খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

বরিশাল যুবদল: কমিটিতে জায়গা পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ

স্টাফ রিপোর্টার :
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
বরিশাল যুবদল: কমিটিতে জায়গা পাওয়া নিয়ে উদ্বেগ

আট বছর হয়ে যাচ্ছে, এখনো বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদল ভারমুক্ত হতে পারেনি। এর মধ্যে কারও বালুমহাল-কাণ্ডে পদ স্থগিত, কেউ কেউ নিষ্ক্রিয়, এমনকি শীর্ষ পদের কেউ মারাও গেছেন। ২০১৭ সাল থেকে এভাবেই চলছে যুবদল। এই পরিস্থিতিতে নতুন কমিটি দেওয়ার আলোচনায় পুরোনোরাই প্রাধান্য পাচ্ছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সংগঠনটির অনেকে বলছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, যুবদলের নেতৃত্বে যুবাদের আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠিত হয়। ওই সময় মহানগর যুবদলের সভাপতি ছিলেন আক্তারুজ্জামান শামীম এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মাসুদ হাসান মামুন। পরে শামীমকে অব্যাহতি দিয়ে মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয় মাসুদ রাঢ়ীকে। তিনিও বালুমহাল কেলেঙ্কারিতে পদ হারান। ২০২০ সালে মহানগরের সম্পাদক মামুন বহিষ্কৃত হলে মাজহারুল ইসলাম জাহানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

জানতে চাইলে নগর যুবদলের সভাপতি প্রার্থী মাসুদ হাসান মামুন বলেন, শিগগির কমিটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নেতৃত্বে কারা আসবেন, তা সিদ্ধান্তের ভার কেন্দ্রের।

অপর সভাপতি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, তিনি আগে থেকেই শুনে আসছেন, কমিটি হবে। কেন্দ্রীয় সভাপতি লন্ডনে যাচ্ছেন। হয়তো দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি সাপেক্ষে দেশে ফিরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

যুবদলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা যুবদল একীভূত করে জেলা যুবদল গঠিত হচ্ছে। যে কারণে জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেড়েছে। তবে আগে যাঁরা পদে ছিলেন, তাঁদের শীর্ষ নেতৃত্বে রেখেই নতুন কমিটি করার তোড়জোড় চলছে এ মাসেই। এই পরিস্থিতিতে নগর যুবদলের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আছেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ছাত্রনেতা অহিদুল ইসলাম রুবেল, নগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফুর রহমান মুন্না, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, রফিকুল ইসলাম জনি প্রমুখ।

সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী অহিদুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘বয়সের কারণে বি এম কলেজ এবং মহানগর ছাত্রদল থেকে বাদ পড়েছি। ২০ বছর ধরে পদবিহীন অবস্থায় দলের কর্মী হিসেবে কাজ করছি। আমরা মনে করি, যুবদলে নতুন নেতৃত্ব সৃস্টি হোক যুবদল কর্মীদের দিয়েই। শোনা যায়, বিএনপি নেতারা যুবদলে আসতে চান। এমনটা হলে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’

২০২১ সালে যুবদলের বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) শাখার সভাপতি হন পারভেজ আকন বিপ্লব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন এইচ এম তসলিম উদ্দিন। ২০২১ সালে বিপ্লব মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন মামুন রেজা খান। জানা গেছে, জেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তছলিম উদ্দিন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান এবং উত্তরের সদস্যসচিব গোলাম মোর্শেদ মাসুদ। এই প্রসঙ্গে যুবদল নেতা তছলিম উদ্দিন বলেন, কমিটি তো হওয়ার কথা ছিল। হয়তো সারা দেশের কয়েকটি ইউনিট নিয়ে একসঙ্গে কমিটি দেবে।

অপরদিকে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন জেলা যুবদলের (উত্তর) যুগ্ম আহ্বায়ক কায়সার আহমেদ, জেলা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ বাবলু এবং উত্তরের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু।

জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী কায়সার আহমেদ বলেন, ‘উত্তর ও দক্ষিণ যুবদল এক করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কেন্দ্র। যে কারণে জেলা যুবদলের নেতৃত্বে আসা আমাদের অধিকার।’ তিনি বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। যে নেতারা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সুবিধাবাদীতে ছিল, তারা যেন যুবদলের কমিটিতে না আসে। পুরোনো-নতুন মিলিয়ে কমিটি হোক। তা না হলে একচেটিয়া হয়ে দল দুর্বল হবে।’

নতুন কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের কথাবার্তা চলছে। শিগগির কমিটি প্রকাশ করবে কেন্দ্র। যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নবীন এবং পুরোনোদের সমন্বয়ে যাতে কমিটি হয়, সে বিষয়ে আহ্বান জানাবেন।

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।