খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪ ফাল্গুন, ১৪৩২

নিউজ নাইন

বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৩, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

আমি খুব সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে রিয়া। আজ আমার অষ্টম মঙ্গলা। মনটা আমার বেশ খুশি খুশি এটা কখনোই বলতে পারবো না। না, আপনারা যা ভাবছেন ভুল। আপনারা বলবেন বিয়েটা তো আমি নিজেই নিজের ইচ্ছেয় করেছি তাহলে আপত্তিটা কোথায়?

যেটুক খুশি আমায় দেখছেন সেটা আমি বাপের বাড়ি যাচ্ছি বলে শুধু মনটা খুশি। কিন্তু আগামী পরশু আমি আর আমার বর বাবাজীবন যাচ্ছি প্রথমবার একসাথে ঘুরতে থুড়ি মধুচন্দ্রিমা যাপনে। তাই এতো চিন্তা। আসলে অভি আমার ফোনে কথা বলছে না ঠিক মতো সেই বিয়ে দিন থেকে। অথচ ওর কথা বিয়েটা আমি করলাম।

ও হ্যাঁ ভুলেই গেছি, আপনাদের সাথে তো আমার বরের এখনো পরিচয় করাইনি। আমার বর বুবাই দা। আমাদের পরিচয় প্রায় সাত বছর হতে চলল। সেই যখন ক্লাস নাইন আমি যাচ্ছিলাম ঝড়ের বেগে সাইকেল চালিয়ে টিউশন পড়তে। তখন আমি সাইকেল চালানোতে ছেলেদেরও হার মানাই। তো সেই ঝড়ের বেগের সাইকেল এ ধাক্কা লাগলো এক শান্ত সৌম্য নিরীহ ছেলের। সেই ছেলেটিই এই আমার পতিদেব মিস্টার মানব মন্ডল। বিদেশে চাকরি করে কিছু পয়সা-করি করে আজ আমাকে বিয়ে করে জীবনে সবচেয়ে বড় কিছু পাওয়া হয়ে গেছে বলে দাবি করছে।

আজকাল বুবাই হাসতে হাসতে বলে “ধাক্কাটা সেদিন শরীরে লেগেছিল না হৃদয়ে কে জানে”। যাক গে ওর কথা বাদ দিন। তো সেই ঘটনার পর অনেক ওঠানামা আর ভুল বোঝাবুঝি ঠিক বোঝাবুঝির পর আজ আমাদের অষ্টম মঙ্গলা। সে গল্প না হয় আর এক দিন করব। ফিরে আসি আজকের দিনে। আমার অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল যে আমি অভি সাথে হানিমুন যাবো পাহাড়ে। আমার এই ‘আপাত শান্ত মনের দুরন্ত’ বর কে নিয়ে একটু ঘুরতে যাবো।

কিন্তু অভি ফোন ধরছে না কেন? ও বলেছিলো দার্জিলিং যে হোটেলটা ও বুকিং করেছে সেটা ওর বিশেষ জানাশোনা। বুবাই এর গল্পটি ওখানে শেষ করে আমি ওর সম্পত্তিতে রাজ করবো। আমি রাজি হয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু এখন মনটা মানছে না। একটা মানুষের জীবন শেষ করে দেবো, লোকটা তো আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসে।

যাক বাঁচা গেলো আজ আমার জন্মদিন। সারপ্রাইজ হিসেবে একটা দলিল উপহার দিয়েছেন বুবাই আমাকে। লাটাগুড়িতে একটা কটেজ কিনেছেন উনি আমার জন্য হানিমুনে যাবো আমরা ওখানেই। সারাদিন বেশ ভালো কাটলো কিন্তু মন খারাপ হলো বিকাল বেলায়।

আমার আর উনার মামাতো বোন অয়ন্তিকার জন্মদিন এক দিনে বিকালে একটা সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই আমার জন্য ছিলো আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আর অয়ন্তিকার এঙ্গেজমেন্ট। অথচ আমাদের বিয়েতেই ওদের আলাপ। শিল্পপতির মেয়ে বলে বোধহয় অতো তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অভি।

