খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বেতাগীতে অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

বেতাগী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
বেতাগীতে অল্প বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা

বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার টাউনব্রিজের পূর্বপাড়, বিশেষ করে সরকারি ডাকবাংলা ও বেতাগী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে সামান্য বৃষ্টিতেই সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। ফলে প্রতিনিয়তই ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয়দের।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাউনব্রিজের পূর্বপাড়ের সড়কটির এক পাশে সরকারি ডাকবাংলা এবং অপর পাশে রয়েছে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। এই সড়কটি বেতাগী পৌর শহরে প্রবেশের প্রধান পথ হলেও, ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কজুড়ে পানি জমে যায়।

পরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবই এই সমস্যার মূল কারণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার বা উন্নয়নের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি পৌরসভা প্রশাসন। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুসমান পানি জমে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতা ও সাধারণ পথচারীরা প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন।

অনেক সময় কাদায় রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে। বেতাগী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল হোসেন খান বলেন, ‘টাউনব্রিজের পূর্বপাড় এলাকায় উপজেলা প্রশাসনিক ভবন, ডাকবাংলা ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থাকলেও এ এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

ডাকবাংলা সংলগ্ন চায়ের দোকানদার শহীদ আলম বলেন, ‘ডাকবাংলার বাজারসংলগ্ন সড়কগুলোতে প্রতিনিয়ত পানি জমে থাকায় ব্যবসার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। অনেক ক্রেতা আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন, এতে আমরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছি।’

একইসঙ্গে রিকশাচালক কবির হোসেন, বিমল পরামানিক ও মোশারেফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বারবার পৌরসভার কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কোনো কার্যকর উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। বর্ষার মৌসুমে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অর্ক মন্ডল, ধ্রুব ও দেবজিৎ জানায়, জলাবদ্ধতার কারণে পুরো সড়ক রিকশা ও অটোরিকশার দখলে চলে যায়, এতে তারা হেঁটে স্কুলে যেতেও হিমশিম খান।

এ বিষয়ে বেতাগী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিন জানান, ‘ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যেই একটি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। খুব শিগগিরই কাজ শুরু হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এতে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।’

 

‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান পূর্বশর্ত হলো লেবাননে ইসরাইলের হামলা ও আগ্রাসনের পরম ও শর্তহীন অবসান। রোববার (২৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই কথা জানিয়েছেন। 

লেবাননের অখণ্ডতা রক্ষা এবং হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সমর্থন দেওয়াকে তেহরানের কৌশলগত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে লেবানন ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এর আগে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সমঝোতায় এই শর্ত থাকলেও হরমুজ প্রণালির বিরোধে তা ভেস্তে যায়। এদিকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একপেশে আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ।

লেবাননীয় সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, নির্ধারিত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধা দিয়ে ইসরাইল এখনও দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচারে ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান এই সংঘাতে লেবাননে ৪ হাজার ৩২৯ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ফের বিক্ষোভের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ভারতে। তবে গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

 

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই বৈঠক হয়।

বৈঠকের পর সিজেপি জানিয়েছে, ‘কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

সংগঠনটির দাবি, সরকার তাদের আশ্বাস দিয়েছে যে বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন (নোটিফিকেশন) জারি করা হবে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই সিজেপি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে পরে কর্মকর্তারা বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি তাদের কাছে তুলে দেন। ওই প্রজ্ঞাপনে বিক্ষোভকারীদের জন্য ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার রাত ১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্যে একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর সরকারের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকটি দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে। সেখানে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি আমাদের দেওয়া হয়েছে। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক সবাইকে মুক্তি দেওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।’

সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই ধরনের নিশ্চয়তামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রতিশ্রুতি সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, সমঝোতা অনুযায়ী ভাষাই ব্যবহার করা হবে। কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

বৈঠকের পর প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় সৌরভ দাস বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না—এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তারা প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা তাদের বলেছি, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর জবাবে তারা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে, যাতে বিক্ষোভকারীরা আইনি ঝামেলায় না পড়েন। আমরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করেছি যে আর কোন কোন রাজ্য সরকার এ ধরনের প্রজ্ঞাপন দিতে পারে, যাতে বিক্ষোভকারীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

তার দাবি, সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে মঙ্গলবারের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সব বিক্ষোভকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দলটি কাজ চালিয়ে যাবে। নিজ নিজ শহরে আন্দোলনে অংশ নেয়া একজন বিক্ষোভকারীও যেন কোনো আইনি হয়রানির শিকার না হন, আমরা তা নিশ্চিত করব। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬ সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল খেলা দেখেন মাঠে বসে।

এ সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, মীর হেলাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদের গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে, তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো, তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস প্লেয়ার বের হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের বাংলাদেশ অনেক সমস্যায় আছেÑ আমরা সেটি অস্বীকার করছি না। কিন্তু এই সমস্যার পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, বাংলাদেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে পারবো? আমরা জানি তোমাদের যে স্কুল- কলেজগুলো আছে, অনেক স্কুল হয়তো তোমাদের সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেই। অনেক স্কুলে হয়তো ফ্যান নেই। আমরা কাজ করছি। তোমাদের স্কুলগুলো যাতে ধীরে ধীরে আমরা গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু আজকে এই নতুন করে স্পোর্টস ইভেন্টে তোমাদের কাছ থেকে আমি একটি কথা নিতে চাই। আমরা এই দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। এই কাজটি আমরা তখনই করতে পারবো। যখন এই যে, তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো, আমার হাতের বাম পাশে তোমরা যারা খেলোয়াড়রা বসে আছো, যারা পুরস্কার পেয়েছোÑ তোমরা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো তাহলে আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে কে কে কাজ করবে? এমন প্রশ্ন রেখে গ্যালারিতে বসে থাকা কিশোর-কিশোরীদের জবাব জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সঙ্গে আছো তোমরা? কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও, হাত তুলো। এই সময়ে পুরো গ্যালারির হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী একসঙ্গে হাত উঁচু করলে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু খেলার সময় একইভাবে মন দিয়ে খেলতে হবে। ছোট ছোট বন্ধুরা আছো, তোমাদের সকলের কাছে আমি একটি সহযোগিতা চাই। একটি সাহায্য চাই। সেটি কি সাহায্য? এই দেশটা আমাদের সকলের দেশ, এই দেশের আলো, এই দেশের বাতাস, এই দেশের পরিবেশ আমরা সকলে মিলে যদি ঠিক রাখি তাহলে আমরা একটি সুন্দর পরিবেশে থাকতে পারবো। তুমি সুন্দর পরিবেশে বড় হতে পারবে, তুমি সুন্দর পড়ালেখা করতে পারবে।