খুঁজুন
সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১৬ ভাদ্র, ১৪৩৩

শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ইউএনও’র অপসারণ দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

দশমিনা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ইউএনও’র অপসারণ দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় শিক্ষক দম্পত্তিকে লাঞ্ছিতর ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসানের প্রকাশ্যে ক্ষমা ও অপসারণের দাবিতে আজ মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। সকাল ১০ টায় উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে মিলিত হয়।

পরে ইউএনওর বাসভবনে যাওয়ার পথ অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে স্কুল কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করে এ আন্দোলনের সাথে একত্মতা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউএনও ইরতিজা হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) এহসানুল হক ও তার স্ত্রী বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের সহকারী প্রিন্সপাল মাজেদা বেগমকে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা ইউএনওর অপসাণর দাবিতে আন্দলোন শুরু করেন। এই আন্দোলন আজ তৃতীয় দিনে এসে গড়াল।

এরআগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের একটি অফিস আদেশে চিকিৎসাজনিত কারন দেখিয়ে আগামী ১৪ আগষ্ট থেকে ২০ আগষ্ট পর্যন্ত মোট ৭ দিন নৈমিত্তিক ছুটিসহ ১৩ আগষ্ট ২০২৫ খ্রি: তারিখ অপরাহ্নে কর্মস্থল ত্যাগ করার কথা বলেছেন। ওই দিনই ইউএনও ইরতিজা হাসান সন্ধ্যার পরে পুলিশ পাহারায় কর্মস্থল ত্যাগ করেন। পরদিন গত বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা তিন কার্যদিবসের মধ্যে ইউএনওর স্থায়ী অপসারণের দাবি জানিয়ে আল্টিমেটাম দেন। শিক্ষার্থীদের এ দাবি না মেনে (১৮ আগষ্ট) শিক্ষক দপ্ততিসহ ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে জেলা প্রশাসকরে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য বলেন।

এ ঘটনায় আজ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তৃতীয় দিনের মতো ইউএনওর বাসভবনের সড়ক আটকিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফকরুজ্জামান বাদল, সাবেক শিক্ষার্থী আল-আমিন মোল্লা, গাজী সালাউদ্দিন, বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা তৌহিদুল ইসলাম, যুবঅধিকার পরিষদের সভাপতি কেএম নজরুল সাহিন ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের আল-আমিন প্রমুখ।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা (১৪ আগষ্ট) বৃহস্পতিবার ইউএনও ইরতিজা হাসানের স্থায়ী অপসারণের জন্য তিনদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দাবি না মেনে জেলা প্রশাসক মহোদয় আবার ওই শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। ইউএনও ইরতিজা হাসানকে দশমিনা থেকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের এ আন্দোলন চলবে।

বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পেড়েছি যে, এখন নাকি ছাত্ররা আন্দোলন করেনা। আন্দোলন নাকি ভিন্ন হাতে চলে গেছে। তাদের উদ্দেশ্যে ছাত্ররা বলেন, বিগত সরকারের সময় এরকম কথা বলেছিল। তাতে কিন্তু আন্দোলন থামেনি। আমরাও ইউএনওর স্থায়ী অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আরো শক্তিশালী ভাবে আন্দোলন চালিয়ে চাবে এবং আগামীকাল সকাল ১০ টায় আবার একই স্থানে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কর্মসূটি ঘোষনা করেন।

ভূক্তোভোগী শিক্ষক এহসানুল হক বলেন, সোমবার আমার স্ত্রী, ভাইসহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে ডিসি অফিসে ডেকেছিলেন, সেখানে গেলে এডিসি আমাদেরকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করারা কথা বলেন।

এবিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মাদ আরেফিন বলেন, ওই শিক্ষক ও তার প্রধান শিক্ষকের সাথে আমার মিটিং হয়েছে। শিক্ষকদের সাথে যে সমস্যা হয়েছে তা ইতিমধ্যেই মিটে গেছে এবং তা ওই শিক্ষকের ফেইসবুকে স্টাটাসও দিয়েছেন। এরপরও ছাত্রদের আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা নেই।

উল্লেখ্য, বাসার একটি পাইপ লাইনের পানি পরাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনও ইরতিজা হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (গণিত) এহসানুল হককে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ওইদিন রাত দুইটার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে শিক্ষক দম্পত্তিকে মীমাংসা হয়েছে মর্মে জোর পূর্বক একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার ধারন করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছেরে দেন। এই বিষয়টিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে গত বুধবাবার শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা একাত্মতা প্রকাশ করে সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং সড়ক অবরোধ করেন।

 

 

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায় যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্মানজনক বিদায় চায়। এটাকে তিনি ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাস’ হিসাবে অভিহিত করেন। তার দাবি, সেই ব্যবস্থায় বিদেশি শক্তিগুলো দ্রুত তাদের প্রভাব হারাচ্ছে। আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও কাসেম সোলেইমানির কথা উল্লেখ করে বুধবার এক্স-এ দেওয়া পোস্টে গালিবাফ লেখেন, ‘প্রিয় আবু মাহদি ও হাজ কাসেম! এটি আপনাদের সংগ্রাম ও পবিত্র রক্তের ফসল।

