খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

ঝালকাঠিতে অটোরিকশা ও ভ্রাম্যমাণ বাজার, সড়কে চলা দায়

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
ঝালকাঠিতে অটোরিকশা ও ভ্রাম্যমাণ বাজার, সড়কে চলা দায়

ঝালকাঠি শহরে অটোরিকশার দৌরাত্ম্য এবং সড়কে ভ্রাম্যমাণ বাজারের কারণে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রধান সড়কগুলোতে যানজট, দুর্ঘটনার ঝুঁকি এবং চলাচলে বিঘ্ন দেখা দেয়। এতে কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী এবং সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়ছেন।

শহরের বাসস্ট্যান্ড, কলেজ মোড়, পূর্ব চাঁদকাঠি চৌরাস্তা, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সাধনার মোড়, কালীবাড়ি রোড, সদর চৌরাস্তা, কামারপট্টি, কুমারপট্টি গার্লস স্কুল রোড ও পালবাড়ী মোড়ে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে। যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামার কারণে মিনিটের পথ পাড়ি দিতে আধা ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে ঝালকাঠি পৌরসভার জনসংখ্যা ছিল ৫৪ হাজার ২৯ জন। ২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬ হাজার ১৬৮ জনে (পুরুষ ৩৭,৫২৬ ও নারী ৩৮,৬৪২ জন)। দ্রুত নগরায়ণের ফলে বর্তমানে আনুমানিক ৬৮ থেকে ৭০ হাজার মানুষ শহরে বসবাস করছেন। প্রতিদিন কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও যাত্রী মিলিয়ে অতিরিক্ত কয়েক হাজার মানুষ শহরে প্রবেশ করায় রাস্তায় তীব্র চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

পৌরসভার তথ্য অনুযায়ী, আগে ১ হাজার ১৭৫টি অটোরিকশার লাইসেন্স থাকলেও বর্তমানে বৈধ স্মার্ট লাইসেন্স রয়েছে মাত্র ৭৫০টি। কারণ একজন চালককে কিংবা গাড়ির মালিককে একটির বেশি লাইসেন্স প্রদান করা হচ্ছে না। অথচ প্রতিদিন রাস্তায় কয়েক হাজার অটোরিকশা চলছে, যার অধিকাংশই রেজিস্ট্রেশনবিহীন।

ঝালকাঠি সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত এবং সরকারি হরচন্দ্র বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মুনা আক্তার বলেন, ‘অটোরিকশার কারণে শহরের মধ্যে এতটাই যানজট হয় যে, আমরা হেঁটেও স্কুলে পৌঁছাতে পারি না। এমনকি ফুটপাতগুলোও দখল করে রাখা হয়েছে।’

বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সচালক বাচ্চু বলেন, ‘শহরের মধ্যে তীব্র যানজটের কারণে রোগী পরিবহনে আমরা বিপদে পড়ি। অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের জরুরি শব্দযন্ত্র ব্যবহার করলেও যানজটের কারণে পথ মেলে না।’

শহরের হোগলাপট্টি থেকে শীতলা খোলা মোড় এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে ফায়ার সার্ভিস মোড় পর্যন্ত প্রতিদিন মাছ, মুরগি, সবজি ও ফল বিক্রি হচ্ছে। কেউ ভ্যান গাড়িতে, কেউ মাটিতে পশরা সাজিয়ে বিক্রি করছেন। এতে গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া হোগলাপট্টি থেকে সাধনার মোড়সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুটপাত স্থায়ী দোকানগুলোও দখল করে ব্যবসা করছে, যে কারণে পথচারীরা ব্যাপক সমস্যায় পড়ছেন।

জানতে চাইলে ভ্রাম্যমাণ দোকানদারেরা বলেন, ‘আমাদের দোকান ভাড়া দিয়ে এত খরচের মধ্যে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয়। তাই রাস্তার ওপর বিকল্পভাবে কাজ করে কেবল জীবিকা নির্বাহ করছি। যদি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট একটি স্থান বা বাজারের ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে আমাদের জন্য অনেক সহজ হতো।’

অন্যদিকে স্থায়ী দোকানদারদের অভিযোগ, লাখ লাখ টাকা খরচ করে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে হয়। অথচ রাস্তার দোকানদাররা বিনা মূল্যে কম দামে পণ্য বিক্রি করে ক্রেতা টানছেন। ফলে তাঁদের ব্যবসার ক্ষতি হচ্ছে। কালীবাড়ি রোডের ওষুধ ব্যবসায়ী তূর্য বলেন, ‘যানজট এবং ভ্রাম্যমাণ বাজারের কারণে ক্রেতারা শহরে আসতে চায় না। ব্যবসা দিন দিন খারাপ হচ্ছে।’

এ বিষয়ে ঝালকাঠি ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. রহমত মিয়া বলেন, ‘অবৈধ অটোরিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যানজট কমানো সম্ভব নয়। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার শফিকুল ইসলাম বলেন, শহরে কোথাও আগুন লাগা বা দুর্ঘটনার খবর পেলে দ্রুত পৌঁছাতে হয়। কিন্তু যানজটের কারণে গাড়ি নিয়ে বের হওয়া খুব কষ্টসাধ্য। অনেক সময় সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় আগুন নিয়ন্ত্রণ বা আহতদের উদ্ধার কাজে দেরি হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষের অভিযান প্রায়ই লোকদেখানো। মাঝেমধ্যে পরিচালিত হলেও পরবর্তী সময়ে আগর মতো যানজট দেখা দেয়। এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক মো. কাওছার হোসেন বলেন, শহরের ভেতরে রাস্তার দুই পাশে দোকান বসানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিগগিরই অভিযান চালানো হবে। বর্ষাকালে গ্রামে কাজ কম থাকায় অনেকেই শহরে এসে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অটোরিকশা চালাচ্ছেন। মানবিক কারণে কিছুদিন অভিযান শিথিল করা হয়েছিল। তবে অতিরিক্ত ভিড় ও যানজটের কারণে এখন আবার অভিযান চলছে।

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।