খুঁজুন
রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১ মাঘ, ১৪৩২

নৌ-অ্যাম্বুলেন্সগুলো এখন পরিত্যক্ত, বঞ্চিত ভোলার চরবাসী

ভোলা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
নৌ-অ্যাম্বুলেন্সগুলো এখন পরিত্যক্ত, বঞ্চিত ভোলার চরবাসী

দেশের উপকূলীয় জেলা ভোলা। এ জেলার চরাঞ্চলে বসবাস করেন কয়েক লক্ষাধিক মানুষ, যাদের অধিকাংশই হতদরিদ্র। চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের জরুরি প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেওয়া রয়েছে ৪টি সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্স। তবে ৪টি অ্যাম্বুলেন্সই বিকল হয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে বছরের পর বছর।

নৌ অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিকল হয়ে রোগী বহনে সক্ষমতা হারানোর পর বিভিন্ন সময় এর থেকে উধাও হয়ে গেছে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল। এতে স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগকেই দুষছেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে চিকিৎসার জন্য মুমুর্ষ রোগীদের মৃত্যু ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে করে উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিয়ে নিতে হয় স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

স্থানীয়রা জানান, চরাঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় লক্ষাধিক মানুষ আসা যাওয়ায় উত্তাল মেঘনা পাড়ি দিতে হয় ট্রলারযোগে। জরুরি মুহূর্তে চরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নিশ্চিতে আর্শীবাদ হয়ে এসেছিল নৌ অ্যাম্বুলেন্সগুলো। কিন্তু কয়েক মাস পরেই একে একে অ্যাম্বুলেন্সগুলো বিকল হয়ে আজও একই অবস্থায় রয়েছে। যা পরবর্তীতে মেরামত করতেও দেখা যায়নি।

ভোলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে, নৌ অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে ৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হলো- ৫০ শয্যা বিশিষ্ট দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা বিশিষ্ট মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

এর মধ্যে সর্বশেষ ২০১৯-২০ অর্থবছরে কমিউনিটি বেসড হেলথ কেয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা মুল্যের নৌ অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ পায় তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৌ অ্যাম্বুলেন্সটির অবস্থান খুঁজতে গিয়ে জানা যায়, বরাদ্দ পাওয়ার পর কয়েকদিন এটি চরাঞ্চলের রোগী বহন করে।

পরে একই বছরে ঘুর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অ্যাম্বুলেন্সটি বিকল হয়। একপর্যায়ে সেটিকে নদী থেকে তুলে তজুমদ্দিনের স্লুইস গেট বেড়িবাঁধের ভেতরে লঞ্চঘাট মসজিদের পাশে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। বর্তমানে সেখানেই বেশ জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। সামনের ও দুই পাশের গ্লাস ভাঙা, উধাও ইঞ্জিন।

একই অবস্থায় রয়েছে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৌ অ্যাম্বুলেন্সটিও। মেঘনা নদীর তীরে ঘাটে বাধা অবস্থায় রয়েছে, এ যেন দেখার কেউ নেই। তবে চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। ফলে ওই দুই উপজেলার নৌ অ্যাম্বুলেন্স দুটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানা যায়নি।

চরের বাসিন্দা মো. ওমর, আব্দুর রহমান, মো. জামাল ও সিরাজ বলেন, আমরা চরের বাসিন্দা। আমাদের পেশা হচ্ছে মাছধরা-কৃষি। চরে ট্রলারে করে যেতে সময় লাগে দুই থেকে আড়াই ঘন্টা। সেখানে ছোট ফার্মেসি ছাড়া চিকিৎসা নেওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও নেওয়া যায় না। অন্যদিকে সময়মত ট্রলারও পাওয়া যায় না। আমাদের দুর্দশার শেষ নেই। আমরা গরিব মানুষ তাই বাধ্য হয়েই সেখানে থাকি। সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্স আমাদের কাজে আসেনি।

নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি বন্ধ থাকায় চরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ ও দুর্দশার শেষ নেই বলে আক্ষেপ করেন তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাহাত হোসেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি আমি এখানে যোগদান করে জানতে পেরেছি কমিউনিটি বেসড হেলথ কেয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায়, তেলের বরাদ্দ ও চালকের বেতন না দিতে পারাসহ অন্যান্য কারণে এটি বন্ধ হয়ে যায়। এটি পুনরায় চালু করতে পারলে মানুষ বেশ উপকৃত হবে।

দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আনিসুর রহমান বলেন, নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি বেশ কয়েক বছর ধরে অকেজো অবস্থায় ঘাটে পড়ে আছে। এটি চালু থাকলে দৌলতখানের চরাঞ্চলের মানুষ সার্বিক সুবিধা পেত। অপারেশন প্ল্যান্ট বন্ধ থাকায় নৌ অ্যাম্বুলেন্সটির সার্বিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এক্সপার্টরা বলতে পারবেন এটি মেরামত যোগ্য কিনা।

ভোলার সিভিল সার্জন ডা. মু. মনিরুল ইসলাম বলেন, ভোলায় ৪টি সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। সেগুলোর চালক নেই, তেলের জন্য যে বরাদ্দ ছিল তাও শেষ। এসব কারণে দীর্ঘদিন ব্যবহার না করায় মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে আছে। এগুলো পুনরায় সচল করা যাবে কিনা তা নিয়ে কাজ করা হবে।

এদিকে ‘আমরা ভোলাবাসী’ কমিটির সদস্য সচিব মীর মোশাররফ অমি বলেন, জরুরি প্রয়োজনে চরাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে নতুন সরকারি নৌ অ্যাম্বুলেন্স প্রয়োজন। পাশাপাশি দরিদ্র মানুষদের সুবিধার্থে ভাড়ার ক্ষেত্রে সরকারি ভর্তুকি,পরিচালনা ও দক্ষ চালকের দাবিও জানান তিনি।

 

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।