খুঁজুন
সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৬ মাঘ, ১৪৩২

জামায়াতে ইসলামী আল্লাহ ছাড়া কাউকে পরোয়া করে না : মাসুদ সাঈদী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
জামায়াতে ইসলামী আল্লাহ ছাড়া কাউকে পরোয়া করে না : মাসুদ সাঈদী

পিরোজপুর-১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শহীদ আল্লামা সাঈদীর ছেলে ও সাবেক ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেছেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কাউকে পরোয়া করে না। আমরা সঠিক পথে আছি বলেই আমাদের শত্রু বেশি, সমালোচনা বেশি, থামানোর চেষ্টাও বেশি।’

‎শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়নের কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।‎ ‎মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার তসবিহ হাতে জামায়াত-শিবিরকে কটাক্ষ করত।

সব সময় তাদের পেছনে লেগেই থাকত। ঠিক একই পথে বিএনপিও হাঁটছে। এটা শুধু মালিকানার পরিবর্তন হয়েছে, তসবিহ ঠিকই আছে। বাংলাদেশের কোথাও কিছু ঘটলে জামায়াত-শিবিরের ওপর দায় চাপানো হয়।

আমরা ন্যায়ের পথে আছি বলেই আমাদের সফলতা দিন দিন বেড়েই চলছে। খুনি হাসিনা আমাদের অভিভাবকদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মেরেছে, ভাইদের গুলি করে মেরেছে, এত কিছু করেও আমাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতে ও কেউ পারবে না।’

‎তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে মৎস্য, খনিজ, বনজসম্পদ, সব থেকে বড় সম্পদ মানবসম্পদসহ সব সম্পদের অভাব না থাকলেও দুর্নীতির কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। আমাদের শুধু সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব।

আগামীতে সৎ, যোগ্য দেশপ্রেমিক কোরআনপ্রেমী নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’

‎ডাকসু নির্বাচনকে উল্লেখ করে বলেন, ১০৪ বছরের ইতিহাসে ২৮টি পদের মধ্যে ২৩টি পদে ছাত্রশিবিরের যোগ্য নেতৃবৃন্দ বিজয় ছিনিয়ে ইতিহাস রচনা করেছে। এটা তাদের আদর্শ, সততা, আচার-আচরণের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে। আমাদের ঈমান মজবুত আছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মন তারা জয় করতে পেরেছে।

‎তিনি আগামী নির্বাচনকে উল্লেখ করে বলেন, পিরোজপুর-১, ২ ও ৩ এই তিনটি আসন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বিপুল ভোটে বিজয় ছিনিয়ে আনবে। আগামী সংসদ নির্বাচন আগামী মাসে হবে এটা মনে করে সবা্ইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের বিজয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কেউ ঘরে ফিরবেন না, কেউ আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নিতে পারবে না।‎

‎তিনি পিআর পদ্ধতি উল্লেখ করে বলেন, ‘১৯৭১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের যতগুলো নির্বাচন হয়েছে এবং সেসব নির্বাচনে যারা বিজয়ী হয়েছেন তা পর্যালোচনা করে দেখা যায় তারা ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, বাকি ৬৫ ভাগ ভোটারদের কোনো মতামতের প্রয়োজন ছিল না। ৩৫ ভাগ ভোট পেয়ে সংসদে বসে আইন পরিবর্তন করে নতুন আইন গঠন করে দেশ চালিয়েছেন। আমরা সব জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দেশ চালাতে চাই বলে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চাই। তারা চায় না বলে পিআর পদ্ধতিকে ভয় পায়।’

‎কর্মিসভায় শেখমাঠিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপ‌তি হা‌ফেজ আব্দুর রহমান সভাপতিত্বে এবং সে‌ক্রেটারি মাওলানা জা‌কির হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাসুদ সাঈদী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মজ‌লি‌সুল মুফাস‌সি‌রিন বিভা‌গের সভাপ‌তি অধ‌্যাপক আমিনুল ইসলম, জেলা সাংস্কৃ‌তি সম্পদক অধ‌্যাপক জু‌য়েল মাহামুদ, উপ‌জেলা জামায়া‌তের আমির মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, সে‌ক্রেটারী সাবেক সেনাকর্মকর্তা কাজী মোসলেহ্ উদ্দিন কাজীসহ জামায়াতে ইসলামীর জেলা উপজেলা অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

‘নির্বাচনে অনিয়ম করে কেউ পার পাবে না’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
‘নির্বাচনে অনিয়ম করে কেউ পার পাবে না’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, প্রশাসনের একপাক্ষিক আচরণের যে অভিযোগ প্রার্থীরা করছেন তা রাজনৈতিক, তারা ভোটার টানতে এমন বক্তব্য দিচ্ছেন।