বাড়ি ফিরে মনটা কিছুতেই ভালো করতে পারলাম না। শুয়ে পরলাম। উনি বললেন “তোমার মোবাইলটা দেবে একটু একটা গেমস খেলবো। দিয়ে দিলাম।” কি ধরণের মানুষ এই লোকটি কে জানে! কি ধাতুর তৈরি কে জানে? আজ উনি অভি আর আমার ঝগড়াটা দেখেছেন। অভি স্পষ্ট বলেছে, আমি বুবাইকে ঠকিয়েছি তাই ও আমাকে ঠকিয়ে কোনো ভুল করেনি।

সকাল বেলায় উঠে আরো একটা সারপ্রাইজ। অভি আয়ন্তিকাও আসলো আমাদের সাথে। দিনটা ভালো কাটলো। মানে আমি চেষ্টা করলাম সব কিছু ভুলে নতুন করে শুরু করতে। অভি বোধহয় আমাকে কোনদিন ভালোবাসে নি। ও বেশ নির্লিপ্ত। অয়ন্তিকাকে খুশি করতে ব্যাস্ত। আয়ন্তিকা হঠাৎ ঠিক করলো বাইক রেসিং করবে। আমি আপত্তি করলাম ঠিকই কিন্তু বুবাই এর ওপর জোর খাটানোর অধিকার বোধহয় আমার হয়নি এখনো। তাই বেশি জোর ফলাতে চাইলাম না। তবে মনে মনে চাইলাম একটা দিনের জন্যে হিরো হোক সবার চোখে।

বরিশালে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
বরিশালে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে বরিশালের এক আদালত।

বুধবার বিকেলে এ রায়ে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিকে একই সাথে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরো দুই বছরের কারাদণ্ড দেন বলে আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান।

দণ্ডপ্রাপ্ত আনিচ সরদার গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের কাণ্ডপাশা গ্রামের কাশেম সরদারের ছেলে।

মামলার বিবরণ দিতে গিয়ে ওই আদালতের বিশেষ পিপি ফয়জুল হক ফয়েজ জানান, ২০০৭ সালের ১০ মে কাণ্ডপাশা গ্রামের এক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী যুবক আনিচ সরদার।

“এ ঘটনায় ১৩ মে গৌরনদী থানায় মামলা দায়ের করেন ধর্ষণের শিকার তরুনীর মা। ওই বছরের ২৭ অগাস্ট আনিচের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সরিকল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই মাহবুবে আলম।”

এ মামলার ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

রায় ঘোষণার সময় ওই আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বরিশালে আগুনে পুড়ল ৩ বসতঘর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ
বরিশালে আগুনে পুড়ল ৩ বসতঘর

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামে হাওলাদার বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি।

বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আরিফ জানান, ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর সড়ক সরু হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক গাড়ি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি। পুকুরের পানি ব্যবহার করে আগুন নেভানোর কারণে কিছুটা দেরি হয়। তবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, প্রথমে ওই বাড়ির মজিবুর হাওলাদারের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতার কারণে তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই আগুনে তিনটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ প্রয়োজনীয় সব মালামাল আগুনে পুড়ে নষ্ট হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুন লাগার পর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।ঘটনার পর বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো পরিদর্শন করেন এবং সরকারি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।

অবহেলিত হিজলা আর অবহেলিত থাকবে না-রাজিব আহসান

হিজলা প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
অবহেলিত হিজলা আর অবহেলিত থাকবে না-রাজিব আহসান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত (ধানের শীষ) প্রতীকের প্রার্থী রাজিব আহসান এর সমর্থনে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান  তার বক্তব্যে বলেন, আমি এমপি হলে অবহেলিত হিজলা আর অবহেলিত থাকবে না।

নানা প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে একটি পৌরসভা, উপজেলা অডিটরিয়াম, উপজেলা কমপ্লেক্স ভবন, নদী ভাঙ্গন রোধে বাঁধ নির্মাণসহ নানা প্রতিশ্রুতি। এছাড়াও সাধারন নাগরিকের সুবিধার নিশ্চিত এর লক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসনের হয়রানি থেকে মুক্ত করা হবে।

 

তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।এসময় অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন,বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক দেওয়ান মোঃ শহীদুল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অলিউদ্দিন সুমন, সহ বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ,অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এ্যাডভোকেট দেওয়ান মোঃ মনির হোসেন  সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাপ হোসেন খোকন। বিকাল তিনটা থেকেই উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন থেকে আলাদা আলাদা মিছিল এসে জনসভায় অংশগ্রহণ করেন নেতাকর্মীরা।