খুঁজুন
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০ মাঘ, ১৪৩২

আমাদের কিছু বন্ধু আ.লীগের ভাষায় কথা বলছেন: মাসুদ সাঈদী

পিরোজপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
আমাদের কিছু বন্ধু আ.লীগের ভাষায় কথা বলছেন: মাসুদ সাঈদী

জিয়ানগর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীপুত্র মাসুদ সাঈদী বলেছেন, যে ভাষায় আওয়ামী লীগ কথা বলত, রাজনীতি করত—আমাদের কিছু বন্ধুদের দেখি এখন ওই একই ভাষায় কথা বলছেন। সেই একই স্টাইলের রাজনীতি শুরু করেছেন।

যদি ভাষার পরিবর্তন না হয়, আচরণের পরিবর্তন না হয়, যদি হুমকি-ধমকির পরিবর্তন না হয়, যদি জুলুমের পরিবর্তন না হয় তাহলে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন করার কী দরকার ছিল? এত মানুষের জীবন দেওয়ার কী দরকার ছিল? শুক্রবার (৮ আগস্ট) বেলা ১১টায় পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার শেখমাটিয়া ইউনিয়নের খেজুরতলা বাজার, বাবুরহাট বাজার ও বুইচাকাঠি বাজারে গণসংযোগকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ সাঈদী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ রাজাকার রাজাকার ব্যবসা করেছে। দেশে বিভাজনের রাজনীতি করেছে। দেশে ঐক্যের বদলে অনৈক্যের বীজ বুনেছে। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতা ফুঁসে উঠেছিল। যার ফলশ্রুতিতে জুলাই বিপ্লব এসেছিল। আজকে আমাদের কিছু রাজনৈতিক বন্ধু আবার সেই রাজাকারের ব্যবসা শুরু করেছে। এতকাল আপনাদের সঙ্গে ছিল, তখন কি তারা রাজাকার ছিল না? ২৫ বছর জোট করে আন্দোলন করলেন, সংগ্রাম করলেন, কর্মসূচি পালন করলেন, তখন জামায়াত ইসলামী রাজাকার ছিল না? তখন যদি জামায়াত রাজাকার না হয়ে থাকে আজকে হঠাৎ করে কেন জামায়াত রাজাকার হলো? আমাদের দেশে এখনো দুর্নীতি হয়, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কথা বললে সাংবাদিকের জীবন চলে যায়। এগুলো আমাদের ভাবতে হবে। শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন হলেই দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না। এগুলো আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

ভারতের অপরাজনীতির কথা উল্লেখ করে মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশে বিভাজনের রাজনীতি আবার শুরু করার ষড়যন্ত্র করছে ভারত। বাংলাদেশে বিভাজনের যে রাজনীতি আওয়ামী লীগ করেছিল ভারতের কিছু পৌষ্য দালাল বাংলাদেশে আছে, যারা এখনো আমাদের মধ্যে সেই বিভাজনের রাজনীতি চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু বিভাজনের কোনো রাজনীতি দেশবাসী মেনে নেবে না।

মাসুদ সাঈদী বলেন, আমরা বিভাজনের রাজনীতি চাই না। আমরা বাংলাদেশের শান্তি চাই, আমরা ঐক্য চাই। আমরা বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে মাথা উচু করে দাঁড়াতে চাই।

দাঁড়িপাল্লায় ভোট চেয়ে মাসুদ সাঈদী বলেন, পাঁচ শ’ মানুষের জন্য একটি মসজিদে যখন ইমাম নির্বাচন করেন, তখন আপনারা দেখেন তিনি নিজে নামাজি কিনা, তার পরিবার নামাজি কিনা, তারা শরীয়ত মোতাবেক চলে কিনা, দুর্নীতি করে কিনা—এসব দিক বিবেচনা করে মসজিদে একজন ইমাম নিয়োগ করেন। ৫০০ জনের একজন ইমাম নিয়োগ করতে যদি এত যাচাই-বাছাই করেন তাহলে তিন-চার লাখ মানুষের যে ইমাম (নেতা) হবে, এই সংসদীয় আসনের যে ইমাম হবে, তাকে কি আপনারা এইভাবে বাছাই করে দেখবেন না? যদি এইভাবে বাছাই না করেন তাহলে নিশ্চিত থাকেন, অতীতে যেভাবে জালিমেরা জুলুম করেছে, নির্যাতন করেছে, দুর্নীতি-লুটপাট করেছে, আমাদের তকদিরে ঠিক একইভাবে সেই রকমই কোনো সরকার আবার চেপে বসবে।

পিরোজপুরকে নতুন আঙ্গিকে গড়ার কথা উল্লেখ করে মাসুদ সাঈদী বলেন, আমার সম্মানিত পিতা শহীদ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী উন্নয়নের একটি রোডম্যাপ ধরে পিরোজপুরকে সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু জালিমেরা তা সহ্য করতে পারেনি। তাকে মিথ্যা অপবাদে ১৩ বছর কারাগারে রেখে আওয়ামী লীগ তাকে বিচারিক হত্যা করেছে। আমি যদি আল্লাহ তায়ালার দয়ায় আপনাদের ভোটে আপনাদের (পিরোজপুর-১ আসন) খাদেম হতে পারি তাহলে আমি আল্লামা সাঈদীর অসম্পূর্ণ কাজগুলো সমাপ্ত করব ইনশাআল্লাহ।

শেখমাটিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি মাওলানা আব্দুর রবের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন সেক্রেটারি জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক শেখ, নাজিরপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, নাজিরপুর উপজেলা বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা আবু দাউদ, শেখ মাটিয়া ইউনিয়ন সভাপতি হাফেজ আব্দুর রহমান, সেক্রেটারি মাওলানা কাজী জাকির হোসাইন, উপজেলা শিবির সেক্রেটারি সাকিব হোসাইন প্রমুখ।

পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
পিরোজপুরে হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

পিরোজপুরে একটি হত্যা মামলায় ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন জেলা দায়রা ও জজ আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে পিরোজপুর বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবুর রহমান এই রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- স্বপন ওরফে সোহেল মোল্লা (২৮), কাদের মোল্লা (৩৫), আবদুর রশীদ মোল্লা (৭০), ইরানী বেগম (২৫), সুফিয়া বেগম (৪৫) ও পুন্না বেগম। রোজিনা বেগম নামে আরেকজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

অন্য আসামিদের মধ্যে আবদুর রব মোল্লা, মন্নাফ মোল্লা, ও মুনসুর মোল্লার আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের আঘাতে আবু আকনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আবদুর জব্বার বাদী হয়ে পিরোজপুর আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আকন জানান, সোমবার পিরোজপুর বিজ্ঞ দায়রা ও জেলা জজ আদালতের বিচারক মুজিবর রহমান সেসন ৭/২০২০ মোকাদ্দমায় ৬ জন আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। অপর আসামি রোজিনা বেগমকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন। অন্য ৩ আসামি আদালতে বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান।

মামলাটি ছিল জমিজমা ও সুপারী পাড়াকে কেন্দ্র করে। এই মামলার ভিকটিম আবু আকন (৪২) মারাত্বক জখম প্রাপ্ত হয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে ভর্তি হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবি পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সোমবার ফেসবুক লাইভে এসে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোটার ও প্রার্থীরা সবাই অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, এলাকায় পাতি নেতা ও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। তারা প্রকাশ্যে ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকি দিচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি কঠোরভাবে এসব অপতৎপরতা দমন করতে না পারে, তাহলে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে না বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবলে ভাটার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে চুয়াডাঙ্গায় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর যৌথবাহিনী ও পুলিশ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর অপারেশনে যেতে দ্বিধায় রয়েছে। এর ফলে অপরাধীরা আরও সাহস পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার ফুয়াদ অভিযোগ করেন, অজ্ঞাতনামা মামলার নামে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি তৈরি হচ্ছে এবং নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ ক্রমেই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে।

তিনি বলেন, যৌথবাহিনীর অপারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হবে না- এমন স্পষ্ট ও দৃঢ় নিশ্চয়তা অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে আসা জরুরি। তা না হলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা যাবে না।

সবশেষে বরিশাল-৩ আসনের নির্বাচনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবি পার্টির এই প্রার্থী।

ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
ম্যাক্রোকে ‘ক্ষমতাচ্যুত’ করার হুঁশিয়ারি দিলেন ট্রাম্প

ফিলিস্তিনের গাজায় প্রস্তাবিত শান্তি পরিষদে যোগ দিতে না চাওয়ায় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর ওপর ক্ষেপেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফরাসি প্রেসিডেন্টকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দেশটির ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ম্যাক্রোর আন্তর্জাতিক প্রভাব প্রায় শেষের পথে এবং খুব শিগগিরই তিনি ক্ষমতা থেকে সরে যাবেন। খবর সিএনবিসি’র

ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’র হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘কেউই তাকে (ম্যাক্রো) চায় না, কারণ তিনি খুব শিগগিরই অফিস ছাড়ছেন। যদি তারা শত্রুতামূলক আচরণ করে, তাহলে আমি তার দেশের ওয়াইন ও শ্যাম্পেনের ওপর ২০০ শতাংশ শুল্ক বসাব।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট এরপর বলেন, শুল্ক বসালে তখন নিজেই বোর্ডে (বোর্ড অব পিস) যোগ দেবে। না যোগ দিলেও সমস্যা নেই।

ফ্রান্সের আইন অনুয়ায়ী এমনিতেও প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে পারবেন না। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের মে মাসে। তবে ট্রাম্প ‘ক্ষমতাচ্যুত’ বলে আসলে কি বুঝিয়েছেন, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদিত বোর্ড অব পিস গত বছরের নভেম্বরে গঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ করা। এই বোর্ডে যোগ দেওয়ার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আছে ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিশরের মতো দেশ।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইউরোপের। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ইউরোপীয় নেতারা থাকুক বা না থাকুক, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেবে। কারণ এটি ‘বিশ্ব নিরাপত্তার’ জন্য প্রয়োজন।

তিনি গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত যুক্তরাজ্যসহ আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে বলে জানান। তবে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি ইউরোপের দেশগুলো।

ট্রাম্পের এসব কড়া হুমকির জবাবে ইউরোপীয় দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পাল্টা শুল্ক ও বিস্তৃত অর্থনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে। তবে ট্রাম্পের করা ক্ষমতাচ্যুতর কথায় জবাব দেননি ম্যাক্রো।