খুঁজুন
রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২৯ চৈত্র, ১৪৩২

আসন্ন বিপিএলের আসরে যুক্ত হচ্ছে নতুন দুই ভেন্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ
আসন্ন বিপিএলের আসরে যুক্ত হচ্ছে নতুন দুই ভেন্যু

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের গত ১০ আসরে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং সিলেটের তিনটি ভেন্যুতে খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে আসন্ন আসরে এই ৩ ভেন্যুর বাইরে আরও দুটি ভেন্যুতে খেলা আয়োজনের পরিকল্পনা করছেন সংশ্লিষ্টরা। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উত্তরবঙ্গ থেকে রাজশাহী স্টেডিয়াম এবং দক্ষিণবঙ্গ থেকে বরিশাল ও খুলনা স্টেডিয়ামকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

রোববার (১০ আগস্ট) রাজশাহীতে একটি প্রীতি ম্যাচের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এসব কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়াঁ।

তিনি বলেন, ‘তিনটা স্টেডিয়ামে এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক এবং বিপিএলসহ ম্যাচগুলো হয়ে থাকে। এটাকে আমরা একটু বিকেন্দ্রীকরণ করার জন্য ইতোমধ্যেই উত্তরবঙ্গের দিকে রাজশাহী স্টেডিয়াম এবং দক্ষিণবঙ্গের দিকে বরিশাল বা খুলনা স্টেডিয়ামে সামনের বছর থেকে বিপিএল আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছি।’

বিসিবির নতুন সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল যোগদানের পর থেকেই দেশের ক্রিকেটে বিকেন্দ্রীকরণ ধারণা জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। আসন্ন এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে খেলা না রেখে রাজশাহী ও বগুড়াকে বেছে নেয়া হয়েছে। বিপিএলের ভেন্যুতেও আসতে পারে নতুন সংযোজন। গত মাসে এক সংবাদ সম্মেলনে বিপিএলে অন্তত একটি ভেন্যু বাড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম।

রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা এবং বরিশাল এই চারটি ভেন্যুই আপাতত বিসিবির বিবেচনায় আছে। এই চারটির মধ্যে খুলনা এবং বগুড়ায় ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহীতে বয়সভিত্তিক এবং ঘরোয়া পর্যায়ের অনেক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। স্পোর্টিং পিচের জন্য এই মাঠের বেশ সুনামও রয়েছে। বরিশালের স্টেডিয়ামে অবশ্য খেলা হয় না অনেকদিন ধরেই।

তবে আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট জন্য সবগুলো স্টেডিয়ামেরই ভালোভাবে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। বগুড়ার স্টেডিয়ামে শেষবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে ১৮ বছর আগে। সর্বশেষ এক দশকে এখানে তেমন খেলাই হয়নি। তাই আন্তর্জাতিক মানের করে স্টেডিয়ামটিকে প্রস্তুত করতে হবে। বিসিবির পক্ষ থেকে এখানে পিচ পরিদর্শনে লোক পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুতই বগুড়ায় ম্যাচ আয়োজনে আশাবাদী তারা। খুলনা স্টেডিয়ামেরও একই হাল। গত ৮ বছর ধরে এই স্টেডিয়ামে কোনো ম্যাচ হয় না। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটারও বেহাল দশা। আন্তর্জাতিক ম্যাচ ফেরার আগে তৈরি করতে হবে সেই মানের করে।

বরিশাল স্টেডিয়াম অবশ্য সংস্কারের কাজ চলছে পুরোদমে। দর্শকপ্রিয়তার বিবেচনায় এখানেও আসতে পারে বিপিএল। এদিকে, বাংলাদেশ হাই-পারফরম্যান্স দলের সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পিচ এবং দর্শকপ্রিয়তা দিয়ে নজর কেড়েছে রাজশাহী স্টেডিয়াম। সুযোগ-সুবিধার দিক থেকেও রাজশাহী শহরের এই স্টেডিয়াম এগিয়ে থাকবে। এখন দেখার বিষয় কোন দুটি স্টেডিয়াম যুক্ত হচ্ছে আগামী বিপিএলে।

সাংবাদিকতায় ৫০ বছর পূর্ণ করা বরিশাল প্রেসক্লাবের পাঁচ সদস্যকে সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিকতায় ৫০ বছর পূর্ণ করা বরিশাল প্রেসক্লাবের পাঁচ সদস্যকে সংবর্ধনা

উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা ও আনন্দ ভ্রমণ। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে ১০ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত দুইদিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের সাধারণ সভা এবং আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে নুতনত্ব ছিল সাংবাদিকতায় পঞ্চাশ বছরপূর্ণ করা বরিশাল প্রেসক্লাবের পাঁচজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। প্রথম বারের মতো এমন আয়োজন এবং শেষ বয়সে এমন সম্মাননা পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা।

এর আগে শুক্রবার বিকেল ৪টায় কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে হোটেল রয়েল হেরিটেজে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২৫। ক্লাব সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরুর সভাপতিত্বে সভায় সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন।

