খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

পাঁচ চিকিৎসকে ধুঁকছে বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

বেতাগী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫, ৯:১০ অপরাহ্ণ
পাঁচ চিকিৎসকে ধুঁকছে বেতাগী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

বরগুনার বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক ও জনবলের তীব্র সংকটের কবলে পড়েছে। এতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে ২৮ জন চিকিৎসকের সরকারি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র ৫ জন।

২৩টি পদই শূন্য থাকায় উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ ন্যূনতম চিকিৎসাসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন। সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ক্ষেত্রে—জুনিয়র কনসালটেন্টের ১০টি পদের একটিতেও কোনো চিকিৎসক না থাকায় প্রতিষ্ঠানটি একটি নামসর্বস্ব হাসপাতালে পরিণত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, শুধু পদই শূন্য নয়, কর্মরতদের নিয়েও রয়েছে চরম অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। নথি বলছে, একজন মেডিক্যাল অফিসার ২০২৩ সালের আগস্ট মাস থেকে এবং একজন প্যাথোলজিস্ট চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে যোগদানের পর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা সত্ত্বেও তাদের দীর্ঘ অনুপস্থিতি নিয়ে কোনো কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

প্যাথোলজিস্ট না থাকায় হাসপাতালের ল্যাবরেটরিতে রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রায় বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষকে বাধ্য হয়ে ছুটতে হচ্ছে বাইরের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে, যেখানে কয়েকগুণ বেশি অর্থ গুনতে হচ্ছে তাদের।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে জরুরি সেবাও মুখ থুবড়ে পড়েছে। মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি ও শিশুসহ গুরুত্বপূর্ণ ১০টি বিশেষজ্ঞ পদই শূন্য। সার্জন না থাকায় অ্যানেস্থেটিস্ট কর্মরত থাকলেও হাসপাতালে বড় কোনো অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে প্রসূতি মা কিংবা দুর্ঘটনায় আহত মুমূর্ষু রোগীদের প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো ছাড়া আর কোনো উপায় থাকছে না।

এই সংকট শুধু চিকিৎসকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নার্স, মিডওয়াইফ এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর অর্ধেকের বেশি পদ শূন্য থাকায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাবে ওয়ার্ড ও শৌচাগারগুলোর অবস্থা শোচনীয়। নোংরা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশে রোগীদের ভোগান্তি আরও বেড়েছে। শয্যার অভাবে অনেককেই মেঝে ও বারান্দায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সর্দি-জ্বর নিয়ে হাসপাতালে আসা আব্দুল জব্বার নামের এক ভুক্তভোগী ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘বাবাকে নিয়ে সকাল ৯টায় এসেছি, দুপুর ১২টা বাজে। এখনো ডাক্তারের দেখা পাইনি। শুনলাম আজ একজন মাত্র ডাক্তার। সামান্য পরীক্ষার জন্যও বাইরে যেতে হয়। এখানে শুধু বিল্ডিংটাই আছে, সেবার কিছুই নেই।’

এ বিষয়ে হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মোবাশ্বির আহমেদ জানান, চরম জনবল সংকটের কারণে একজনকে টানা ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হচ্ছে, যা অমানবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ। দুজন নারী চিকিৎসককে এখানে নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা কর্মস্থলে যোগ দেননি। তাদের দেওয়া ফোন নম্বরও ভুল পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় হৃদরোগ বা ডেঙ্গুর মতো জটিল রোগীদের প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুও দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, ৫০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও ভবন নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ থাকায় চালু রাখা সম্ভব হয়েছে মাত্র ২৭টি শয্যা, যার ফলে রোগীদের প্রায়ই মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হয়।

এই সার্বিক অব্যবস্থাপনা নিয়ে জানতে চাইলে বেতাগী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সরাসরি কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমার হাসপাতালে ইনফরমেশন অফিসার আছেন, আপনি উনার সাথে কথা বলেন। উনার যেটা ভাষণ (বক্তব্য), আমারও সেইম ভাষণ।’ শীর্ষ কর্মকর্তার এমন কৌশলী নীরবতা প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে।

এ প্রসঙ্গে বেতাগী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) বিপুল শিকদার বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনবল সংকটের বিষয়টি আমরা অবগত আছি। শূন্য পদে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসক ও কর্মচারী নিয়োগের জন্য আমরা জেলা পর্যায়সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সীমিত জনবল নিয়েও যাতে রোগীরা সর্বোচ্চ সেবা পান, সে বিষয়টি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং দ্রুত এই সংকট নিরসনে আমরা আশাবাদী।’

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।