাই। তবে তা যৌক্তিক হতে হবে। বিষয়টি নতুনভাবে বিচার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নয়তো গাড়ির চাকা বন্ধ হলে সবকিছুই থেমে যাবে।’

মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার নাম সংশোধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৫ অপরাহ্ণ
মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার নাম সংশোধন

সরকারের পাঁচজন মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার নাম সংশোধন করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) নাম সংশোধন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভ করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। ওইদিনই ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে দলটি। নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সংশোধনে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ‘আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী’র নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে ‘আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী’; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী ‘আব্দুল আউয়াল মিন্টু’র নাম করা হয়েছে ‘আবদুল আউয়াল মিন্টু’; ধর্মমন্ত্রী ‘কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ’ এর নাম ‘কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)’ করা হয়েছে।

কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ‘মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ’ এর নাম ‘মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ’; পানিসম্পদ মন্ত্রী ‘মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি’র নাম সংশোধন করে ‘মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি’ করা হয়েছে।

এছাড়া, প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম’ এর নাম সংশোধন করে করা হয়েছে ‘ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম’।

এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এর নাম সংশোধন করে ‘হাফিজ উদ্দিন আহমদ’ করার আবেদন করেছেন। এরইমধ্যে এ সংক্রান্ত আবেদন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই সৌদির তেলখনিতে ইরানের হামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই সৌদির তেলখনিতে ইরানের হামলা

সোমবার (৯ মার্চ) ভোরের দিকে সৌদির শায়েবাহ তেলখনি লক্ষ্য করে ৪টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ছুড়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী

সৌদি আরবের অন্যতম বৃহৎ তেলের খনি শায়েবাহ অয়েলফিল্ডকে লক্ষ্য করে ফের ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (৯ মার্চ) ভোরের দিকে সৌদির শায়েবাহ তেলখনি লক্ষ্য করে ৪টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন ছুড়েছে ইরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। খবর আল জাজিরার। 

অবশ্য তেলখনিতে আঘাত হানার আগেই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে সেসব ড্রোন ধ্বংস করে ফেলতে সক্ষম হয়েছে সৌদি। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে এসব তথ্য।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর পর থ গত ৯ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আরব দেশগুলোর মার্কিন সেনাঘাঁটি, স্থাপনা ও তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে ইরান।

 

৯ দিনে ৩ বার শায়েবাহ তেলখনি লক্ষ্য করে হামলার পর গতকাল রোববার ইরানকে কড়া সতর্কবার্তা দেয় সৌদি আরব। এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ইরান যদি প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রাখে, তাহলে চলমান যুদ্ধে দেশটির সর্বোচ্চ পরাজয় ঘটবে।

তবে এই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই চতুর্থবারের মতো শায়েবাহ তেলখনিতে হামলা করল ইরান।