খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

পিরোজপুরে সংকটে ডকইয়ার্ড শিল্প, কর্মহীন আড়াই হাজার শ্রমিক

পিরোজপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে সংকটে ডকইয়ার্ড শিল্প, কর্মহীন আড়াই হাজার শ্রমিক

পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক সময়ের ব্যস্ততম নৌযান নির্মাণ কেন্দ্রগুলোতে এখন নীরবতা। ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০টি ডকইয়ার্ডের মধ্যে গত দুই বছরে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত ৭টি। বন্ধ হয়ে যাওয়া এই ডকগুলোর সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে হাজারো শ্রমিকের স্বপ্ন। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজার দক্ষ শ্রমিক। সংকটে রয়েছে বাকি ডকইয়ার্ডগুলোও।

‎বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ২৭ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত নেছারাবাদ উপজেলার দুই পাশে বয়ে চলেছে সন্ধ্যা নদী। নদী ঘেঁষেই গড়ে ওঠে ছারছিনা, নান্দুহার, কালীবাড়ি, বালিহারী, মাগুরাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর ডকইয়ার্ডগুলো। ৩৫ বছর আগে বরছাকাঠির আবদুল বারেক ও রুস্তম আলীর হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় এই শিল্পের। তখন থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রায় ৩০টিরও বেশি ডকইয়ার্ড। এই ডকইয়ার্ডগুলোতে বছরে তৈরি হতো প্রায় ২০০টি নৌযান। মেরামত করা হতো আরও দেড় থেকে দুই হাজার নৌযান। এখানে ৫০ লাখ থেকে শুরু করে ১০ কোটি টাকা মূল্যের জাহাজ নির্মাণ হতো, যার মধ্যে ছিল লঞ্চ, উন্নতমানের ট্রলার ও বড় আকারের কার্গো জাহাজ। ২০০ থেকে ২৫০ ফুট দীর্ঘ নৌযান নির্মাণে সময় লাগতো প্রায় ৯-১০ মাস।

‎তবে করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকেই হঠাৎ থমকে যায় এই শিল্পের চাকা। মহামারির পর থেকে নৌযান নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের দামের বৃদ্ধি এবং সড়ক ও রেলপথে পরিবহনের ওপর নির্ভরতা বাড়ার ফলে ডকইয়ার্ডগুলোর ওপর চাপ বাড়তে থাকে। এখন এই ডকইয়ার্ডগুলোতে শুধু মেরামতের কাজই সীমিতভাবে চলছে।

‎নেছারাবাদ উপজেলার ডকইয়ার্ড গুলোতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি ডকইয়ার্ডে কমপক্ষে ৫০ থেকে ১০০ জন শ্রমিকের জায়গায় কাজ করছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ জন। বিশাল আকারের জাহাজ নির্মাণের জায়গাগুলো খালি পড়ে আছে। আগের মতো লোহার শব্দ নেই। নদীর পাড়ে পড়ে থাকা জাহাজের খোলা খোলস যেন কথা বলছে একটি সম্ভাবনাময় শিল্পের জীর্ণ দশার।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা বলছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগ না থাকলে এই শিল্প পুরোপুরি বিলুপ্তির পথে যাবে। অথচ নেছারাবাদের ডকইয়ার্ড শিল্প দেশের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সম্ভাবনাময় খাত হতে পারত।

‎নুরুল হায়দার নামে এক শ্রমিক বলেন, আমি প্রায় ১৮ বছর ধরে এই কাজ করি। ডকইয়ার্ডে এখন তেমন কাজ নেই। যে মজুরি পাই তাতে আমাদের সংসারও চলে না। সরকার যদি আমাদের একটা ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে দিত যদি একটা সার্টিফিকেট এর ব্যবস্থা করত তাইলে আমরা অন্য জায়গায় গিয়েও কাজ করতে পারতাম।

‎মো. রিয়াজ নামে আরেক শ্রমিক বলেন, আগে দিনে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা রোজগার হইতো, এখন হাত গুটাইয়া বসে আছি। যদি সরকার কিছু সহযোগিতা করত, এই শিল্প আবার দাঁড়াইত। নইলে আমাদের সবাইকে না খেয়ে মরতে হবে।

‎জাহাজ মালিক কামরুল ইসলাম বলেন, মূলত এই জাহাজ ব্যবসা আগের মতো আর নেই। করোনার পরে বিদেশী জাহাজ এখন আর বাংলাদেশে আসে না। এ কারণে আমরা জাহাজের কাঁচামাল এবং পুরাতন জাহাজের মাল পাচ্ছি না। এ কারণে কাঁচামালের দামও বেশি সব মিলিয়ে আমাদের জাহাজ ব্যবসা এখন আর আগের মতো নেই। এই ব্যবসায় সরকার যদি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতো তবেই ব্যবসাটি টিকে থাকতো। ‎এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সহজ শর্তে ঋণ, কাঁচামালের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং সরকারি তদারকি থাকলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে এর মধ্যে ডকইয়ার্ড শিল্প গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। নিজস্ব উদ্যোগে এখানের কিছু মানুষ এ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর তীরে ডকইয়ার্ড শিল্প গড়ে তুলেছে। ডকইয়ার্ড শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে নিয়ে গত বছরের জুন মাসের মাঝামাঝি একটি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলাম। যাতে করে তারা এই কাজটি ভালো করে করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি গড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সার্বিক খেয়াল রাখছে।

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।