খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

‘আমি আমার ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারি নাই’, বললেন সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া যুবক

বরগুনা প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
‘আমি আমার ওপরে নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারি নাই’, বললেন সমন্বয়ক পরিচয় দেওয়া যুবক

বরগুনায় একটি কাপড়ের দোকানে সমন্বয়ক পরিচয়ে ঢুকে এক যুবক ব্যবসায়ীকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার রাতে মারধরের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরে সিনহা রহমান নামের ওই যুবক ফেসবুক লাইভে এ নিয়ে মুখ খুলেছেন।

সিনহা বলেন, ‘আমার আম্মু ও ছোট বোন তারা বাজারে যায়, একটা ছোট্ট বাচ্চা দৌড়ে এসে আমার ছোট বোনের গায়ে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যায়। পড়ে যাওয়ার পড়ে ওই ছোট যে বাচ্চাটা, তার গার্জিয়ান আসে এসে আমার ছোট বোনকে বলে—তুই কীভাবে হাঁটতেছস, দেখে হাঁটতে পারস না। তখন আমার বোন বলে—‘‘আমি তো ওকে ধাক্কা দেইনি। ও এসে আমার ওপর পড়ে।’’ তখন আমার মা বলেন—ও বাচ্চা আর এও বাচ্চা, একটা অ্যাকসিডেন্ট ঘটেছে, এখানে কারোরই ইনটেশন নাই। তখন ওই লোকটি বলে—‘তুই কে? তুই যে জায়গা দিয়া আইছস, সেই জায়গায় হাঁটা দে। তখন আমার আম্মু বলেন—এ রকম বেয়াদবি করে কথা বলতেছেন কেন? তখন সেই লোকটা কমেন্ট করে, ‘জুতা দেখছস, তোকে জুতা দিয়া মারা উচিত।’ আমার আম্মু আত্মসম্মানের জায়গা থেকে ওখান থেকে চলে আসেন। যখন আমি বাসায় আসি, আর আমার মায়ের মুখ থেকে বিষয়টি জানতে পারি, তখন একজন সন্তান হিসেবে আমি নিজেকে আটকে রাখতে পারিনি। আমি ওখানে যাই, আমার মাকে নিয়েই যাই। গিয়ে লোকটার পরিচয় জানতে পারি। লেডিশ পয়েন্টের মালিক ওই লোকটা, আর লোকটার নাম হলো জসিম।’

ফেসবুক লাইভে অভিযুক্ত সমন্বয়ক আরও বলেন, ‘আমি ওখানে যাই, গিয়ে ওখানকার সেক্রেটারির সাথে দেখা হয়, এরপর ওই জসিম আঙ্কেলের জন্য এক থেকে দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করি। অনেকক্ষণ পরে উনি আসেন। এসে আমাদের সাথে সালিসব্যবস্থায় বসার কথা ওঠে। ব্যাপারটা এক্সপ্লেইন করছিল, আমার মা সবার সামনে বসে। তখন লাস্ট বাইটে মা বলেন, ‘‘আমাকে উনি কমেন্ট করেছেন জুতা দিয়া মারা উচিত।’’ উনি উঠে বলেন, ‘‘বলছি তাতে হইছে কী?’’

সিনহা বলেন, ‘আপনাদের কাছে প্রশ্ন, আমার মাকে আমার সামনে বসে অপমান করা হচ্ছে, একজন সন্তান হিসেবে কতটুকু সহ্য করার ক্ষমতা আল্লায় আমাকে দিছে? সত্যি কথা বলতে, আমি আমার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারি নাই, আমি ওই দোকানদারের গায়ে হাত দেই, সত্যি কথা, একটুখানি বাগ্‌বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়।’

গতকাল শনিবার (২ আগস্ট) রাতে বরগুনা পৌর শহরের বিবি সড়কে লেডিস পয়েন্ট নামে একটি কাপড়ের দোকানে ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও নেতারা জানান, বরগুনা শহরের বস্ত্র ব্যবসায়ী জসিমের শিশুসন্তানের সঙ্গে ইয়াসমিন তানিয়া নামের এক পথচারী নারীর ধাক্কা লাগে। এতে জসিমের শিশুসন্তান ছিটকে পড়ে যায়। এ নিয়ে জসিম ও ওই নারীর মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, যা নজরে আসে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের। বিষয়টি তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকে ডাকেন বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা। এ সময় সেখানে সমন্বয়ক পরিচয়ে লোকজন নিয়ে উপস্থিত হন ইয়াসমিন তানিয়ার ছেলে সিনহা রহমান। উভয় পক্ষের কথোপকথনের একপর্যায়ে সিনহা ব্যবসায়ী জসিমের ওপর হামলা করেন। এতে শহরে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে ফেলেন। এ বিষয়ে আলোচনা করে আজ পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন তাঁরা।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. জসিম বলেন, ‘আমি আমার বাচ্চাকে নিয়ে খাবার কিনতে যাচ্ছিলাম। এ সময় এক পথচারী নারী আমার বাচ্চাটিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এ ঘটনায় ওই নারী কোনো প্রকার সহানুভূতি না দেখিয়ে উল্টো বলেন, দেখে হাঁটতে পারো না। বিষয়টি নিয়ে তাঁর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার পর যে যার মতো চলে যাই। পরে ওই নারী তাঁর সমন্বয়ক দাবি করা ছেলেকে জানালে বিষয়টির মীমাংসা করতে আমাকে ডাকেন বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা। এরপর সেখানে উপস্থিত হলে সবার সামনেই আমাকে মারধর করে ওই নারীর সমন্বয়ক দাবি করা ছেলে সিনহা। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’

এ বিষয়ে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ বলেন, ‘জসিমের সঙ্গে এক নারী পথচারীর বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার একপর্যায়ে ওই নারীর ছেলে সমন্বয়ক দাবি করা সিনহা ও সঙ্গে আরও একজন ছেলে দোকানে উঠে জসিমকে মারধর শুরু করেন। এ সময় আমরা যারা উপস্থিত ছিলাম, সবাই মিলে তাঁদের থামাই। এতে দোকান লুটের হাত থেকে রেহাই পেয়েছি। এ ঘটনার পরপরই আমরা ব্যবসায়ীরা সব দোকান বন্ধ করে দিয়েছি। এ ছাড়া আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ ঘটনায় উপযুক্ত বিচার না হলে আগামীকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।’

এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ীর কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

 

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।