খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

বরিশালে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চলছে ইলিশ নিধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
বরিশালে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চলছে ইলিশ নিধন

নিষেধাজ্ঞা দিয়েও বরিশালে থামানো যাচ্ছে না ডিমওয়ালা মা ইলিশ নিধন। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরুর চার দিনের মাথায় হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় মেঘনা নদীতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন মৌসুমি জেলেরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মা ইলিশ শিকার করছেন তাঁরা। এমনকি মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্ট গার্ডের অভিযানে হামলার মতো ঘটনাও ঘটছে।

মৎস্যজীবীরা অভিযোগ করেছেন, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, বাকেরগঞ্জ, বরিশাল সদরে মা ইলিশ রক্ষার তৎপরতার চেয়ে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অভিযানের নামে প্রদর্শনীতে ব্যস্ত হয়ে উঠছেন। এসব এলাকার কীর্তনখোলা, আড়িয়াল খাঁ, সুগন্ধা, মেঘনা, কালাবদর, গজারিয়া, তেঁতুলিয়া নদীতে এরই মধ্যে নেমে পড়েছেন শত শত জেলে। মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এক দিকে অভিযান করলে অপর দিকে ইলিশ ধরায় চলছে মহোৎসব।

ইলিশসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক মোল্লা এমদাদুল্যাহ বলেন, জাটকা ও মা ইলিশ রক্ষায় এত চেষ্টার পরও সফলতা আসছে না। ট্রলিং বোট, সাগরের মুখে জাল, বিদেশি বোট এবং বাণিজ্যিক ট্রলার নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা—এই চার কারণে ইলিশ উৎপাদন গত বছর প্রায় ৪০ হাজার টন কমে গেছে।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীতে অভিযানকারী দলের ওপরে দা, লাঠি নিয়ে হামলা করেছেন একদল জেলে। বিকেলে মেঘনার আলীগঞ্জ অংশে এ হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মাদ আলমসহ তিনজন আহত হন। এ সময় সাত জেলেকে আটক করা হয়।

হিজলা উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম জানিয়েছেন, অবৈধ জাল দিয়ে মাছ শিকারের সময় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্ট গার্ডের যৌথ উদ্যোগে অভিযান চলছে। মঙ্গলবার বিকেলে অভিযানকারী দলের ওপর দা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান জেলেরা। এতে তিনিসহ কোস্ট গার্ডের কয়েক সদস্য আহত হন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হিজলা উপজেলার মেঘনা নদীসংলগ্ন জানপুর, নাচোকাঠি, ওড়াকুল, আবুপুর, গঙ্গাপুর, আলীগঞ্জ, মেঘনার বাহেরচরে সবচেয়ে বেশি মা ইলিশ নিধন চলছে। শক্তিশালী ইঞ্জিনের ট্রলার ছুটে চলছে এসব এলাকায়। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানিয়েছেন, স্পিডবোট এবং ড্রোনের প্রদর্শনী চালিয়ে মা ইলিশ রক্ষা করা যাবে না।

হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার হেলাল উদ্দিন জানান, তাঁর ইউনিয়নসংলগ্ন মেঘনায় দিনরাত জেলেরা ইলিশ নিধন করছেন। নদীতীরের বাগানে ও বরজের মধ্যে মাছ বেচাকেনা হয়। নদীতে জাল ফেলে ওপরে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। জেলেরা তীরে অবস্থান করেন। প্রশাসনের স্পিডবোট ঘুরে গেলেও তাঁরা নদীতে জাল দেখতে পান না। চলে যাওয়ার পরই ইলিশবোঝাই জাল তোলা হয়।

এসব প্রসঙ্গে জানতে হিজলা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমকে গতকাল বুধবার বিকেলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা ধরেননি। হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

