খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরনে ২ জন নিহত: অবশেষে মামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫, ৯:০০ অপরাহ্ণ
বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরনে ২ জন নিহত: অবশেষে মামলা

নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্র দখলের জন্য ভাড়াটিয়া বোমা তৈরির কারিগরদের নিয়ে নির্জন এলাকায় বোমা বানানোর সময় বিস্ফোরনে দুইজন নিহত হয়েছে। অবশেষে বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকান্ড দাবি করে নিহত একজনের পরিবারের পক্ষে মোকাম বরিশাল বিজ্ঞ বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আদালতের বিচারক মামলাটি এজাহারভূক্ত করার জন্য গৌরনদী মডেল থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় সাতজনের নামোল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) দুপুরে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে থানায় মামলাটি এজাহারভূক্ত করার পর ইতোমধ্যে তদন্তের কাজ শুরু করা হয়েছে।

বোমা বিস্ফোরনের পর গুরুত্বর আহত হয়ে টানা নয়দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা মুলাদী উপজেলার বাটামারা ইউনিয়নের পূর্ব তয়কা গ্রামের কামাল বেপারীর স্বজন দুলাল বালী বাদী হয়ে দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন, মামলার প্রধান আসামি কৌশলে তার ফুফাতো ভাই কামাল বেপারীকে ঘটনাস্থলে এনে বোমা বিস্ফোরন ঘটিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তিনি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করেছেন। নিহত কামাল বেপারী পূর্ব তয়কা গ্রামের মৃত সেলিম বেপারীর ছেলে।

মামলার নামোল্লেখ করা আসামিরা হলো-মুলাদী উপজেলার চিঠিরচর গ্রামের মালেক শিকদারের ছেলে আব্বাস শিকদার, বিমানবন্দর থানার করমজা গ্রামের মৃত লতিফ হাওলাদারের ছেলে নুরুল ইসলাম, মুলাদীর সাহেবেরচর গ্রামের মৃত মালেক বেপারীর ছেলে আবু হানিফ, চিঠিরচর গ্রামের মৃত জোনাবালী শিকদারের ছেলে শাহিন শিকদার ও আনু শিকদার, খুনেরচর গ্রামের মৃত রশিদ বালীর ছেলে ওহিদুল বালী, তয়কা গ্রামের আমিন আকনের ছেলে লেলিন আকন।

এজাহার সূত্রে এবং মামলার বাদি দুলাল বালী জনকণ্ঠকে জানিয়েছেন, মামলার প্রধান আসামি আব্বাস শিকদারের বড় ভাই আলতাফ হোসেন ছিলেন বরিশাল-১ (গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর গানম্যান। ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিতব্য গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন হাসানাত আব্দুল্লাহর প্রধান সহযোগি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র (বর্তমানে জেলহাজতে থাকা) হারিছুর রহমান হারিছ। সূত্রমতে, ভোটের মাঠে নিজের পরাজয় নিশ্চিত জেনে হারিছুর রহমান ভোটের দিন বোমা হামলা চালিয়ে প্রতিটি ভোট কেন্দ্র দখল করে ভোট ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

সে অনুযায়ী তৎকালীন সংসদ সদস্যর গানমান্য আলতাফ হোসেনের মধ্যস্থতায় হারিছুর রহমান বিপুল পরিমান বোমা তৈরির জন্য আব্বাস শিকদারের মাধ্যমে ভাড়াটিয়া বোমা তৈরির কারিগরদের সাথে চুক্তি করে গৌরনদীতে নিয়ে আসে। আর তাদের দেখাশুনার দায়িত্ব দেওয়া হয় গৌরনদীর বার্থী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. শিমুল সরদারকে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, হারিছুর রহমানের নির্বাচনে লোক লাগবে জানিয়ে আব্বাস শিকদার তাদের গ্রামসহ অন্যান্য এলাকার লোকজনদের ও মামলার আসামিদের ওই বছরের ২৩ জুন গৌরনদীতে নিয়ে আসে। তারা ইউপি সদস্য শিমুল সরদারের বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে ওইদিন মধ্যরাতে ধানডোবা গ্রামের ওয়াদুদ সরদারের নির্জন (বিলের মধ্যে) পান বরজের মধ্যে গিয়ে প্রধান আসামির (আব্বাস) হুকুমে অন্যান্য আসামিরা একাধিক বোমার বিস্ফোরন ঘটায়।

এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত ও কামাল বেপারী আহত হন। পরবর্তীতে মৃত্যু নিশ্চিতের জন্য আব্বাস শিকদারের নির্দেশে কামাল বেপারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়।

