যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও গাজায় ইসরায়েলি হামলা
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বি.এম) কলেজের মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের এ ব্লকে ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর বসবাস করছেন কয়েকশ শিক্ষার্থী। ভাঙা ছাদ থেকে প্রায়ই খসে পড়ে পলেস্তারা। কোথাও কোথাও বেরিয়ে আছে রড।
জানা গেছে, এক যুগ আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটি এখনো শিক্ষার্থীদের আবাস হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সম্প্রতি ভূমিকম্পের কারণে দুর্ঘটনা আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।
ছাত্রাবাসটি ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা করার পর উল্লেখযোগ্য কোন মেরামত করা হয়নি । কিন্তু কলেজে পর্যাপ্ত আবাসন না থাকায় এই ভাঙা ভবনেই বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন ২৫০ শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী। তিন তলা বিশিষ্ট ভবনটির কোনো কোনো স্থান থেকে বড় ধরণের ফাটল আবার কোনো স্থানের করিডোর ভেঙে পড়েছে। কোনো মতে জোড়াতালি দিয়ে চলা ভবনটির কোনো স্থানে ফাটল দেখা দিলেই সাথে সাথেই কোনো বড় ধরণের সংস্কার না করেই শুধু মাত্র পলেস্তরা দিয়েই কাজ সারে কলেজ কতৃপক্ষ।
মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যপক মো: মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলে , ডিগ্রী হলে এ ব্লকের অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে ২৫০ জনের মত শিক্ষার্থী থাকে।সেখানে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্রাবাস সংস্কারের জন্য আন্দোলন করা হয়েছিলো। অনেক মাস অতিবাহিত হলেও কোনো কিছুই করা হয়নি। দ্রুত সংস্কার না হলে আবারো আন্দোলনের ঘোষনা দেয়া হবে।
বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন বলেন, শুধু ডিগ্রি হলের এ ব্লক নয় মুসলিম হলেও থাকার পরিবেশ নেই। আমরা সাধারন শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস সংস্কার, নতুন ছাত্রবাস নির্মানসহ ৫ দফা দাবীতে আন্দোলন করেছিলাম। দাবী মেনে নিয়েছিল কিন্তু কোন অগ্রগতি দেখছি না। ছাত্রাবাস সংস্কার, নতুন ছাত্রবাস নির্মানে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি না হলে সাধারন শিক্ষার্থীদের নিয়ে অচিরেই বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মোঃ তাজুল ইসলাম, মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের এ ব্লকে ঝুঁকিপূর্ন ভবনটি ভেঙ্গে নতুন করে ভবন নির্মানের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুততার সাথে আমরা কাজটি করবো।
আজ রোববার থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু । এই আদালতের চারজন বিচারক আজ থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করবেন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কম্পিউটার অপারেটর মো: শহিদুল হক। তিনি জানান, আজ থেকে বরিশালের নতুন চারটি আদালত তাদের কাজকর্ম শুরু করবে।
আদালতগুলো হল-বরিশাল মহানগর শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। এই আদালতের বিচারক হচ্ছেন জেলা ও দায়রা জজ মো:মাসুদুর রহমান। বরিশাল জেলা শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হলেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন। বরিশাল পারিবার আপিল আদালতের বিচারক রাফিয়া ইসলাম। ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল-আমিন।
পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের প্রথম বয়া থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে অভাবনীয় এক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। সমুদ্র থেকে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট ইলিশ লাফিয়ে ওঠে কয়লাবাহী লাইটার জাহাজ ‘এমভি ক্যাসেল গ্যালাডিয়েটর’-এর দুই পাশে। মুহূর্তের মধ্যে ইলিশগুলো জাহাজের ডেকে ছুটোছুটি করতে থাকে।
জাহাজে থাকা নাবিকরা জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই তারা প্রায় তিন মণ ইলিশ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। বাকি ইলিশগুলো আবার সাগরে পড়ে যায়। কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরের দিকে আসার সময় জাহাজটিতে এই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে।
ঘটনার ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও জাহাজের প্রকৌশলী রবিউল হোসেন ধারণ করেন, যা আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি জানান, এমন দৃশ্য তারা আগে কখনো দেখেননি।
ভিডিওটি ধারণের সময় ছিল বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর। জাহাজটি পায়রা বন্দর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটির দিকে যাচ্ছিল।
এই অস্বাভাবিক ঘটনার কারণ জানা না গেলেও ভিডিওটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
আপনার মতামত লিখুন
Array