খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের জমি চাষাবাদে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ

কলাপাড়া প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের জমি চাষাবাদে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিএনপি নেতার বাঁধায় অনাবাদি পড়ে আছে মসজিদের ১৫ একর চাষের জমি। উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের চালিতাবুনিয়া তালুকদার বাড়ী জামে মসজিদের এ জমি মৌসুমের শেষ পর্যায়েও চাষাবাদ করতে না পেরে প্রতিকার চেয়ে থানা পুলিশ কিংবা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোন ফল হয়নি। এতে বিপুল পরিমান খাদ্য উৎপাদন ব্যহত সহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এ নিয়ে কারো যেন কিছু করার নেই।

তবে অভিযুক্ত ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতির সাফ কথা, এবছরও জমি খিল থাকবে। আর পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য, জমি জায়গা সংক্রান্ত বিষয় পুলিশের এখতিয়ার বহির্ভূত, এটি আদালতের এখতিয়ারভূত বিষয়। তবে এ নিয়ে যদি কোন ফৌজদারী অপরাধ সংঘঠিত হয় সে বিষয়ে আমরা আইনী পদক্ষেপ নেবো।

সূত্র জানায়, উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর মৌজার এসএ ৩৩ নম্বর খতিয়ানের ১৫.৮০ একর জমি ২৭ নভেম্বর ১৯৫৬ রেজি:কৃত ৬৯৪২ নম্বর ওয়াকফা দলিল মূলে ইসলামিক খেদমতে অনুপ্রানিত হয়ে চালিতাবুনিয়া তালুকদার বাড়ী জামে মসজিদের বরাবর হস্তান্তর করে দেন দানবীর সফিজ উদ্দিন হাওলাদার। যা কৃষ্ণপুর-১৮ মৌজার ৪ নম্বর খতিয়ানের ৯২, ৯৩, ১৪৫, ১৪৬, ৩৬, ৭৫, ১৮৭, ১০ নম্বর দাগে ১৪.৬৩ একর জমি পক্ষে মোতওয়াল্লি হিসেবে বিএস ভুক্ত করে ভূমি প্রশাসন। এটি ওয়াকফা এষ্টেট ভুক্ত হয়েছে, ইসি নম্বর ১৬১১৭, তারিখ ২৭ নভেম্বর ১৯৫৭।

প্রায় ৭০ বছর ধরে মসজিদের এ জমির আয় থেকে ধর্মপ্রান মুসুল্লীদের জন্য মসজিদ উন্নয়নে ব্যয় হয়ে আসছিল। গত বছর এ জমির চাষাবাদ করতে গেলে ব্যপক সংঘর্ষে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। ফলে মসজিদের জমি অনাবাদি থাকে। এবছর মৌসুম শেষেও বিএনপি নেতার বাঁধায় চাষাবাদ করা যায়নি। এতে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিনের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায়।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্র জানায়, ধানখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অধীন কৃষ্ণপুর-১৮ মৌজার ৪ নম্বর খতিয়ানের ৯২, ৯৩, ১৪৫, ১৪৬, ৩৬, ৭৫, ১৮৭, ১০ নম্বর দাগে ১৪.৬৩ একর জমি চালিতাবুনিয়া তালুকদার বাড়ী জামে মসজিদ পক্ষে মোতওয়াল্লী নামে মালিকানা রয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বকেয়া সহ ৩২ হাজার ১৪০ টাকার ভূমি উন্নয়ন কর ১২ মে ২০২৫ পরিশোধ করা হয়েছে। দাখিলাটি গুগল স্ক্যান করে প্রাথমিক ভাবে মসজিদের জমি নিশ্চিত করেছে সূত্রটি।

মসজিদ কমিটির সদস্য মো. আতিকুর রহমান পিন্টু বলেন, ‘মোতওয়াল্লি কর্তৃক পরিচালিত মসজিদের জমি চাষাবাদের জন্য ইউএনও বরাবরে আবেদন করার পর চেয়ারম্যান, চম্পাপুরকে ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ইউএনও স্যার লিখে দেন। কিন্তু অদ্যাবধি কোন প্রতিকার মেলেনি।’

