খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

আ.লীগ নেতার বাধায় বন্ধ, আইএলএসটি প্রকল্পের কাজ চালুতে জটিলতা

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
আ.লীগ নেতার বাধায় বন্ধ, আইএলএসটি প্রকল্পের কাজ চালুতে জটিলতা

বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বাধার কারণে ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (আইএলএসটি) বন্ধ হয়ে যাওয়া কাজ আবারও চালু করার চেষ্টা চলছে। তবে প্রকল্পের বরাদ্দ ফেরত যাওয়ায় সহসাই জটিলতা কাটছে না।

যদিও সম্প্রতি বিষয়টি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নতুন করে অবগত করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে ৬৫ কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জ এলাকায় সরকারি হাঁস-মুরগির খামারের পাশে প্রাণিসম্পদ খাতের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে। কিন্তু জলাশয় ভরাটের অভিযোগ তুলে তৎকালীন সিটি মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। এরপর আর প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণকাজ শুরু হয়নি।

বরিশাল জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তৎকালীন সময়ে রাজনৈতিক কারণে ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএলএসটি) স্থাপন প্রকল্পের কাজ করা সম্ভব হয়নি বরিশালে। এরপর প্রকল্পের অর্থ-ই ফেরত চলে যায়, আমরা কাজটি পুনরায় শুরু করা যায় কি না সেটির চেষ্টা করছি।

তবে প্রকল্পের টাকা ফেরত গেলে সেই কাজ আবারও নতুন করে শুরু থেকে আরম্ভ করতে হয়। অর্থাৎ আবার এই প্রকল্পের বিষয়টি একনেকে পাস হয়ে আসতে হবে। তাই অনেকটা জটিলতার সৃষ্টি এখন হয়েছে। যদিও কিছুদিন আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বরিশালে আসলে তাকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের মহোদয়সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইনস্টিটিউট অব লাইভস্টক সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বরিশালে চালু হলে যে সুবিধা পাওয়া যাবে, বিভাগের অন্য কোথাও হলে সেই উপকার হয়ত পাওয়া যাবে না, তাই বরিশালেই এটি চালু করার চেষ্টা চলমান রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি বছর এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৬০ জন শিক্ষার্থী প্রাণিসম্পদ বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করতে পারতো। প্রকল্পের আওতায় একাধিক অ্যাকাডেমিক ভবন এবং ছাত্র-ছাত্রী হোস্টেল ছাড়াও অফিস ভবন, টিচার্স ডরমিটরি, বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন, হেলথ কেয়ার সেন্টার ছাড়াও একটি অত্যাধুনিক প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল স্থাপনের কথা ছিল। এখানে রাজস্ব খাতে প্রায় ৫০ জন জনবল নিয়োগ হতো। এছাড়াও আউটসোর্সিং-এর মাধ্যমে আরও অন্তত ২৫ জনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হতো। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণিসম্পদ চিকিৎসায় নতুন দিগন্তের সূচনা হতো।

প্রকল্পের সাবেক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নের কাজ শুরু করার পর ওই সময়ের মেয়র কাজটি বন্ধ করে দেয়। তাকে কোনোভাবে কাজ শুরুর বিষয়ে রাজি করানো যায়নি। ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ ছিল। তাই প্রকল্পটি বাতিল হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস জানিয়েছেন, যে জমিতে প্রতিষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি জলাশয়। এ কারণে তখনকার মেয়র (শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ) সেখানে বালু ভরাট ও ভবন নির্মাণে বাধা দেন। এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল। তবে এর থেকে বেশি কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি। বাংলানিউজ

 

‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান পূর্বশর্ত হলো লেবাননে ইসরাইলের হামলা ও আগ্রাসনের পরম ও শর্তহীন অবসান। রোববার (২৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই কথা জানিয়েছেন। 

লেবাননের অখণ্ডতা রক্ষা এবং হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সমর্থন দেওয়াকে তেহরানের কৌশলগত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে লেবানন ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এর আগে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সমঝোতায় এই শর্ত থাকলেও হরমুজ প্রণালির বিরোধে তা ভেস্তে যায়। এদিকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একপেশে আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ।

