খুঁজুন
শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২৬, ৬ চৈত্র, ১৪৩২

পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
পটুয়াখালীতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারা বিতরণ

পটুয়াখালী জেলার বাউফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদের চত্তরে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর মধ্যে বিভিন্ন ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম। ইউএনও আমিনুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারি দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের সবার নৈতিক কর্তব্য।

আজকের শিশু শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারা যদি এখন থেকেই গাছ লাগানোর অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে ভবিষ্যতে একটি সবুজ, সুন্দর ও টেকসই সমাজ গড়ে উঠবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক অফিসার নূর নবী, উপ কৃষি কর্মকর্তা রেদোওয়ান তালুকদার জুনিয়র, বকুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মহিউদ্দীন তালুকদার সবুজ মাস্টার, সহকারী শিক্ষক জিবুন নাহার অনি, সাংবাদিক অন্তু হাওলাদার প্রমুখ।

 

ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু, পাচ্ছেন না যারা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৭ পূর্বাহ্ণ
ঈদুল ফিতরের ছুটি শুরু, পাচ্ছেন না যারা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে ঘিরে শুরু হয়েছে টানা ছুটির আমেজ। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা পাচ্ছেন টানা ৭ দিনের ছুটি। আগের দিন সোমবার ছিল শেষ কর্মদিবস আর বিকাল গড়াতেই সড়কে নেমে আসে ঘরমুখো মানুষের ঢল, শুরু হয় প্রিয়জনের কাছে ফেরার উৎসবমুখর যাত্রা। 

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ (শনিবার) দেশে উদযাপিত হতে পারে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।

এই সম্ভাব্য তারিখ ধরে আগেই ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ঈদের দিন ২১ মার্চ সাধারণ ছুটি, আর আগে-পরে নির্বাহী আদেশে যুক্ত করা হয় অতিরিক্ত ছুটি।

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত সূচির সঙ্গে ১৮ মার্চও নতুন করে ছুটি ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি মিলিয়ে টানা ৭ দিনের দীর্ঘ অবকাশ পেয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এর আগে, ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবিও উঠেছিল, যা পরে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায় এবং প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

ছুটি যারা পাবেন না 

তবে এই ছুটির আনন্দ সবার ভাগ্যে জোটেনি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জরুরি সেবা চালু রাখতে বেশ কিছু খাতের কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকছেন। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক বিভাগের কর্মীরা স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন করবেন।

স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব বিবেচনায় হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যও এই ছুটি কার্যকর হবে না। একই সঙ্গে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও দায়িত্বে থাকবেন।

জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জরুরি খাতের অফিসগুলোও চালু থাকবে। ব্যাংক খোলা রাখা বা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে, আর আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত জানাবে সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শ্রম আইন অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব দেশের গণমাধ্যমের জন্য পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে।

আন্তর্জাতিক আফগানিস্তানের হাসপাতালে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ৪০০

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক  আফগানিস্তানের হাসপাতালে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ৪০০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলায় প্রায় ৪০০ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে তালেবান সরকার। এ ছাড়া আহত হয়েছেন প্রায় ২৫০ জন। 

 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোরে তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত বলেন, স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৯টার দিকে কাবুলের একটি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা কেন্দ্রে (পুনর্বাসন হাসপাতাল) হামলা চালানো হয়। এতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অনেক মানুষ নিহত ও আহত হন।

তিনি জানান, হামলায় ২ হাজার শয্যার হাসপাতালটির বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে আফগান সরকারের এই অভিযোগ অস্বীকার করে একে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ বলছে, কাবুলের কোনো হাসপাতালকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি।

আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুউল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার নিন্দা জানিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হাসপাতাল ও বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সামরিক শাসনব্যবস্থা আবারও আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে এবং কাবুলের একটি মাদক পুনর্বাসন হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এমন কর্মকাণ্ডকে সব স্বীকৃত নীতির পরিপন্থি ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করি।’

আফগানিস্তানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম তোলো নিউজ জানিয়েছে, কাবুলের নবম পুলিশ জেলায় অবস্থিত একটি মাদকাসক্তদের চিকিৎসা কেন্দ্র লক্ষ্য করে এই বিমান হামলা চালানো হয়। এতে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনা এমন সময় ঘটেছে, যখন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে কয়েক দফা গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে তীব্র সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে পাকিস্তান পুনর্বাসন কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বলেছে, কাবুলে কোনো হাসপাতাল লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি।

পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কাবুল এবং পূর্বাঞ্চলীয় নাঙ্গারহার প্রদেশে সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ‘নির্ভুল বিমান হামলা চালিয়েছে’।

বরিশাল নগরে নতুন প্রশাসক শিরিনের যাত্রা শুরু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ
বরিশাল নগরে নতুন প্রশাসক শিরিনের যাত্রা শুরু

