খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

বাংলাদেশকে সোনার খনি মনে করা শেখ হাসিনা লোভ সামলাতে পারছে না : রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫, ৮:২২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে সোনার খনি মনে করা শেখ হাসিনা লোভ সামলাতে পারছে না : রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশকে সোনার খনি মনে করা শেখ হাসিনা লোভ সামলাতে পারছে না। এই কারণে সে প্রয়োজনে আরও রক্ত ঝরাবে, আরও চক্রান্ত করবে, আরও লাশ ফেলবে। বাহিরে পালিয়ে থাকলেও সে এসব ঘটনা ঘটাবে। রিজভী আরও বলেন, এনসিপি একটি নতুন রাজনৈতিক দল, ছাত্ররা গঠন করেছে।

তারা ঘোষণা দিয়েছে মার্চ ফর গোপালগঞ্জ। এই ঘোষণার কথা শুনে শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জে তাদের দলের লোক, যুবলীগ-ছাত্রলীগ যারা ঘাপটি মেরে আছে তাদেরকে বলেছে তোমরা সেখানে তাদেরকে যেতে দিবেনা যেকোনো মূল্যে।

যেকোনো মূল্যে মানে যারা যাবে তাদেরকে তোমরা দূনিয়া থেকে সরিয়ে দিও কোন অসুবিধা নেই। এইটা শেখ হাসিনার নির্দেশ। আর এ কারণেই তাদের (এনসিপির) নেতৃবৃন্দের ওপর ঝাপিয়ে পরা হয়েছিল। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাস্তায় নেমে আসতে হয়।

আমার বক্তব্য একটাই, আজকে গণতন্ত্রের জন্য এতো লড়াই, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল আর ছাত্র-জনতার।

কিন্তু কেন আজ বিভেদ? এককভাবে কিছু করা যায় না, সম্মিলিতভাবে আমাদের শক্তি যেটি ছিল সেটি থাকলে কোন পতিত স্বৈরাচার সরকার সাহস পেত না কিছু করার জন্য।

রিজভী বলেন, ঢাকার মিডফোর্ডের সামনে একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে করে হত্যা করা হয়েছে। সমাজে যদি খুনাখুনি হয়, কেউ কাউকে আক্রমণ করে তাহলে এর প্রতিবাদ যারা করেন, তারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে করেন।

আমরা এখানে দেখলাম প্রশাসন সরকারকে কিছু না বলে কিছু লোক বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালো। হাজার মাইল দূরে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, কুৎসা রটাচ্ছে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের ধরবে কে রাজনৈতিক দল না পুলিশ? কৈ তাদের বিরুদ্ধে কিছু না বলে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখছেন, তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন, তার মানে উদ্দেশ্য তো ভালো নয়।

খুলনায় মাহাবুব নামে বিএনপির একজনকে প্রথমে গুলি করা হলো, চাঁদপুরে মসজিদের ইমামের খুতবা নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হলো- এসব ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তো কোন স্লোগান দিলেন না, তাদের নামে তো কোন ধরনের অপপ্রচার চালালেন না।

গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের বাহিরে না হলে সেখানে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা এনসিপির লোকজনের ওপর কীভাবে আক্রমণ করে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, সুযোগ পেয়েছে হাসিনা। সে তো পাশের দেশে থাকে। হাসিনা বাংলাদেশ চায়না, সে বাংলাদেশে শান্তির চায়না, স্বস্তি চায়না, গণতন্ত্র চায়না, কথা বলার স্বাধীনতা চায়না, সে চায় রাজত্ব, যারা তার বিরোধিতা করবে তাদের রক্ত আর লাশ।

আজ শুক্রবার বিকেলে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির আয়োজনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কালোব্যাজ ধারণ ও শোকর‍্যালি অনুষ্ঠানপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিকেল সাড়ে চারটায় নগরীর সদর রোডে জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক রুহুল কবির রিজভী আরও বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আমরা একসাথে পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি।

