খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে প্রতিবন্ধী যুবকের গ্রন্থাগার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে প্রতিবন্ধী যুবকের গ্রন্থাগার

ঝালকাঠি শহরের পুরোনো একটি আবাসিক এলাকা বাকলাই সড়ক। এক সময়ের শান্তিপূর্ণ এই এলাকায় এখন বিভিন্ন বয়সী মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া অনেকে নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন। নেশার টাকা সংগ্রহ করতে চুরি-ছিনতাই পর্যন্ত করছেন। এ নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। এমন পরিস্থিতির মধ্যে এক প্রতিবন্ধী যুবকের উদ্যোগে শুরু হয়েছে সমাজের অন্ধকার দূর করার ভিন্নধর্মী প্রয়াস। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন কবি সুফিয়া কামাল গ্রন্থাগার। ‎গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. মাহমুদুল হক। তিনি একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। পেশায় কম্পিউটার অপারেটর।

জানা গেছে, শৈশব থেকেই মাহমুদুল হকের নেশা বই পড়া। উচ্চশিক্ষা অর্জন না করতে পারলেও নিয়মিত পড়তেন বই। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও কাজী নজরুল ইসলামের লেখা তিনি বেশি পছন্দ করেন। তাছাড়া তিনি অন্যান্য সাহিত্যিকের লেখাও পড়েন। তার প্রিয় উপন্যাস দেবদাস। বই পড়ার নেশা তাকে অনুপ্রাণিত করেছে গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠায়। তিনি বিশ্বাস করেন- জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিলে সমাজের অন্ধকার কাটানো সম্ভব। সেই ভাবনা থেকেই ২০১০ সাল থেকে একটি লাইব্রেরি করার স্বপ্ন দেখতেন। সেই থেকে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও তিনি হাল ছাড়েননি। অবশেষে ২০১৫ সালে নিজের বাড়ির ছাদে নিজ উদ্যোগে গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু করেন। ২০১৭ সালে সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধনও পান। বর্তমানে তার গ্রন্থাগার প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে। তার কবি সুফিয়া কামাল গ্রন্থাগারে বিভিন্ন ধরনের প্রায় ১২০০ বই রয়েছে। বইগুলো মাহমুদুল সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও দানশীল ব্যাক্তিদের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন।

এই গ্রন্থাগারে প্রতিদিন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ এসে বই পড়ে, পত্রিকা পড়ে। এই পাঠাগারের আশপাশে তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার পাঠকদের এক মিলনমেলা হয় এখানে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই দুই দিন বন্ধ থাকায় উপস্থিতি বেশি হয়। তবে গ্রন্থাগারের কক্ষটি বেশ ছোট হওয়ায় মাঝেমধ্যে পাঠকদের জায়গা সংকুলান হয় না। অবকাঠামো দূর্বল হওয়ায় বৃষ্টিতে পানি পড়ে। পাঠকদের জন্য নেই ভালো বসার ব্যবস্থা। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে এই গ্রন্থাগারটি এলাকার জন্য হয়ে উঠতে পারে আদর্শিক একটি জায়গা। যেখান থেকে মানুষ জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হতে পারে।

‎ঝালকাঠি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নাইম হোসেন প্রান্ত বলেন, প্রায় প্রতিদিন বিকেলে আমি এখানে আসি। মাঝেমধ্যে উপন্যাস পড়ি, আড্ডা দিয়ে সময় না কাটিয়ে এখানে এসে বই পড়ি। এখানে আমার পাঠ্য বিষয়ের কিছু বই আছে, যা আমার পড়াশোনায় অনেক উপকারে আসে।

‎গ্রন্থাগারের একজন নিয়মিত পাঠক ও সংগঠক মো. মজিবুল হক বলেন, আগে আমাদের এলাকায় বই পড়ার জায়গা ছিল না। এখন এখানে এসে পরীক্ষার পড়ার পাশাপাশি গল্প-উপন্যাস পড়ে জ্ঞান বাড়াতে পারছি। এখানে আমরা অনেক ধরনের বই, দৈনিক পত্রিকা পড়তে পারি। চাকরি থেকে অবসরের পর মোবাইলে আসক্ত হয়ে গেছিলাম, এখন এখানে এসে এর থেকে মুক্তি মিলছে। গ্রন্থাগার উন্নয়নের জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতে আরও নতুন বই ও আসবাব যোগ করা হবে।

গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুল হক বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ। সবার মতো স্বাভাবিক কাজ করতে পারি না। লেখাপড়াও খুব বেশি দূর পর্যন্ত করতে পারিনি। কিন্তু ছোটবেলা থেকেই বই পড়তাম বইয়ের প্রতি আলাদা একটা প্রেম আছে। বইয়ের প্রতি প্রেম ও এলাকার তরুণ যুব সমাজের অবক্ষয়ের করুণ চিত্র দেখে গ্রন্থাগার করার চিন্তা মাথায় আসে। আমি গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু করার সময় তেমন কারো সহযোগিতা না পেলেও ধীরে ধীরে সরকারি-বেসরকারি অনেকের সহযোগিতায় এতটুকু আসতে পেরেছি। আমার গ্রন্থাগারে এখন আরও কিছু বই দরকার। গ্রন্থাগারের কক্ষটি আরও বড় করা দরকার। পাঠকরা এখানে এসে ভালো একটি পরিবেশে যাতে বই ও দৈনিক পত্রিকা পড়তে পারে সেজন্য চেয়ার টেবিল প্রয়োজন।

‎ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ইমরান হোসেন রবিন বলেন, গ্রন্থাগার শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনে অপরিহার্য ভূমিকা রাখে। বইয়ের প্রতি আগ্রহ বাড়লে তারা খারাপ আসক্তি থেকে দূরে থাকবে। এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। শুধু শিক্ষার্থী নয়, সাধারণ মানুষও এই গ্রন্থাগার থেকে উপকৃত হবে। যারা স্কুল–কলেজে পড়াশোনার সুযোগ পাননি, তারাও এখানে এসে বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

‎ছোট পরিসরে শুরু হলেও কবি সুফিয়া কামাল গ্রন্থাগার এখন ঝালকাঠি শহরের বাকলাই ফাঁড়ির মানুষের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে। একজন প্রতিবন্ধী তরুণের এই গ্রন্থাগার শুধু বই পড়ার জায়গা নয়, বরং মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার সম্ভাবনার পথ হয়ে উঠেছে। অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সচেতন মানুষ একবাক্যে বলছেন- এটি সমাজের জন্য সত্যিই অনুপ্রেরণার।

 

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।