পিন্টু আরও বলেন, ‘জমির অবস্থান নজরুল খাঁদের বাড়ীর পাশে হওয়ায় তারা আদালতের স্মরনাপন্ন হয়েও তাদের পক্ষে রায় না পাওয়ায় পেশী শক্তির জোরে মসজিদের জমি দখলে নিতে চাষাবাদ করতে দিচ্ছে না।’

এ বিষয়ে চম্পাপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মো. নজরুল খাঁ বলেন, ‘ওই জমি আমাদের। জমি নিয়ে আদালতে মামলা আছে। আওয়ামীলীগ আমলে বাটু তালুকদার, আল-আমিন তালুকদাররা জোর করে ভোগ দখল করেছে। এখন জমির বুঝ না পাওয়া পর্যন্ত জমি খিল থাকবে।’

উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, ‘মসজিদের নামের জমি। উভয় পক্ষকে নিয়ে বসেছিলাম। নজরুল খাঁ আদালতের মামলা কিংবা জমির মালিকানা দাবী করলেও কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারে নাই। প্রাথমিক ভাবে মসজিদের মালিকানা স্পষ্ট। এ বিপুল পরিমান জমি চাষাবাদ করা দরকার। প্রয়োজনে বর্গাদার দিয়ে চাষাবাদ করার উদ্দোগ নেবো।’

কলাপাড়া থানার ওসি মো. জুযেল ইসলাম বলেন, ‘জমি জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে একটি অভিযোগ এসেছে। যা পুলিশের এখতিয়ার বহির্ভূত, এটি আদালতের এখতিয়ারভূত বিষয়। গতবছর এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে মরিচের গুড়া পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়। ফৌজদারী মামলা হয়। এবছরও যদি কোন ফৌজদারী অপরাধ সংঘঠিত হয় সে বিষয়ে আমরা আইনী পদক্ষেপ নেবো।’

কলাপাড়া ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ইয়াসীন সাদেক’র কাছে এ বিষয়ে জানতে তার ব্যবহৃত মুঠো ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

 

‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান পূর্বশর্ত হলো লেবাননে ইসরাইলের হামলা ও আগ্রাসনের পরম ও শর্তহীন অবসান। রোববার (২৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই কথা জানিয়েছেন। 

লেবাননের অখণ্ডতা রক্ষা এবং হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সমর্থন দেওয়াকে তেহরানের কৌশলগত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে লেবানন ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এর আগে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সমঝোতায় এই শর্ত থাকলেও হরমুজ প্রণালির বিরোধে তা ভেস্তে যায়। এদিকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একপেশে আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ।

লেবাননীয় সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, নির্ধারিত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধা দিয়ে ইসরাইল এখনও দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচারে ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান এই সংঘাতে লেবাননে ৪ হাজার ৩২৯ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ফের বিক্ষোভের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ভারতে। তবে গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

 

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই বৈঠক হয়।

বৈঠকের পর সিজেপি জানিয়েছে, ‘কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

সংগঠনটির দাবি, সরকার তাদের আশ্বাস দিয়েছে যে বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন (নোটিফিকেশন) জারি করা হবে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই সিজেপি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে পরে কর্মকর্তারা বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি তাদের কাছে তুলে দেন। ওই প্রজ্ঞাপনে বিক্ষোভকারীদের জন্য ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার রাত ১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্যে একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর সরকারের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকটি দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে। সেখানে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি আমাদের দেওয়া হয়েছে। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক সবাইকে মুক্তি দেওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।’

সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই ধরনের নিশ্চয়তামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রতিশ্রুতি সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, সমঝোতা অনুযায়ী ভাষাই ব্যবহার করা হবে। কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

বৈঠকের পর প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় সৌরভ দাস বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না—এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তারা প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা তাদের বলেছি, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর জবাবে তারা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে, যাতে বিক্ষোভকারীরা আইনি ঝামেলায় না পড়েন। আমরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করেছি যে আর কোন কোন রাজ্য সরকার এ ধরনের প্রজ্ঞাপন দিতে পারে, যাতে বিক্ষোভকারীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

