খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

এবার সত্যিই জাতিসংঘের সদস্যপদ কি হারাতে পারে ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
এবার সত্যিই জাতিসংঘের সদস্যপদ কি হারাতে পারে ইসরায়েল

২০২৫ সালের ২৪ নভেম্বর চিলির বেশ কয়েকটি নাগরিক সংগঠন জাতিসংঘ থেকে ইসরায়েলকে বহিষ্কারের দাবি তুলে একটি প্রচারাভিযান শুরু করেছে। তারা জাতিসংঘ সনদের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ উল্লেখ করে বলছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও জাতিসংঘের অনেক প্রস্তাবনা ধারাবাহিক এবং পদ্ধতিগতভাবে লঙ্ঘন করছে। গাজায় চলমান গণহত্যা ও মানবিক সংকটের পটভূমিতে এ দাবি তুলেছে তারা।

জাতিসংঘ সনদের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘জাতিসংঘের যেকোনো সদস্যরাষ্ট্র যদি ধারাবাহিকভাবে সনদের মূলনীতি লঙ্ঘন করে, তবে নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদ সেই রাষ্ট্রকে জাতিসংঘ থেকে বহিষ্কার করতে পারে।’

তবে এ ধরনের দাবি এবারই প্রথম নয়। গত সেপ্টেম্বরে কাতারে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলের বিমান হামলার পর পাকিস্তানও জাতিসংঘে দেশটির সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কার করার দাবি তোলে। পাকিস্তান বলেছে, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আন্তর্জাতিক শান্তি–নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। পাকিস্তানের জাতিসংঘ দূত সতর্ক করেন, ইসরায়েলের এ ধরনের কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বৈশ্বিক শৃঙ্খলার জন্য বিপজ্জনক।

 

একইভাবে দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেসকা আলবানিজ বহুবার ইসরায়েলের সদস্যপদ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও জাতিসংঘের স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, জাতিসংঘ সনদ লঙ্ঘন করেছে এবং বিশ্ব সংস্থাকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

জাতিসংঘ সনদের দুটি অনুচ্ছেদে সদস্যরাষ্ট্রের পদ স্থগিত বা বহিষ্কার করার বিধান রয়েছে। ৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বহিষ্কার, আর ৫ নম্বরে সদস্যপদ স্থগিত করা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে জাতিসংঘ গঠনের পর থেকে সনদের ৫ ও ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীন কোনো দেশের সদস্যপদ স্থগিত বা বহিষ্কার করা হয়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী নীতির কারণে সাধারণ পরিষদের ক্রেডেনশিয়াল কমিটি দেশটির প্রতিনিধিদলের পরিচয়পত্র বাতিলের সুপারিশ করলে তারা সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে পারেনি।

পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের বসবাস

রাসেল হোসেন:
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ
পরিত্যক্ত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের বসবাস
  •  ছাদ থেকে প্রায়ই খসে পড়ে পলেস্তারা, কোথাও বেরিয়ে আছে রড

  •  সংস্কারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বি.এম) কলেজের মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের এ ব্লকে ঝুঁকি নিয়ে বছরের পর বছর  বসবাস করছেন কয়েকশ শিক্ষার্থী।  ভাঙা ছাদ থেকে প্রায়ই খসে পড়ে পলেস্তারা। কোথাও কোথাও বেরিয়ে আছে রড।

    জানা গেছে,  এক যুগ আগে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ভবনটি এখনো শিক্ষার্থীদের আবাস হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। সম্প্রতি ভূমিকম্পের কারণে দুর্ঘটনা আশঙ্কা আরও বেড়ে গেছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

    ছাত্রাবাসটি ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা করার পর উল্লেখযোগ্য কোন মেরামত করা হয়নি  । কিন্তু কলেজে পর্যাপ্ত আবাসন না থাকায়  এই ভাঙা ভবনেই বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন ২৫০ শিক্ষার্থী  শিক্ষার্থী।  তিন তলা বিশিষ্ট ভবনটির কোনো কোনো স্থান থেকে বড় ধরণের ফাটল আবার কোনো স্থানের করিডোর ভেঙে পড়েছে।  কোনো মতে জোড়াতালি দিয়ে চলা ভবনটির কোনো স্থানে ফাটল দেখা দিলেই সাথে সাথেই কোনো বড় ধরণের সংস্কার না করেই শুধু মাত্র পলেস্তরা দিয়েই কাজ সারে কলেজ কতৃপক্ষ।

    মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের সহকারী তত্ত্বাবধায়ক সহকারী অধ্যপক মো: মো: মোস্তাফিজুর রহমান বলে , ডিগ্রী হলে এ ব্লকের  অধিকতর ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটিতে ২৫০ জনের মত শিক্ষার্থী থাকে।সেখানে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্রাবাস সংস্কারের জন্য আন্দোলন করা হয়েছিলো। অনেক মাস অতিবাহিত হলেও কোনো কিছুই করা হয়নি। দ্রুত সংস্কার না হলে আবারো আন্দোলনের ঘোষনা দেয়া হবে।

    বিএম কলেজ ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক ওয়ালিদ বিন সালাউদ্দিন বলেন, শুধু ডিগ্রি হলের  এ ব্লক নয় মুসলিম হলেও থাকার পরিবেশ নেই। আমরা সাধারন শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবাস সংস্কার, নতুন ছাত্রবাস নির্মানসহ ৫ দফা দাবীতে আন্দোলন করেছিলাম। দাবী মেনে নিয়েছিল কিন্তু কোন অগ্রগতি দেখছি না।  ছাত্রাবাস সংস্কার, নতুন ছাত্রবাস নির্মানে দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি  না হলে সাধারন শিক্ষার্থীদের নিয়ে অচিরেই বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

    কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. শেখ মোঃ তাজুল ইসলাম,  মহাত্মা অশ্বিনী কুমার ছাত্রাবাসের এ ব্লকে ঝুঁকিপূর্ন ভবনটি ভেঙ্গে নতুন করে ভবন নির্মানের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুততার সাথে আমরা কাজটি করবো।

আজ থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:০৯ অপরাহ্ণ
আজ থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু

আজ রোববার থেকে বরিশালে নতুন চারটি আদালতের কার্যক্রম শুরু । এই আদালতের চারজন বিচারক আজ থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করবেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কম্পিউটার অপারেটর মো: শহিদুল হক। তিনি জানান, আজ থেকে বরিশালের নতুন চারটি আদালত তাদের কাজকর্ম শুরু করবে।

আদালতগুলো হল-বরিশাল মহানগর শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল। এই আদালতের বিচারক হচ্ছেন জেলা ও দায়রা জজ মো:মাসুদুর রহমান। বরিশাল জেলা শিশু ধর্ষণ অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হলেন জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন। বরিশাল পারিবার আপিল আদালতের বিচারক রাফিয়া ইসলাম। ল্যান্ড সার্ভে আপীল ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ আল-আমিন।

সমুদ্র থেকে কয়লাবাহী জাহাজে শত শত ইলিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
সমুদ্র থেকে কয়লাবাহী জাহাজে শত শত ইলিশ

পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের প্রথম বয়া থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে অভাবনীয় এক ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। সমুদ্র থেকে হঠাৎ ঝাঁকে ঝাঁকে ছোট ইলিশ লাফিয়ে ওঠে কয়লাবাহী লাইটার জাহাজ ‘এমভি ক্যাসেল গ্যালাডিয়েটর’-এর দুই পাশে। মুহূর্তের মধ্যে ইলিশগুলো জাহাজের ডেকে ছুটোছুটি করতে থাকে।

জাহাজে থাকা নাবিকরা জানান, অল্প সময়ের মধ্যেই তারা প্রায় তিন মণ ইলিশ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। বাকি ইলিশগুলো আবার সাগরে পড়ে যায়। কয়লা নিয়ে পায়রা বন্দরের দিকে আসার সময় জাহাজটিতে এই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে।

ঘটনার ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও জাহাজের প্রকৌশলী রবিউল হোসেন ধারণ করেন, যা আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তিনি জানান, এমন দৃশ্য তারা আগে কখনো দেখেননি।

ভিডিওটি ধারণের সময় ছিল বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুর। জাহাজটি পায়রা বন্দর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটির দিকে যাচ্ছিল।

এই অস্বাভাবিক ঘটনার কারণ জানা না গেলেও ভিডিওটি ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।