খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

বাংলাদেশকে সোনার খনি মনে করা শেখ হাসিনা লোভ সামলাতে পারছে না : রিজভী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫, ৮:২২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে সোনার খনি মনে করা শেখ হাসিনা লোভ সামলাতে পারছে না : রিজভী

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বাংলাদেশকে সোনার খনি মনে করা শেখ হাসিনা লোভ সামলাতে পারছে না। এই কারণে সে প্রয়োজনে আরও রক্ত ঝরাবে, আরও চক্রান্ত করবে, আরও লাশ ফেলবে। বাহিরে পালিয়ে থাকলেও সে এসব ঘটনা ঘটাবে। রিজভী আরও বলেন, এনসিপি একটি নতুন রাজনৈতিক দল, ছাত্ররা গঠন করেছে।

তারা ঘোষণা দিয়েছে মার্চ ফর গোপালগঞ্জ। এই ঘোষণার কথা শুনে শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জে তাদের দলের লোক, যুবলীগ-ছাত্রলীগ যারা ঘাপটি মেরে আছে তাদেরকে বলেছে তোমরা সেখানে তাদেরকে যেতে দিবেনা যেকোনো মূল্যে।

যেকোনো মূল্যে মানে যারা যাবে তাদেরকে তোমরা দূনিয়া থেকে সরিয়ে দিও কোন অসুবিধা নেই। এইটা শেখ হাসিনার নির্দেশ। আর এ কারণেই তাদের (এনসিপির) নেতৃবৃন্দের ওপর ঝাপিয়ে পরা হয়েছিল। এরপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাস্তায় নেমে আসতে হয়।

আমার বক্তব্য একটাই, আজকে গণতন্ত্রের জন্য এতো লড়াই, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল আর ছাত্র-জনতার।

কিন্তু কেন আজ বিভেদ? এককভাবে কিছু করা যায় না, সম্মিলিতভাবে আমাদের শক্তি যেটি ছিল সেটি থাকলে কোন পতিত স্বৈরাচার সরকার সাহস পেত না কিছু করার জন্য।

রিজভী বলেন, ঢাকার মিডফোর্ডের সামনে একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে। ব্যবসায়ী সোহাগকে পাথর দিয়ে আঘাত করে করে হত্যা করা হয়েছে। সমাজে যদি খুনাখুনি হয়, কেউ কাউকে আক্রমণ করে তাহলে এর প্রতিবাদ যারা করেন, তারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সরকারের বিরুদ্ধে করেন।

আমরা এখানে দেখলাম প্রশাসন সরকারকে কিছু না বলে কিছু লোক বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালালো। হাজার মাইল দূরে থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, কুৎসা রটাচ্ছে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের ধরবে কে রাজনৈতিক দল না পুলিশ? কৈ তাদের বিরুদ্ধে কিছু না বলে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখছেন, তার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন, তার মানে উদ্দেশ্য তো ভালো নয়।

খুলনায় মাহাবুব নামে বিএনপির একজনকে প্রথমে গুলি করা হলো, চাঁদপুরে মসজিদের ইমামের খুতবা নিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হলো- এসব ঘটনার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে তো কোন স্লোগান দিলেন না, তাদের নামে তো কোন ধরনের অপপ্রচার চালালেন না।

গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের বাহিরে না হলে সেখানে পতিত স্বৈরাচারের দোসররা এনসিপির লোকজনের ওপর কীভাবে আক্রমণ করে প্রশ্ন তুলে রিজভী বলেন, সুযোগ পেয়েছে হাসিনা। সে তো পাশের দেশে থাকে। হাসিনা বাংলাদেশ চায়না, সে বাংলাদেশে শান্তির চায়না, স্বস্তি চায়না, গণতন্ত্র চায়না, কথা বলার স্বাধীনতা চায়না, সে চায় রাজত্ব, যারা তার বিরোধিতা করবে তাদের রক্ত আর লাশ।

আজ শুক্রবার বিকেলে বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপির আয়োজনে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কালোব্যাজ ধারণ ও শোকর‍্যালি অনুষ্ঠানপূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

বিকেল সাড়ে চারটায় নগরীর সদর রোডে জেলা ও মহানগর বিএনপির কার্যালয় চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক রুহুল কবির রিজভী আরও বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আমরা একসাথে পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি।

অথচ আজ আন্দোলনকারীদের মধ্যে ঐক্যের অভাব রয়েছে। সরকারের মধ্যে থেকে কোন রাজনৈতিক দল পায়ে পাড়া দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আর এর সুযোগ নিচ্ছে শেখ হাসিনা। আমরা তাদের এধরণের কাজকর্ম থেকে বিরত থাকতে বলবো।

রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জুলাই আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আমাদের এ শোক র‌্যালি। আবু সাঈদ, মুগ্ধদের মতো শহীদরা যারা জীবন দিয়ে দানব শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিল তাদের স্মরণে আমাদের এ আয়োজন।

সমাবেশে রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, বেগম জিয়া জীবনে শুধু গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য লড়াই করে গেছেন। একবার হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ গণতন্ত্র হত্যা করেছিল, সেইখান থেকে আমাদের নেত্রী গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলেন।

এরপর শেখ হাসিনা গণতন্ত্র হত্যা করেছে। যার প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের নেত্রীকে হয়রানি করা হয়েছে, নানানভাবে নিপীড়ন নির্যাতন করা হয়েছে, তাকে বন্দী করা হয়েছিল এমন কারাগারে যেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল।

কারণ শেখ হাসিনা মনে করে বেগম জিয়া বাহিরে থাকা মানে তার বিপদ। গোপালগঞ্জের ঘটনায় এনসিপিকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা একটি দলের প্রধানকে অপমানসূচক কথা বলেছেন, কিন্তু আমরা আপনার ওপর রাগ করে বসে থাকিনি, বিএনপির পক্ষ থেকে নিন্দা জানানো হয়েছে।

বিএনপির পক্ষ থেকে প্রকৃত স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আপনারা পায়ে পাড়া দিয়ে নানান ধরনের কাজ কারবার করছেন। সভা শেষে বিকাল পাঁচটায় একটি শোকর‍্যালি বের করা হয়।

র‍্যালিতে অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় কমিটির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও জুলাই আগস্ট গণঅভ্যুত্থান বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান সহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।র‍্যালিটি নগরীর সদর রোড হয়ে আমতলার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।