এরপর উম্মুক্ত আলোচনা শেষে বরিশালে সাংবাদিকতায় ৫০ বছর পার করা বরিশাল প্রেসক্লাবের পাঁচজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয় ক্লাবের পক্ষ থেকে। যাঁরা পদক পেয়েছেন তাঁরা হলেন- জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল, অরূপ তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা নূরুল আলম ফরিদ, তপংকর চক্রবর্তী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অ্যাডভোকেট তপন চক্রবর্তী।

বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম খসরু, সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুরাদ আহমেদ, সাবেক সভাপতি ও আনন্দ ভ্রমণ বাস্তবায়ন উপ-পরিষদের আহবায়ক কাজী আল মামুন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মিরাজ মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য কমলসেন গুপ্ত, সিনিয়র সদস্য আখতার ফারুক শাহীন ও ক্রীড়া সম্পাদক খান রুবেল।

জীবনের শেষ বয়সে এসে সাংবাদিকতার স্বীকৃতি এবং সম্মান পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মহান এই পেশায় ৫০ বছর উৎসর্গ করা সিনিয়র সাংবাদিকরা। তারা ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আয়োজকদের প্রতি। ভবিষ্যতেও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের এমন সম্মাননা প্রদানের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে ঘোষণা দেন প্রেসক্লাব সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

এদিকে সাধারণ সভা শেষে রাতে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‌্যাফেল ড্র’ এবং হাউজি খেলা। প্রেসক্লাব সদস্যদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে ওঠে আরও প্রানবন্ত। এছাড়াও হাসি-ঠাট্টা এবং গল্প আড্ডায় মেতে ওঠেন সাংবাদিকরা।

বরিশালের ফুটপাত রাস্তা ও পার্ক থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নগর ভবনের নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বরিশালের ফুটপাত রাস্তা ও পার্ক থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নগর ভবনের নোটিশ

 বরিশাল মহানগরীর অনেক রাস্তা ও ফুটপাত সহ পার্ক এবং শ্রান্তি বিনোদনের স্থানগুলো ক্রমশ অবৈধ দখলে চলে যাবার মধ্যে নবনিযুক্ত প্রশাসক তা উদ্ধারে তৎপড় হলেও কতটা সফলকাম হতে পারবেন সে বিষয়ে নগরবাসী সময়ের অপেক্ষা করছেন। আগামী ১০ এপ্রিলের মধ্যে নগরীর ফুটপাত, রাস্তা এবং বিভিন্ন পার্ক সহ শ্রান্তি বিনোদণের স্থানগুলো থেকে সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ সম্বলিত মাইকিং চলছে নগর ভবনের পক্ষ থেকে। তবে ৮ এপ্রিল সন্ধ্যা পর্যন্ত কোন অবৈধ দখলদার সরকারি জায়গা ছেড়ে দেয়নি।

অপরদিকে নগরীর বেলপার্ক সহ বিভিন্ন পার্ক ও শ্রান্তি বিনোদনের স্থানগুলোতে বিদায়ি নগর প্রশাসক রায়হান কাওসারের সময় থেকে দৈনিক ভাড়ার ভিত্তিতে যে-সব দোকানপাট ও ভাসমান খাবারের দোকানসমুহ স্থাপন করে গন দুর্ভোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে নগর প্রশাসক কি করবেন, তাও দেখার অপেক্ষায় নগরবাসী।

নানা সমস্যা আর অনিয়মের বেড়াজালে বন্দী বরিশাল মহানগরীর প্রশাসক হিসেবে গত ১৬ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণ করে এ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন নগর ভবনের দুর্নীতি দুর সহ একটি সুশৃঙ্খল নগরী উপহার দেয়ার কথা বলছেন। ইতোমধ্যে তিনি দিনরাত নগরীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে চলেছেন। বিভিন্ন সমস্যা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করা সহ তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তও দিচ্ছেন। প্রেসক্লাবে গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মত বিনিময় সহ নগর ভবনেও সর্বস্তরের মানুষের সাথে কথা বলে সবার মতামত গ্রহণ করেছেন। সমস্যা চিঞ্হিত করে সেভাবে এগুনোর চেষ্টাও করছেন নতুন প্রশাসক। এসব সভাগুলোতে নগর প্রশাসক নগরীর জনদুর্ভোগ সম্পর্কে ধারণা সহ নগরবাসীর চাহিদার বিষয়েও অবগত হয়েছেন।

কিন্তু পাহাড় পরিমাণ দুর্ভোগ, দুর্নীতি আর জঞ্জালের এ নগরীকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থায় নিয়ে আসার দায়িত্ব যে নগর ভবনের, সেখানের প্রশাসকের পাশে কতজন আন্তরিক ও নিরলশ কর্মী তিনি পাবেন তা নিয়ে সন্দিহান সাধারণ নগরবাসীও।

এ নগরীতে ফুটপাত সহ সাধারণের চলাচলের রাস্তা দখলের মহোৎসব চলছে গত কয়েক বছর ধরে। এমনকি খোদ নগর ভবনের সামনে চকবাজার সড়ক ও ফজলুল হক এভেনিউ’র ফুটপাত পেরিয়ে মূল সড়ক পর্যন্ত দখল হয়ে গেছে। নবগ্রাম রোড-চৌমহনী লেকের পাড় পেরিয়ে বরিশালÑফরিদপুর-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কটিও বেদখল আর উদ্ধারের নানা খেলা প্রত্যক্ষ করছেন নগরবাসী।