লেবাননীয় সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, নির্ধারিত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধা দিয়ে ইসরাইল এখনও দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচারে ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান এই সংঘাতে লেবাননে ৪ হাজার ৩২৯ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ফের বিক্ষোভের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ভারতে। তবে গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

 

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই বৈঠক হয়।

বৈঠকের পর সিজেপি জানিয়েছে, ‘কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

সংগঠনটির দাবি, সরকার তাদের আশ্বাস দিয়েছে যে বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন (নোটিফিকেশন) জারি করা হবে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই সিজেপি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে পরে কর্মকর্তারা বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি তাদের কাছে তুলে দেন। ওই প্রজ্ঞাপনে বিক্ষোভকারীদের জন্য ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার রাত ১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্যে একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর সরকারের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকটি দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে। সেখানে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি আমাদের দেওয়া হয়েছে। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক সবাইকে মুক্তি দেওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।’

সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই ধরনের নিশ্চয়তামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রতিশ্রুতি সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, সমঝোতা অনুযায়ী ভাষাই ব্যবহার করা হবে। কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

বৈঠকের পর প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় সৌরভ দাস বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না—এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তারা প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা তাদের বলেছি, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর জবাবে তারা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে, যাতে বিক্ষোভকারীরা আইনি ঝামেলায় না পড়েন। আমরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করেছি যে আর কোন কোন রাজ্য সরকার এ ধরনের প্রজ্ঞাপন দিতে পারে, যাতে বিক্ষোভকারীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

তার দাবি, সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে মঙ্গলবারের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সব বিক্ষোভকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দলটি কাজ চালিয়ে যাবে। নিজ নিজ শহরে আন্দোলনে অংশ নেয়া একজন বিক্ষোভকারীও যেন কোনো আইনি হয়রানির শিকার না হন, আমরা তা নিশ্চিত করব। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬ সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল খেলা দেখেন মাঠে বসে।

এ সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, মীর হেলাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদের গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে, তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো, তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস প্লেয়ার বের হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের বাংলাদেশ অনেক সমস্যায় আছেÑ আমরা সেটি অস্বীকার করছি না। কিন্তু এই সমস্যার পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, বাংলাদেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে পারবো? আমরা জানি তোমাদের যে স্কুল- কলেজগুলো আছে, অনেক স্কুল হয়তো তোমাদের সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেই। অনেক স্কুলে হয়তো ফ্যান নেই। আমরা কাজ করছি। তোমাদের স্কুলগুলো যাতে ধীরে ধীরে আমরা গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু আজকে এই নতুন করে স্পোর্টস ইভেন্টে তোমাদের কাছ থেকে আমি একটি কথা নিতে চাই। আমরা এই দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। এই কাজটি আমরা তখনই করতে পারবো। যখন এই যে, তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো, আমার হাতের বাম পাশে তোমরা যারা খেলোয়াড়রা বসে আছো, যারা পুরস্কার পেয়েছোÑ তোমরা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো তাহলে আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে কে কে কাজ করবে? এমন প্রশ্ন রেখে গ্যালারিতে বসে থাকা কিশোর-কিশোরীদের জবাব জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সঙ্গে আছো তোমরা? কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও, হাত তুলো। এই সময়ে পুরো গ্যালারির হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী একসঙ্গে হাত উঁচু করলে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু খেলার সময় একইভাবে মন দিয়ে খেলতে হবে। ছোট ছোট বন্ধুরা আছো, তোমাদের সকলের কাছে আমি একটি সহযোগিতা চাই। একটি সাহায্য চাই। সেটি কি সাহায্য? এই দেশটা আমাদের সকলের দেশ, এই দেশের আলো, এই দেশের বাতাস, এই দেশের পরিবেশ আমরা সকলে মিলে যদি ঠিক রাখি তাহলে আমরা একটি সুন্দর পরিবেশে থাকতে পারবো। তুমি সুন্দর পরিবেশে বড় হতে পারবে, তুমি সুন্দর পড়ালেখা করতে পারবে।