তার দাবি, সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে মঙ্গলবারের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সব বিক্ষোভকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দলটি কাজ চালিয়ে যাবে। নিজ নিজ শহরে আন্দোলনে অংশ নেয়া একজন বিক্ষোভকারীও যেন কোনো আইনি হয়রানির শিকার না হন, আমরা তা নিশ্চিত করব। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।

শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিশুদের আগামী দিনের উপযোগী হয়ে গড়ে ওঠার জন্য তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬ সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রধানমন্ত্রী স্টেডিয়ামে বালিকাদের ফুটবল ফাইনাল খেলা দেখেন মাঠে বসে।

এ সময় ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, মীর হেলাল, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম বক্তব্য রাখেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমরা যদি আগামী দিনে নিজেদের গড়ে তুলতে পারো সঠিকভাবে, তাহলেই আমরা বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে গড়ে তুলতে পারবো। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই যে গ্যালারিতে হাজার হাজার ছোট বন্ধুরা তোমরা বসে আছো, তোমাদের মধ্যে থেকেই এই দেশের একজন ভালো ডাক্তার বের হবে, তোমাদের ভেতর থেকে এই দেশের একজন ভালো আর্কিটেক্ট বের হবে, একজন ভালো ইঞ্জিনিয়ার বের হবে, একজন ভালো ক্রিকেটার বের হবে, ভালো সুইমার বের হবে, ভালো টেনিস প্লেয়ার বের হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের বাংলাদেশ অনেক সমস্যায় আছেÑ আমরা সেটি অস্বীকার করছি না। কিন্তু এই সমস্যার পাশাপাশি আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, বাংলাদেশকে আমরা কোথায় নিয়ে যেতে পারবো? আমরা জানি তোমাদের যে স্কুল- কলেজগুলো আছে, অনেক স্কুল হয়তো তোমাদের সঠিকভাবে ব্যবস্থা নেই। অনেক স্কুলে হয়তো ফ্যান নেই। আমরা কাজ করছি। তোমাদের স্কুলগুলো যাতে ধীরে ধীরে আমরা গড়ে তুলতে পারি। কিন্তু আজকে এই নতুন করে স্পোর্টস ইভেন্টে তোমাদের কাছ থেকে আমি একটি কথা নিতে চাই। আমরা এই দেশকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার কাজ করছি। এই কাজটি আমরা তখনই করতে পারবো। যখন এই যে, তোমরা যারা গ্যালারিতে বসে আছো, আমার হাতের বাম পাশে তোমরা যারা খেলোয়াড়রা বসে আছো, যারা পুরস্কার পেয়েছোÑ তোমরা যদি নিজেদেরকে গড়ে তুলতে পারো তাহলে আমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে পারবো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে কে কে কাজ করবে? এমন প্রশ্ন রেখে গ্যালারিতে বসে থাকা কিশোর-কিশোরীদের জবাব জানতে চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার সঙ্গে আছো তোমরা? কারা বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাও, হাত তুলো। এই সময়ে পুরো গ্যালারির হাজার হাজার কিশোর-কিশোরী একসঙ্গে হাত উঁচু করলে প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়ার সময়ে মন দিয়ে পড়তে হবে। কিন্তু খেলার সময় একইভাবে মন দিয়ে খেলতে হবে। ছোট ছোট বন্ধুরা আছো, তোমাদের সকলের কাছে আমি একটি সহযোগিতা চাই। একটি সাহায্য চাই। সেটি কি সাহায্য? এই দেশটা আমাদের সকলের দেশ, এই দেশের আলো, এই দেশের বাতাস, এই দেশের পরিবেশ আমরা সকলে মিলে যদি ঠিক রাখি তাহলে আমরা একটি সুন্দর পরিবেশে থাকতে পারবো। তুমি সুন্দর পরিবেশে বড় হতে পারবে, তুমি সুন্দর পড়ালেখা করতে পারবে।