আলজাজিরা জানায়, আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ছিলেন ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের একজন জ্যেষ্ঠ কমান্ডার। আর কাসেম সোলেইমানি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান ছিলেন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় তারা দুজনেই নিহত হন।

গালিবাফ বলেন, ‘নতুন আঞ্চলিক বিন্যাসে বিভিন্ন দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ দ্রুত কমে আসছে; যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চল থেকে সম্মানজনকভাবে সরে যাওয়ার পথ খুঁজছে। নদী থেকে সমুদ্র (রিভার টু দ্য সি) পর্যন্ত বিস্তৃত জায়গাজুড়ে জায়নবাদী শাসনব্যবস্থার যে প্রকল্প ছিল, তা এখন কেবলই এক অলীক স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।’

 

ইরানের ওপর বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আমিরাতের : দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে-এমন অভিযোগে ইরানের ওপর অনির্দিষ্টকালের জন্য বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তেহরান হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বুধবার ভোরের দিকে দেওয়া বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ন করে এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যাবতীয় বাণিজ্য, বাণিজ্যিক আদান-প্রদান এবং আর্থিক লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে।’ আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে উৎক্ষেপিত দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের দ্বারা তার দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এটি একটি ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ (অন্যের ওপর দোষ চাপানোর উদ্দেশ্যে সাজানো কোনো ঘটনা) হতে পারে।

 

বাঘাই সতর্ক করে বলেন, এ দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির পরিপন্থি।’ তিনি আঞ্চলিক পক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা তেহরানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে দূরে থাকে। তিনি আরও যুক্তি দেন, পরিস্থিতির যে কোনো নিরপেক্ষ মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ‘বিদ্বেষপূর্ণ কর্মকাণ্ড’কেও বিবেচনায় নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ : যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে ইরান অন্য যে কোনো উপসাগরীয় দেশের তুলনায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সম্পদ বা স্থাপনা হিসাবে চিহ্নিত লক্ষ্যবস্তুর ওপর ৫৩০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ডজনখানেক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টিরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল। তবে হামলা চালিয়ে কখনোই দায় অস্বীকার করেনি ইরান। সেক্ষেত্রে এবারের হামলা কারা চালিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।

তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ণ
তালতলীতে বিএনপির পালটাপালটি সভা ঘিরে উত্তেজনা, অস্ত্রসহ আটক ৫

 সোহেল রানাঃ তালতলীতে বিএনপির দুই গ্রুপের পালটাপালটি সভা কেন্দ্র করে দুদিন ধরে শহরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের অভিযানে ১টি ইয়ারগান এবং বিদেশি অস্ত্র ও ৪ রাউন্ড গুলিসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার গাবতলী এলাকা থেকে আটকরা হলো- তালতলীর আঙ্গারপাড়ার লিমন সিকদার, কলাপাড়ার চাকামইয়া এলাকার অনিক মজুমদার, বরগুনার কেওরাবুনিয়ার মো. জামাল, নরাইলের লোহাগড়ার জিহাদ খান ও বরগুনার কেওরাবুনিয়ার হৃদয় মোল্লা।

জানা যায়, গত শনিবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক নজরুল ইসলাম মোল্লাকে নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকের দেওয়া একটি বক্তব্য কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। এরই জেরে দুই গ্রুপ বুধবার পালটাপালটি বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়।

পরে গাবতলী এলাকায় ৫ জনকে আটক করে পুলিশ। বিকালে মাহবুবুল আলম মামুনের চাচাতো ভাই আল আমিনের বাড়ি থেকে ১টি এয়ারগান উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। মিয়া মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন, জেলা বিএনপির প্রকাশ্য মদদে আমার লোকজনদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে।

আজকের সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলা করার জন্য বহিরাগতদের ভাড়া করে এনেছে। মাহবুবুল আলম মামুন বলেন, অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আমি অবগত না। ওসি সাইদুল ইসলাম বলেন, এখনোও যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।

সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সৌদিতে আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন বাংলাদেশের জাকারিয়া

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত ও তাফসির প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া। বিশ্বের ১৩৩টি দেশের শত শত প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে প্রতিযোগিতার চতুর্থ শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন তিনি। খবর এসপিএ’র।

হাফেজ নুরুদ্দিন জাকারিয়া রাজধানীর আর রায়হান ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি চতুর্থ শাখায় অংশ নেন। এ শাখায় প্রতিযোগীদের টানা ১৫ পারা পবিত্র কুরআন হিফজের পাশাপাশি শুদ্ধ তিলাওয়াত ও তাজবিদের দক্ষতা যাচাই করা হয়।

সবগুলো ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে সেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন বাংলাদেশের এই কুরআনের হাফেজ। এবারের প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী।

পাঁচটি পৃথক শাখায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় সৌদি আরবের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিচারকরা প্রতিযোগীদের কুরআন হিফজ, তিলাওয়াত, তাজবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। বিভিন্ন শাখায় মোট ৫০ জন প্রতিযোগীকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে।

সৌদি আরবের ইসলাম বিষয়ক, দাওয়াহ ও দিকনির্দেশনা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কারমূল্য এক কোটি ২৬ লাখ সৌদি রিয়াল।