খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:৩০ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও দখলদার ইসরায়েল হামলা অব্যাহত রেখেছে। এর ফলে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে উপত্যকাটিতে নিহতের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে, এই বর্বর আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭০ হাজার ১০০ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭০ হাজার ৯০০ জনের বেশি মানুষ।
গাজায় প্রাণহানির এই মর্মান্তিক মাইলফলক এমন এক সময়ে পার হলো যখন গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি হওয়া সত্ত্বেও প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েল নতুন করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার সকালে খান ইউনিসের পূর্বদিকে বানী সুফাইলা শহরে ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসাকর্মীরা জানিয়েছেন।
আল জাজিরাকে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আল-ফারাবি স্কুলের কাছে সাধারণ মানুষের ওপর ড্রোন থেকে বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে জুমা এবং ফাদি তামের আবু আসি নামের দুই ভাই নিহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের খান ইউনিসের নাসের মেডিক্যাল কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা পরে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি বাহিনী স্থল, নৌ ও বিমান তিন দিক থেকেই নতুন করে হামলা চালায়।
চিকিৎসা সূত্র জানায়, খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আল-কারারা এলাকায় ইসরায়েলি গোলাবর্ষণ ও বোমাবর্ষণে কমপক্ষে তিনজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলীয় তুফফাহ এলাকায় এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় রাফাহর পূর্ব দিকেও শনিবার সকালে ইসরায়েলি বিমান হামলা চালানো হয়।
গাজার সরকারি গণমাধ্যম কার্যালয়ের মহাপরিচালক ইসমাইল আল-থাওয়াবতা শুক্রবার জানান, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে ইসরায়েল তা ৫৩৫ বার লঙ্ঘন করেছে।

পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের বসবাস

রাসেল হোসেন:
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের বসবাস
  •  ছাদ থেকে প্রায়ই খসে পড়ে পলেস্তারা, কোথাও বেরিয়ে আছে রড

  •  সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বি.এম) কলেজের মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের এ ব্লকে ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর  বসবাস করছেন কয়েকশ শিক্ষার্থী।  ভাঙা ছাদ থেকে প্রায়ই খসে পড়ে পলেস্তারা। কোথাও কোথাও বেরিয়ে আছে রড।

    জানা গেছে,  এক যুগ আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটি এখনো শিক্ষার্থীদের আবাস হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সম্প্রতি ভূমিকম্পের কারণে দুর্ঘটনা আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

    ছাত্রাবাসটি ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা করার পর উল্লেখযোগ্য কোন মেরামত করা হয়নি  । কিন্তু কলেজে পর্যাপ্ত আবাসন না থাকায়  এই ভাঙা ভবনেই বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন ২৫০ শিক্ষার্থী  শিক্ষার্থী।  তিন তলা বিশিষ্ট ভবনটির কোনো কোনো স্থান থেকে বড় ধরণের ফাটল আবার কোনো স্থানের করিডোর ভেঙে পড়েছে।  কোনো মতে জোড়াতালি দিয়ে চলা ভবনটির কোনো স্থানে ফাটল দেখা দিলেই সাথে সাথেই কোনো বড় ধরণের সংস্কার না করেই শুধু মাত্র পলেস্তরা দিয়েই কাজ সারে কলেজ কতৃপক্ষ।

    মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যপক মো: মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলে , ডিগ্রী হলে এ ব্লকের  অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে ২৫০ জনের মত শিক্ষার্থী থাকে।সেখানে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্রাবাস সংস্কারের জন্য আন্দোলন করা হয়েছিলো। অনেক মাস অতিবাহিত হলেও কোনো কিছুই করা হয়নি। দ্রুত সংস্কার না হলে আবারো আন্দোলনের ঘোষনা দেয়া হবে।

    বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন বলেন, শুধু ডিগ্রি হলের  এ ব্লক নয় মুসলিম হলেও থাকার পরিবেশ নেই। আমরা সাধারন শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস সংস্কার, নতুন ছাত্রবাস নির্মানসহ ৫ দফা দাবীতে আন্দোলন করেছিলাম। দাবী মেনে নিয়েছিল কিন্তু কোন অগ্রগতি দেখছি না।  ছাত্রাবাস সংস্কার, নতুন ছাত্রবাস নির্মানে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি  না হলে সাধারন শিক্ষার্থীদের নিয়ে অচিরেই বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মোঃ তাজুল ইসলাম,  মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের এ ব্লকে ঝুঁকিপূর্ন ভবনটি ভেঙ্গে নতুন করে ভবন নির্মানের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুততার সাথে আমরা কাজটি করবো।

আজ থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
আজ থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু

আজ রোববার থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু । এই আদালতের চারজন বিচারক আজ থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করবেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কম্পিউটার অপারেটর মো: শহিদুল হক। তিনি জানান, আজ থেকে বরিশালের নতুন চারটি আদালত তাদের কাজকর্ম শুরু করবে।

আদালতগুলো হল-বরিশাল মহানগর শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। এই আদালতের বিচারক হচ্ছেন জেলা ও দায়রা জজ মো:মাসুদুর রহমান। বরিশাল জেলা শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হলেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন। বরিশাল পারিবার আপিল আদালতের বিচারক রাফিয়া ইসলাম। ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল-আমিন।

সমুদ্র থেকে কয়লাবাহী জাহাজে শত শত ইলিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
সমুদ্র থেকে কয়লাবাহী জাহাজে শত শত ইলিশ

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের প্রথম বয়া থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে অভাবনীয় এক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। সমুদ্র থেকে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট ইলিশ লাফিয়ে ওঠে কয়লাবাহী লাইটার জাহাজ ‘এমভি ক্যাসেল গ্যালাডিয়েটর’-এর দুই পাশে। মুহূর্তের মধ্যে ইলিশগুলো জাহাজের ডেকে ছুটোছুটি করতে থাকে।

জাহাজে থাকা নাবিকরা জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই তারা প্রায় তিন মণ ইলিশ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। বাকি ইলিশগুলো আবার সাগরে পড়ে যায়। কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরের দিকে আসার সময় জাহাজটিতে এই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে।

ঘটনার ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও জাহাজের প্রকৌশলী রবিউল হোসেন ধারণ করেন, যা আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি জানান, এমন দৃশ্য তারা আগে কখনো দেখেননি।

ভিডিওটি ধারণের সময় ছিল বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর। জাহাজটি পায়রা বন্দর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটির দিকে যাচ্ছিল।

এই অস্বাভাবিক ঘটনার কারণ জানা না গেলেও ভিডিওটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।