এ নগরীর ঐতিহ্যবাহী বেলপার্ক সহ শ্রান্তি বিনোদনের যে সীমিত সুযোগ ছিল, তাও কেড়ে নিয়েছে অবৈধ দখলদারগন। এমনকি এসব পার্ক ও শ্রান্তি বিনোদণের স্থানগুলো বহু আগেই তার মূল চরিত্র হারিয়ে নগরবাসীর দুর্ভোগের স্থানে পরিণত হয়েছে। উপরন্তু মাস কয়েক আগে সাবেক নগর প্রশাসক রায়হান কাওসার ২৪ ঘণ্টার নোটিশ দিয়ে বেলপার্ক সহ কয়েকটি এলাকা থেকে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার অল্প কয়েকদিনের মাথাই তারা প্রায় বৈধতা নিয়েই ফিরে এসেছে। এখন পুরো পার্কটি যুড়ে অবৈধ দখলদারদের রাজত্ব। এসব অবৈধ দোকানীগন এখন নগর ভবনের টোল কালেক্টরদের প্রতিদিন ২০ টাকা খাজনা (?) দিয়ে বৈধতা লাভ করেছে বলে দাবি করছে।

অনুরূপভাবে পুরো নগরীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলদারদের রাজত্ব চলছে। এমনকি গত ২ এপ্রিল সিটি প্রশাসক নগরীর নবগ্রাম রোড-চৌমহনী লেকের অভ্যন্তরে ‘মিউজিক্যল ফোয়ারা’ স্থাপনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেও সে ভিত্তি ফলকের পাশে রাজকুমার ঘোষ রোডটির দক্ষিণ কোন সহ লেকটির দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব পাড়েও অবৈধ দোকানের অত্যাচারে পুরো লেকটি তার চরিত্র হারিয়েছে অনেক আগেই।

আর এরইমধ্যে আগামী ১০ এপ্রিল অবৈধ দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরে যাবার ডেট লাইন নির্ধঅরিত আচে। সব অবৈধ স্থাপনা অপাসারনে গত সপ্তাহখানেক ধরে এ নগরীতে প্রচারণা চালাচ্ছে নগরভবন। কিন্তু নগরভবনের এ প্রচারণা ও উদ্যোগ কি লোক দেখানো, না দায়সারা ভাবে দায়িত্ব এড়ানো, তা দেখার অপেক্ষায় আছেন নগরবাসী।

তবে বিষয়টি নিয়ে সিটি প্রশাসক বার বারই তার দৃঢ়তার কথা বলছেন। অপরদিকে প্রশাসক যে-সব সভাগুলো করেছেন সমাজের বিভিন্নস্তরের মানুষের সাথে, সবখানেই একটি কথা উঠে এসেছে, ‘এনগরীতে যারা করা দেয়, তাদের নানা নাগরিক সুবিধা সহ সুস্থ সমাজ ব্যবস্থাকে কার্যত অকার্যকর করে দিচ্ছে যারা কর দেয়না তারা’। এমনকি ‘এনগরীতে করদাতারই ক্রমশ অবাঞ্ছিত হয়ে যাচ্ছে’ বলেও অভিযোগ উঠেছে।

পাশাপাশি এসব অবৈধ স্থাপনার ৯০ ভাগই পথ খাবারের দোকান। আর ঐসব অস্বাস্থ্যকর পথ খাবারের দোকানের কারণে এনগরীর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাও ক্রমশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর বরিশাল অঞ্চলের শুধু সরকারি হাসপাতালেই ৭৯ হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু ডায়রিয়া সহ নানা ধরনের পেটের পীড়া নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। যারমধ্যে বরিশাল মহানগরীরও প্রায় ১০ হাজার মানুষ রয়েছে।

চার সিটিতে হামের টিকাদান শুরু আজ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ণ
চার সিটিতে হামের টিকাদান শুরু আজ

হামের প্রার্দুভাব ঠেকাতে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় আজ রোববার থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকার কার্যক্রম চলবে।

 

এ ছাড়া আগামী ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এই টিকা কার্যক্রম শুরু হবে, যা ১১ মে পর্যন্ত চলবে। ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুরা এই টিকা নিতে পারবে।

এর আগে গত ৫ এপ্রিল প্রথম ধাপে দেশের ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট এলাকায় কার্যক্রম শুরু হয়। এগুলো দেশের ১৮ জেলার আওতাধীন ৩০টি উপজেলায়।

রোববার সকাল ৮টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১৯ ওয়ার্ডের কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে ‘জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে তিনটি করে টিকাকেন্দ্র থাকবে।

চার লাখ ৯৪ হাজার ৬৮৯ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে ডিএনসিসি। ৬-৯ মাস বয়সি ৪৭ হাজার ৬৬৮ শিশুকে হামের টিকা দেবে ডিএনসিসি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফারিয়া ফয়েজ জানান, চার লাখ শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার টার্গেট রয়েছে তাদের।