 

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আয়োজিত বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা মিটিং শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। যার যার বক্তব্য সে সে দেবে। পলিটিক্যাল বক্তব্য একেকজন একেকভাবে দেবে।

এ সময় তিনি নির্বাচনে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে ১ লাখ সেনাবাহিনী, দেড়লাখ পুলিশ, ৫ হাজার নেভি, ৩৭ হাজার বিজিবি ১০ হাজার র‌্যাব, ৫ হাজার কোস্টগার্ড ও প্রায় ৬ লাখ আনসার মোতায়েন করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড এবং নেভির সংখ্যা আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সে লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।

এবার নির্বাচনে বিএনসিসিও নিয়োগ করা হচ্ছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এবার বডি ক্যামেরা রাখা হয়েছে, অপরাধ করে কেউ পাড় পাবে না। সিসি ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া, সুরক্ষা অ্যাপের সহায়তায় এর আগে পূজা শান্তিপূর্ণ হয়েছে, ইলেকশনও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় পুলিশের আইজি বাহারুল আলম, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক, বিভাগীয় কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমানসহ বিভাগের ছয় জেলার সরকারি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আইনের কঠোর প্রয়োগ হওয়া দরকার: প্রেস সচিব

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
আইনের কঠোর প্রয়োগ হওয়া দরকার: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে অসংখ্য অপতথ্য মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনের কঠোর প্রয়োগ হওয়া দরকার। মিথ্যা খবর প্রচারের ফলে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আইনি ব্যবস্থার সুযোগ থাকা উচিত।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা ইনটারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস সচিব জানান, নানামুখী অপতথ্য মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা সীমিত। তবুও অন্তর্বর্তী সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ভারতীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশকে নিয়ে নিয়মিত মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। বিভিন্নজন নামে-বেনামে ইউটিউব চ্যানেল খুলেও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ তার।

ঝালকাঠির দু’টি আসনেই ধানের শীষের আধিপত্য, প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখার সাথে

রাসেল হোসেন:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
ঝালকাঠির দু’টি আসনেই ধানের শীষের আধিপত্য, প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখার সাথে

বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ঝালকাঠির দুইটি আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীরা এগিয়ে থাকছেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দাঁড়িপাল্লা ও হাতপাখার সাথে। জানা গেছে, ঝালকাঠি-১ ও ঝালকাঠি-২ উভয় আসন বিএনপির ভোটব্যাংক বলে পরিচিত। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় আর জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন জোট ভেঙ্গে যাওয়ায় সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বিএনপির প্রার্থীরা।

জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের জোট থাকলে বিএনপির প্রার্থীরা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তেন। ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা হবে জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লায় প্রার্থী ড.ফয়জুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখায় প্রার্থী মাওলানা ইব্রাহিম আল হাদির ।

এছাড়া এ আসনে মোরগ মার্কায় স্বতন্ত্র প্রার্থি মো. সাব্বির আহমেদ, তারা মার্কায় জেএসডির মোঃ সোহরাব হোসেন, কলম প্রতীকে জনতার দলের মোঃ জসিম উদ্দিন তালুকদার, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মোঃ কামরুজ্জামান খান, হাস প্রতীকে স্বতন্ত্রে এম মঈন আলম ফিরোজী, গণ অধিকার পরিষদের মোঃ শাহাদাত হোসেন প্রতীকে এবং জাতীয় পার্টি জেপি থেকে মোঃ রুবেল হাওলাদার বাইসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন।

ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপির মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টোর সাথে প্রতিদ্বন্দিতা হবে জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লায় প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিম ও ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখায় প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম সিরাজীর সাথে। এছাড়া এ আসনে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ফোরকান হোসেন আম, জেএসডির মাসুদ পারভেজ তারা, গণঅধিকার পরিষদের মাহমুদুল ইসলাম সাগর ট্রাক এবং স্বতন্ত্র থেকে মোঃ নুরউদ্দিন সরদার কলস ও সৈয়দ রাজ্জাক আলী মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থীদের বিষয়ে ঝালকাঠি জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান বলেন, “আগের মত অবস্থা নেই।

নতুন বাংলাদেশে মানুষ নতুন করে ভাবে। মানুষ পরিবর্তন চায়। এবার আমরা দুটি আসনেই জয়ী হব বলে আশা রাখছি।” ঝালকাঠি-১ আসনে বিএনপির মনোনিত ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, “ঝালকাঠি বিএনপির দুর্গ। এখানে ধানের শীষের জোয়ার বইছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে কে সাধারন মানুষ ভোট দিবে না। ধানের শীষ বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে ইংশা আল্লাহ।”