খুঁজুন
রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ইউএনও’র অপসারণ দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

দশমিনা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ইউএনও’র অপসারণ দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় শিক্ষক দম্পত্তিকে লাঞ্ছিতর ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতিজা হাসানের প্রকাশ্যে ক্ষমা ও অপসারণের দাবিতে আজ মঙ্গলবার তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করা হয়েছে। সকাল ১০ টায় উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে মিলিত হয়।

পরে ইউএনওর বাসভবনে যাওয়ার পথ অবরোধ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এতে স্কুল কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করে এ আন্দোলনের সাথে একত্মতা প্রকাশ করেন।

জানা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউএনও ইরতিজা হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) এহসানুল হক ও তার স্ত্রী বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের সহকারী প্রিন্সপাল মাজেদা বেগমকে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা ইউএনওর অপসাণর দাবিতে আন্দলোন শুরু করেন। এই আন্দোলন আজ তৃতীয় দিনে এসে গড়াল।

এরআগে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের একটি অফিস আদেশে চিকিৎসাজনিত কারন দেখিয়ে আগামী ১৪ আগষ্ট থেকে ২০ আগষ্ট পর্যন্ত মোট ৭ দিন নৈমিত্তিক ছুটিসহ ১৩ আগষ্ট ২০২৫ খ্রি: তারিখ অপরাহ্নে কর্মস্থল ত্যাগ করার কথা বলেছেন। ওই দিনই ইউএনও ইরতিজা হাসান সন্ধ্যার পরে পুলিশ পাহারায় কর্মস্থল ত্যাগ করেন। পরদিন গত বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা তিন কার্যদিবসের মধ্যে ইউএনওর স্থায়ী অপসারণের দাবি জানিয়ে আল্টিমেটাম দেন। শিক্ষার্থীদের এ দাবি না মেনে (১৮ আগষ্ট) শিক্ষক দপ্ততিসহ ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে জেলা প্রশাসকরে কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য বলেন।

এ ঘটনায় আজ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তৃতীয় দিনের মতো ইউএনওর বাসভবনের সড়ক আটকিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। এতে বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফকরুজ্জামান বাদল, সাবেক শিক্ষার্থী আল-আমিন মোল্লা, গাজী সালাউদ্দিন, বৈসম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা তৌহিদুল ইসলাম, যুবঅধিকার পরিষদের সভাপতি কেএম নজরুল সাহিন ও ছাত্রঅধিকার পরিষদের আল-আমিন প্রমুখ।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা (১৪ আগষ্ট) বৃহস্পতিবার ইউএনও ইরতিজা হাসানের স্থায়ী অপসারণের জন্য তিনদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দাবি না মেনে জেলা প্রশাসক মহোদয় আবার ওই শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। ইউএনও ইরতিজা হাসানকে দশমিনা থেকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের এ আন্দোলন চলবে।

বর্তমানে বিভিন্ন মাধ্যমে শুনতে পেড়েছি যে, এখন নাকি ছাত্ররা আন্দোলন করেনা। আন্দোলন নাকি ভিন্ন হাতে চলে গেছে। তাদের উদ্দেশ্যে ছাত্ররা বলেন, বিগত সরকারের সময় এরকম কথা বলেছিল। তাতে কিন্তু আন্দোলন থামেনি। আমরাও ইউএনওর স্থায়ী অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আরো শক্তিশালী ভাবে আন্দোলন চালিয়ে চাবে এবং আগামীকাল সকাল ১০ টায় আবার একই স্থানে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের কর্মসূটি ঘোষনা করেন।

ভূক্তোভোগী শিক্ষক এহসানুল হক বলেন, সোমবার আমার স্ত্রী, ভাইসহ স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষককে ডিসি অফিসে ডেকেছিলেন, সেখানে গেলে এডিসি আমাদেরকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বন্ধ করারা কথা বলেন।

এবিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মাদ আরেফিন বলেন, ওই শিক্ষক ও তার প্রধান শিক্ষকের সাথে আমার মিটিং হয়েছে। শিক্ষকদের সাথে যে সমস্যা হয়েছে তা ইতিমধ্যেই মিটে গেছে এবং তা ওই শিক্ষকের ফেইসবুকে স্টাটাসও দিয়েছেন। এরপরও ছাত্রদের আন্দোলনের কোন যৌক্তিকতা নেই।

উল্লেখ্য, বাসার একটি পাইপ লাইনের পানি পরাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবার বিকেলে ইউএনও ইরতিজা হাসান দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (গণিত) এহসানুল হককে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে লাঞ্ছিত করেন। এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ওইদিন রাত দুইটার দিকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে শিক্ষক দম্পত্তিকে মীমাংসা হয়েছে মর্মে জোর পূর্বক একটি ভিডিও সাক্ষাৎকার ধারন করে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ছেরে দেন। এই বিষয়টিতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে গত বুধবাবার শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা একাত্মতা প্রকাশ করে সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং সড়ক অবরোধ করেন।

 

 

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।