এইচ এম সোহেল: বরিশাল সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসকের দায়িত্ব পেলেন বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সমস্যার নগরে নতুন প্রশাসক শিরিনের যাত্রা শুরু করেছেন। সোমবার দায়িত্ব গ্রহনের পর এই যাত্রা শুরু হয়েছে। দায়িত্ব গ্রহন করেই তিনি বলেছেন, শাসক হিসেবে না জনগনের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। এই সময় তিনি কার্যত মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ করে নগরের প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। কিন্তু এই দায়িত্ব কেবল একটি পদ নয়, বরিশালের জন্য এটি যেন নতুন প্রত্যাশার দরজাও।

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান বরিশাল অডিটরিয়ামে তার দায়িত্বভার সদস্য ঘোষিত প্রশাসক শিরিনের কাছে হস্তান্তর করেন। তার আগে অডিটরিয়াম লাগোয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাকে কর্মকর্তা—কর্মচারীদের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
সমস্যার শহরের বাস্তবতা

বরিশালের নগরবাসীর মুখে সবচেয়ে বেশি যে অভিযোগ শোনা যায়, তার প্রথমেই আসে সুপেয় পানির সংকট। শহরের বহু এলাকায় এখনো নিয়মিত পানির সরবরাহ নেই। অনেক পরিবারকে নির্ভর করতে হয় গভীর নলকূপ কিংবা বিকল্প ব্যবস্থার ওপর।
বর্ধিত এলাকায় পানির সংযোগ নেই। তবুও বাড়ির প্লানের জন্য মালিকদেরকে প্রতিমাসে পানির বিল দিতে হচ্ছে। অনেক এলাকায় এখনো সাঁকো রয়েছে।

দ্বিতীয় বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বর্ষাকালে কিংবা ভারী বৃষ্টির পর শহরের বহু এলাকা দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও ভরাট হওয়া খালগুলোকেই এর জন্য দায়ী করেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। বর্ষার সময় বর্ধিত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা পানির নীচে চলে যায়। তাই রাস্তা পারাপারের জন্য তখন এলাকাবাসী নিজ খরচে বাঁশের সাঁকো তৈরী করে যাতায়াত করেন।

এই দুয়ের সঙ্গে শহরের প্রাণকেন্দ্রে যুক্ত হয়েছে যানজটের সমস্যা। নগরের প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সেই অনুযায়ী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আসেনি। অনেক এলাকায় সড়কের অবস্থা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। অনেক এলাকার ফুটপথ রয়েছে অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রনে।

পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত বর্ধনশীল এই শহরে প্রতিদিন উৎপন্ন হওয়া বিপুল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সিটি করপোরেশনের জন্য বড় পরীক্ষাই হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কোন ব্যবস্থা নেই। শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বর্জ্য ফেলার কারনে অন্তত ৫০০ পরিবার স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছেন। তাদের স্বজনরা খোঁজ রাখেন না তাদের। এমনকি সামাজিক ভাবেও তারা অনেকটা সমাজচ্যুত।

এই বাস্তবতার মাঝেই দায়িত্ব নিয়ে পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিলকিস জাহান শিরিন। দায়িত্ব গ্রহনের পর তিনি বলেন, বরিশালকে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরে রূপ দিতে ধাপে ধাপে কাজ শুরু করা হবে। তাঁর মতে, নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগই সবচেয়ে জরুরি।

শিরিন বলেন, সুপেয় পানির সংকট দূর করতে নতুন পানির উৎস খোঁজা ও বিদ্যমান সরবরাহব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জলাবদ্ধতা কমাতে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং খাল পুনরুদ্ধারের বিষয়েও কাজ করার পরিকল্পনার কথা বলেন তিনি।
যানজট কমাতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়, গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর সংস্কার এবং নগরের ভেতরে চলাচলের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন নতুন প্রশাসক। তাঁর ভাষায়, ‘বরিশালকে শুধু সুন্দর শহর নয়, বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। নাগরিক সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
ছাত্ররাজনীতি থেকে প্রশাসনের দায়িত্বে

বরিশালের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেই গড়ে উঠেছে তাঁর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবন। ছাত্রজীবনে তাঁর রাজনীতির হাতেখড়ি ঘটে ছাত্রদলের মাধ্যমে। ১৯৮৭ সালে বিএম কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। তিন বছর পর এজিএস পদেও নির্বাচিত হন।

এরপর ধীরে ধীরে ছাত্ররাজনীতি থেকে জেলা পর্যায়ের রাজনীতিতে উঠে আসেন। ১৯৯১ সালে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি এবং ১৯৯৬ সালে জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হন। পরে ২০০১ সালে তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্যও ছিলেন।