একই ঘটনা ঘটছে মেঘনা, কালাবদর, মাসকাটা, গজারিয়া নদীবেষ্টিত মেহেন্দীগঞ্জে। স্থানীয়দের তথ্যমতে, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার দড়িরচর খাজুরিয়া, জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের হাজিরহাট বাজার, লেংগুটিয়া বাজার, সিন্নিরচর বাজার, চরগোপালপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার, রাস্তার মাথা, আমিরগঞ্জ বাজার, চরএককরিয়া ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার, উত্তরচর মাছঘাট, চর ইলিশা মাছঘাট, আলীগঞ্জ বাজার, ভাসানচর ইউনিয়নের বাগোরজা ঘাট, খলিশার পাড়, উলানিয়া দক্ষিণ ইউনিয়নের কালীগঞ্জ বাজার, বুড়িরপোল বাজারে প্রকাশ্যে মা ইলিশ বিক্রি চলছে।

মেহেন্দীগঞ্জের মৎস্য কর্মকর্তা ওমর সানি জানান, জেলেদের নৌকা খালের মধ্যে থেকে এসে হামলা করে ফের খালে ঢুকে যায়। প্রশাসনের স্পিডবোট আকারে বড় হওয়ায় খালে ঢোকার সুযোগ নেই। আগামী মৌসুমে খালের মুখ বন্ধ করার প্রস্তাব করা হবে।

জাতীয় ক্ষুদ্র জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল মীর বলেন, ‘ইলিশ নিধনকারী জেলেদের পেছনে প্রভাবশালী মাছ ব্যবসায়ীরা রয়েছেন। আটকের পর জেলেদের ভ্রাম্যমাণ আদালত কারাদণ্ড দিলে জামিনের ব্যবস্থা ও জরিমানার টাকা পরিশোধ করেন প্রভাবশালীরা।’

 

মঠবাড়িয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
মঠবাড়িয়ায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ৮ বছরের শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগ
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার পৌর শহরের ৩ নং ওয়ার্ডে প্রথম শ্রেনীতে অধ্যায়নরত ৮ বছর বয়সী এক মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে অশোভন আচরণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে এক প্রাইভেট শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ফয়সাল নামে ওই প্রাইভেট শিক্ষক টিকিকাটা ওহাবিয়া বালিকা আলিম মাদ্রাসার কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত ওই অভিযোগের বিষয় হিসেবে ৮ বছর বয়সী শিশুর প্রতি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
২৭ জুলাই (সোমবার) মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ওই ছাত্রীর মা সুমি আক্তার অধ্যক্ষের অফিসে এসে লিখিত অভিযোগটি দাখিল করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়,কম্পিউটার অপারেটর ফয়সাল মিয়ার কাছে প্রাইভেট পড়ার সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিশুটির সাথে অশোভন আচরণ করা হয়েছে। এমনকি ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রাইভেট পড়ার সময় শিশুটির শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেওয়া ছিল নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।কারো কাছে যাতে কিছু না বলা হয় সেজন্য শিশুটিকে খুন জখমের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এ ব্যাপারে অভিযোগকারী সুমি আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগে উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারটি রুম্মান নামে ওই ছাত্রীর এক চাচার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথা বললে তিনি জানান,অভিযোগ আমিই দিয়েছিলাম। আবার আমি এটি প্রত্যাহার করে নিয়েছি।প্রিন্সিপল হুজুর বিষয়টি শালিসি ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাধান করে দিবেন বলে আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন।
মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মোঃ বেলায়েত হোসেন জানান, প্রথম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওই ছাত্রীর মা মাদ্রাসার অফিস কক্ষে এসে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে । মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতিকে অবগত করেছি।আলোচনা সাপেক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য রুহুল আমিন দুলালের ছেলে খালিদ সাইফুল্লাহ আমিন বাবু জানান,আমি এখন পর্যন্ত ভালোভাবে বিষয়টি অবগত না হলেও কিছুটা অবগত হয়েছি।অধ্যক্ষের সাথে কথা বলে দেখতেছি।বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ চক্রবর্তী জানান,বিষয়টি অবগত হয়েছি।এ ধরনের অপরাধ স্থানীয় পর্যায়ে শালিস ব্যবস্থার কোন বিষয় না। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ
‘লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধ না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি চুক্তি নয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান পূর্বশর্ত হলো লেবাননে ইসরাইলের হামলা ও আগ্রাসনের পরম ও শর্তহীন অবসান। রোববার (২৬ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এই কথা জানিয়েছেন। 

