খুঁজুন
শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

‘জাটকার দামও মোগো সামর্থ্যের বাইরে’

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ৭:১১ অপরাহ্ণ
‘জাটকার দামও মোগো সামর্থ্যের বাইরে’

বরগুনা প্রতিনিধি : ‘ছোট মাইয়াডা অনেক দিন ধইরা ইলিশ মাছ কেনতে কয়, প্রেত্যেক দিন সহাল-বিহাল বাজারে যাই, ঘুরেফিরে ইলিশ দেইখ্যা চইল্লা আই। যে দাম চায়, হেই টাহা দিয়া মোগো পক্ষে এক দিন ইলিশ খাওয়া সম্ভব না। বড় ইলিশ না হোক, একটা ছোট জাটকা মাইয়াডারে খাওয়ামু, কিন্তু হেই জাটকার দামও মোগো সামর্থ্যের বাইরে। যে টাহা আয় হরি, হ্যা দিয়া ইলিশ কেনলে চাউল জোটবে না।’ ইলিশ নিয়ে এমন আক্ষেপ করে এসব কথা বলেন বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী গ্রামের দিনমজুর লিটন দাস।

চলতি ইলিশের মৌসুমে বরগুনার বিভিন্ন হাটবাজারে মিলছে না পর্যাপ্ত ইলিশ। বাজারগুলোতে যে ইলিশ পাওয়া যায়, তারও দাম আকাশচুম্বী। ফলে ইলিশ ভাজার তেল দিয়ে গরম ভাত মেখে খাওয়া সাধারণ মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্তদের কাছে এখন স্বপ্নের মতো হয়ে গেছে।

বরগুনা সদরের মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে ইলিশের সংখ্যা খুবই কম। দুই থেকে তিনজন ডালায় কয়েকটি মাছ নিয়ে বসে রয়েছে। তবে বাজারগুলোতে সামুদ্রিক ইলিশ নেই। যে ইলিশ পাওয়া গেছে, সেগুলো পায়রা ও বিষখালী নদীর। দাম জানতে চাইলে বিক্রেতা খলিল মিয়া জানান, ১ কেজি ২০০ থেকে ৩০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে। ১ কেজি ১০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩০০ টাকা, ১ কেজির ইলিশ ২২০০ ও ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার টাকা, ৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হয় ১ হাজার ৮০০ টাকায়। এদিকে চারটিতে এক কেজি ওজনের জাটকা ইলিশ বরগুনার বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১১০০ টাকা দরে।

এদিকে চলতি ইলিশের ভরা মৌসুমেও বরগুনার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর নদীতে জেলেদের জালে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ ধরা না পড়ায় হতাশ জেলেরা। পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন জেলেরা।

বরগুনার বামনা উপজেলার বিষখালী নদীর জেলে বরুন দাস বলেন, এ বছর ৫০ হাজার টাকা একজন মহাজনের কাছ থেকে দাদন নিয়েছি। নদীতে জাল ফেলে দু-একটি মাছ পেলেও ওই দাদনের টাকা শোধ করে নিজের জন্য কিছুই থাকে না। উপায় না পেয়ে এ বছর আবার এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সংসার চালাচ্ছি। এ বছর ইলিশ ধরা না পড়লে হয়তো ভিটেমাটি বিক্রি করে দেনা শোধ করতে হবে।

ভরা মৌসুমে বরগুনার নদ-নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ না পাওয়ায় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাগর মোহনায় শিল্পায়ন সৃষ্টি করা, নদীগুলোর প্রবেশপথ ভরাট হওয়ায় এবং নদীর মোহনায় অসংখ্য ট্রলারে জাল ফেলার কারণে বঙ্গোপসাগর থেকে মা ইলিশ নদীতে প্রবেশ করতে বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে ইলিশ অন্যত্র চলে যাচ্ছে। এ ছাড়া নদ-নদীতে নির্বিচারে ইলিশের পোনা নিধন করে চাপিলা বলে বিক্রি করার কারণে নদীর ইলিশ ধ্বংস হচ্ছে।

জেলেরা বলেন, নদীতে ইলিশের প্রবেশপথে ও সাগরমোহনার ডুবোচরে অসাধু জেলেরা বেহুন্দি, চরঘেরা, পিটানো, খরছি, জাম খরছি নামের অবৈধ জাল পাতছেন। এসব জাল অনেকটা বেড়ার মতো। পাথরঘাটা উপজেলার সাগরগামী জেলে মকবুল মাঝি (৪৫) বলেন, সাগর মোহনার যেসব চ্যানেল বা লোঙ্গা দিয়ে ইলিশ নদীতে ওঠে, সেসব লোঙ্গায় জাম খরচি নামের অবৈধ জাল পেতে রাখেন প্রভাবশালী জেলেরা। এসব জালে ইলিশ বাধা পেয়ে আবার সাগরে ফেরত যায়। আর এসব অবৈধ জাল যেখানে পাতা হয়, সেখানে কিছুদিনের মধ্যেই চর পড়ে যায়।

শুধু এ কারণই নয়, কেন মিলছে না নদীর ইলিশ জানতে কথা হয় বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ইলিশের এই সংকটের জন্য দায়ী অবাধে জাটকা শিকার। তিনি আরও বলেন ‘বাজারে চাপিলা নামে যে মাছটি বিক্রি হয়, সেটি আসলে ছোট ইলিশ। সরকার ও মৎস্য বিভাগ জাটকা নিধন প্রতিরোধে কাজ করলেও চাপিলা নামে যে লাখ লাখ টন ইলিশের বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে, সেদিকে কোনো নজর নেই। বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় টনকে টন চাপিলা বেচাকেনা হয় প্রতিদিন। চাপিলা বাঁচানো না গেলে বাঁচবে না নদীর ইলিশ।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মহসীন বলেন, সমুদ্রে ইলিশ আছে, তবে বর্তমানে জেলেরা ইলিশ কম পাচ্ছেন। কম বৃষ্টি হওয়ায় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় নদীতে ইলিশ আসেনি। এখন যে পরিমাণ বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে তাপমাত্রা সহনীয় পর্যায়ে চলে আসছে। আশা করা যায়, সামনের সময়ে ইলিশ উপকূলীয় নদীতে ধরা পড়বে।

 

 

 

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।