এরপর আব্বাসসহ কয়েকজনে ঘটাস্থলেই নিহত অজ্ঞাত মৃতের লাশ নিয়ে গুমের উদ্দেশ্যে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার পর গুরুত্বর আহত কামাল বেপারীকে এজাহারভূক্ত দুইজন আসামি অতিগোপনে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনে জখমের কারণ লুকিয়ে ভর্তি করে সটকে পরেন।

মঠবাড়িয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মঠবাড়িয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পৌর শহরের ৩ নং ওয়ার্ডে প্রথম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ৮ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক প্রাইভেট শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ফয়সাল নামে ওই প্রাইভেট শিক্ষক টিকিকাটা ওহাবিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত ওই অভিযোগের বিষয় হিসেবে ৮ বছর বয়সী শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২৭ জুলাই (সোমবার) মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ওই ছাত্রীর মা সুমি আক্তার অধ্যক্ষের অফিসে এসে লিখিত অভিযোগটি দাখিল করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,কম্পিউটার অপারেটর ফয়সাল মিয়ার কাছে প্রাইভেট পড়ার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির সাথে অশোভন আচরণ করা হয়েছে। এমনকি ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রাইভেট পড়ার সময় শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়া ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।কারো কাছে যাতে কিছু না বলা হয় সেজন্য শিশুটিকে খুন জখমের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী সুমি আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারটি রুম্মান নামে ওই ছাত্রীর এক চাচার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান,অভিযোগ আমিই দিয়েছিলাম। আবার আমি এটি প্রত্যাহার করে নিয়েছি।প্রিন্সিপল হুজুর বিষয়টি শালিসি ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধান করে দিবেন বলে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।
মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, প্রথম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই ছাত্রীর মা মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এসে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে । মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতিকে অবগত করেছি।আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলালের ছেলে খালিদ সাইফুল্লাহ আমিন বাবু জানান,আমি এখন পর্যন্ত ভালোভাবে বিষয়টি অবগত না হলেও কিছুটা অবগত হয়েছি।অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে দেখতেছি।বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী জানান,বিষয়টি অবগত হয়েছি।এ ধরনের অপরাধ স্থানীয় পর্যায়ে শালিস ব্যবস্থার কোন বিষয় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান পূর্বশর্ত হলো লেবাননে ইসরাইলের হামলা ও আগ্রাসনের পরম ও শর্তহীন অবসান। রোববার (২৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই কথা জানিয়েছেন। 

লেবাননের অখণ্ডতা রক্ষা এবং হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সমর্থন দেওয়াকে তেহরানের কৌশলগত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে লেবানন ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এর আগে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সমঝোতায় এই শর্ত থাকলেও হরমুজ প্রণালির বিরোধে তা ভেস্তে যায়। এদিকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একপেশে আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ।

লেবাননীয় সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, নির্ধারিত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধা দিয়ে ইসরাইল এখনও দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচারে ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান এই সংঘাতে লেবাননে ৪ হাজার ৩২৯ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ফের বিক্ষোভের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ভারতে। তবে গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

 

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই বৈঠক হয়।

বৈঠকের পর সিজেপি জানিয়েছে, ‘কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

সংগঠনটির দাবি, সরকার তাদের আশ্বাস দিয়েছে যে বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন (নোটিফিকেশন) জারি করা হবে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই সিজেপি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে পরে কর্মকর্তারা বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি তাদের কাছে তুলে দেন। ওই প্রজ্ঞাপনে বিক্ষোভকারীদের জন্য ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার রাত ১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্যে একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর সরকারের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকটি দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে। সেখানে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি আমাদের দেওয়া হয়েছে। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক সবাইকে মুক্তি দেওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।’

সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই ধরনের নিশ্চয়তামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রতিশ্রুতি সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, সমঝোতা অনুযায়ী ভাষাই ব্যবহার করা হবে। কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

বৈঠকের পর প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় সৌরভ দাস বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না—এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তারা প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা তাদের বলেছি, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর জবাবে তারা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে, যাতে বিক্ষোভকারীরা আইনি ঝামেলায় না পড়েন। আমরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করেছি যে আর কোন কোন রাজ্য সরকার এ ধরনের প্রজ্ঞাপন দিতে পারে, যাতে বিক্ষোভকারীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

তার দাবি, সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে মঙ্গলবারের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সব বিক্ষোভকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দলটি কাজ চালিয়ে যাবে। নিজ নিজ শহরে আন্দোলনে অংশ নেয়া একজন বিক্ষোভকারীও যেন কোনো আইনি হয়রানির শিকার না হন, আমরা তা নিশ্চিত করব। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।