অথচ আজ আন্দোলনকারীদের মধ্যে ঐক্যের অভাব রয়েছে। সরকারের মধ্যে থেকে কোন রাজনৈতিক দল পায়ে পাড়া দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আর এর সুযোগ নিচ্ছে শেখ হাসিনা। আমরা তাদের এধরণের কাজকর্ম থেকে বিরত থাকতে বলবো।

রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আমাদের এ শোক র‌্যালি। আবু সাঈদ, মুগ্ধদের মতো শহীদরা যারা জীবন দিয়ে দানব শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল তাদের স্মরণে আমাদের এ আয়োজন।

সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, বেগম জিয়া জীবনে শুধু গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য লড়াই করে গেছেন। একবার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ গণতন্ত্র হত্যা করেছিল, সেইখান থেকে আমাদের নেত্রী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন।

এরপর শেখ হাসিনা গণতন্ত্র হত্যা করেছে। যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের নেত্রীকে হয়রানি করা হয়েছে, নানানভাবে নিপীড়ন নির্যাতন করা হয়েছে, তাকে বন্দী করা হয়েছিল এমন কারাগারে যেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।

কারণ শেখ হাসিনা মনে করে বেগম জিয়া বাহিরে থাকা মানে তার বিপদ। গোপালগঞ্জের ঘটনায় এনসিপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা একটি দলের প্রধানকে অপমানসূচক কথা বলেছেন, কিন্তু আমরা আপনার ওপর রাগ করে বসে থাকিনি, বিএনপির পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে প্রকৃত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আপনারা পায়ে পাড়া দিয়ে নানান ধরনের কাজ কারবার করছেন। সভা শেষে বিকাল পাঁচটায় একটি শোকর‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালিতে অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় কমিটির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান সহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।র‍্যালিটি নগরীর সদর রোড হয়ে আমতলার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

কাজী বাবুল’র ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

তাঁর স্বপ্ন বেঁচে আছে কিন্তু তিনি নেই

কাজী রাসেল ।।
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫০ অপরাহ্ণ
তাঁর স্বপ্ন বেঁচে আছে কিন্তু তিনি নেই

দক্ষিণাঞ্চলের মিডিয়া জগতের অভিভাবক, সাংবাদিকদের বাতিঘর, দেশের শীর্ষ আঞ্চলিক দৈনিক আজকের বার্তা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল এর ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

২০২৪ সালের ২ মার্চ রাত ৮টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হসপিটাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বারডেম) এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুনাগ্রাহী রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৫২ সালের ২ মে বরিশালের কাশীপুর কলাডেমা সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে তাঁর জন্ম। তিনি ছাত্রাবস্থা থেকেই লেখালেখির সাথে জড়িত ছিলেন। খবর গ্রুপ পাবলিকেশনস এর বরিশালের ব্যুরো চিফ হিসেবে সাংবাদিকতায় কর্মজীবনের শুরু করেছিলেন তিনি। আধুনিক সাংবাদিকতার কারিগর কাজী বাবুল ছিলেন বরিশালের সব শ্রেনী পেশার মানুষের কাছে ভালবাসা, শ্রদ্ধা ও আস্থার প্রতীক। সততা ও সমাজ সেবায় তিনি ছিলেন অনুকরণীয়।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ কাজী নাসির উদ্দিন বাবুল দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং সাংবাদিকতার পেশাগত অবস্থান সুদৃঢ করার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে দৈনিক আজকের বার্তার প্রকাশনা শুরু করে ছিলেন। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত আঞ্চলিক রঙিন দৈনিক। তিনি ঐতিহ্যবাহী বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে ছিলেন। পরে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারনে তিনি বরিশাল প্রেসক্লাবের ১৪ বার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। একজন সাহসী সাংবাদিক হিসেবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। সাংবাদিক হিসেবে তিনি বিশ্বের বহুদেশ ভ্রমন করেছেন। লাভ করেছেন বহু সম্মাননা। কর্মজীবনে তিনি একাধিক বই লিখেছেন। যার মধ্যে ‘সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতা’ উল্লেখযোগ্য।