লেবাননের অখণ্ডতা রক্ষা এবং হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের সমর্থন দেওয়াকে তেহরানের কৌশলগত দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধ অবসানের চুক্তিতে লেবানন ইস্যুটিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

এর আগে গত জুনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের সমঝোতায় এই শর্ত থাকলেও হরমুজ প্রণালির বিরোধে তা ভেস্তে যায়। এদিকে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় হওয়া সাম্প্রতিক কাঠামোগত চুক্তিকে একপেশে আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ।

লেবাননীয় সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, নির্ধারিত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহারে বাধা দিয়ে ইসরাইল এখনও দক্ষিণ লেবাননে নির্বিচারে ধ্বংসযজ্ঞ ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান এই সংঘাতে লেবাননে ৪ হাজার ৩২৯ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
যে শর্তে আন্দোলন থেকে পিছু হটল ককরোচ জনতা পার্টি

আন্দোলন প্রত্যাহারের পরও বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানির অভিযোগে ফের বিক্ষোভের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। এতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ভারতে। তবে গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর পরিস্থিতি আপাতত শান্ত হয়েছে। বৈঠকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।

 

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার (২৭ জুলাই) গভীর রাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) এই বৈঠক হয়।

বৈঠকের পর সিজেপি জানিয়েছে, ‘কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

সংগঠনটির দাবি, সরকার তাদের আশ্বাস দিয়েছে যে বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন (নোটিফিকেশন) জারি করা হবে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই সিজেপি অভিযোগ করেছিল, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে হওয়া সমঝোতা ভঙ্গ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তারা নতুন করে আন্দোলনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল। তবে পরে কর্মকর্তারা বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি তাদের কাছে তুলে দেন। ওই প্রজ্ঞাপনে বিক্ষোভকারীদের জন্য ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার রাত ১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস জানান, সরকার আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্যে একই ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর সরকারের প্রতিনিধিরা আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকটি দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে। সেখানে বিহার ও আসাম সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনের কপি আমাদের দেওয়া হয়েছে। এতে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা এফআইআর প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া এবং আটক সবাইকে মুক্তি দেওয়ার নিশ্চয়তা রয়েছে।’

সৌরভ দাস জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিজেপি/এনডিএ-শাসিত অন্যান্য রাজ্য থেকেও একই ধরনের নিশ্চয়তামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করার প্রতিশ্রুতি সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘আশা করছি, সমঝোতা অনুযায়ী ভাষাই ব্যবহার করা হবে। কোনো বিক্ষোভকারীকে একা ফেলে রাখা হবে না। আমরা সবাই একসঙ্গে আছি।’

বৈঠকের পর প্রকাশিত এক ভিডিওবার্তায় সৌরভ দাস বলেন, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন হবে কি না—এ নিয়ে তাদের উদ্বেগের কথা তারা প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা তাদের বলেছি, সরকারের দেওয়া আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর জবাবে তারা বিহার স্বরাষ্ট্র বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেখিয়েছেন, যেখানে বলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে করা সব এফআইআর প্রত্যাহার করা হবে এবং ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।’

তিনি বলেন, অন্য রাজ্যগুলো থেকেও একই ধরনের প্রজ্ঞাপন জারি করানোর বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব পেয়েছে, যাতে বিক্ষোভকারীরা আইনি ঝামেলায় না পড়েন। আমরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করেছি যে আর কোন কোন রাজ্য সরকার এ ধরনের প্রজ্ঞাপন দিতে পারে, যাতে বিক্ষোভকারীদের কোনো ক্ষতি না হয়।

তার দাবি, সরকার আশ্বাস দিয়েছে যে মঙ্গলবারের মধ্যেই বিভিন্ন রাজ্যে তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো সমাধানে প্রয়োজনীয় প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে এবং বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। ভবিষ্যতেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, সব বিক্ষোভকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দলটি কাজ চালিয়ে যাবে। নিজ নিজ শহরে আন্দোলনে অংশ নেয়া একজন বিক্ষোভকারীও যেন কোনো আইনি হয়রানির শিকার না হন, আমরা তা নিশ্চিত করব। প্রথম দিন থেকেই আমরা তাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।