বর্ণাঢ্য জীবনে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন বরিশালের প্রিয় মুখ কাজী বাবুল। কঠোর শ্রম ও সূক্ষ্ম মেধার অধিকারী ছিলেন তিনি। হাজার পাতার দুর্লভ একটা উপন্যাসের মতো ছিলো তাঁর জীবন। আত্মা তাঁর দেহ ত্যাগ করলেও কর্ম তাঁকে অমরত্ব দিয়েছে। মানুষের হৃদয়ে আজও তাঁর স্মৃতি অম্লান। চিরকালই তিনি সবার প্রিয় মানুষ হয়ে থাকবেন আকাশের ধ্রুব তারার স্নিগ্ধতায়।

সাংবাদিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আন্দোলন ও বরিশালের উন্নয়নে তিনি সরব ছিলেন। মঈন-ফকরুদ্দীনের শাসন আমলে মিথ্যা মামলায় তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিলো। সাদা পোশাকে একটি সংস্থার লোকজন ঢাকার গুলশানের বাসা থেকে তাঁকে সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের সামনে থেকে আটক করে নিয়ে যায়। ঐ সময় কাজী বাবুলকে অন্ধকার টর্চার সেলে (আয়না ঘরে) রেখে নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনকারীরা বিএনপির কর্ণধার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাজানো মিথ্যা মামলার বাদী হতে বলে। তারা এসময় তাঁকে প্রথমে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রাজি করাতে চেষ্টা চালায়। পরে কাজী বাবুল তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অন্ধকার টর্চার সেলে বা আয়না ঘরে রেখে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন চালানো হয়।

অমানবিক নির্যাতনের পরও তিনি বিএনপির কর্নধার ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও সাজানো মামলার বাদী হননি। বরং তাদের কে তিনি বলেছিলেন, বাংলাদেশের আগামীর প্রধানমন্ত্রী হবেন জনাব তারেক রহমান। সেদিনের কারারুদ্ধ কাজী বাবুল আজ আর জীবিত নেই। কিন্তু তাঁর ভবিষৎবাণী আজ দিনের আলোর মতো উজ্জল এবং দৃশ্যমান বাস্তব।
সেদিন কাজী বাবুল প্রাণভয়ে কিংবা প্রলোভনে পরে তারেক রহমান এর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাজানো মামলার বাদী হননি। বরং নিজে মিথ্যা মামলায় ১৭ বছর সাজা মাথা পেতে নিয়েছিলেন। ঢাকা জেলখানায় মাসের পর মাস নির্যাতনের কারনে তাঁর দুটি কিডনীই নষ্ট হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু নিজের বিবেককে জীবিত রেখে ছিলেন আমৃত্যু।

জীবনের শেষ দিনটি পর্যন্ত যে মানুষটি তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন, আজ তিনি নেই। মৃত্যুর ২/৩ মাস আগে একদিন সকালে নাস্তা খেতে খেতে তিনি আমাদের বলেছিলেন, “আমি আর বেশি দিন নেই। মরতে তো সবাইকেই হবে। তবে শীগ্রই তারেক রহমান বীরের মতো এদেশে ফিরবেন এবং দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব নিবেন। সেই দিনটা তোমরা দেখতে পারবে। কিন্তু আমি সেদিন থাকবো না।” মহান আল্লাহ তায়ালা আমার বাবাকে জান্নাত দান করুন, আমিন।

 

বৃদ্ধের মরদেহ মিলল সন্ধ্যা নদীর পাড়ে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
বৃদ্ধের মরদেহ মিলল সন্ধ্যা নদীর পাড়ে

বরিশালের উজিরপুরে নিখোঁজের একদিন পর মোবারক হালাদার (৭৫) নামের এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মেজর জলিল সেতুর উত্তর পাশসংলগ্ন এলাকা থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে মোবারক হালাদার বাবুগঞ্জ উপজেলার বাহেরচর এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। পরে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে মেজর জলিল সেতুর উত্তর পাশের সন্ধ্যা নদীর পাড়ে স্থানীয়রা তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রাকিবুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মরদেহ থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের মধ্যদিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান প্রথমবারের মতো সচিবালয়ে তার নির্ধারিত দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন।

গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মন্ত্রিসভা ও সচিবদের প্রায় সব বৈঠকই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।