জ্বালানি সংকটে ফিরতি টিকিটের অনিশ্চয়তা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬ । ১১:১১ পূর্বাহ্ণ

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ব্যস্ততা বেড়েছে। নাড়ির টানে প্রিয়জনদের কাছে ফিরতে আগেভাগেই বাসের অগ্রিম টিকিট ও লঞ্চের কেবিন বুকিংয়ের জন্য ভিড় করছেন সাধারণ মানুষ। তবে এবারের ঈদযাত্রার আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ মার্চ থেকে মূলত বরিশালমুখী মানুষের যাত্রা শুরু হবে। আর ঈদ শেষে ফিরতি যাত্রা চলবে ২৫ মার্চ পর্যন্ত।

ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচলকারী লঞ্চগুলোর আগামী ১৬ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত সব ধরনের কেবিন ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। তবে ফিরতি যাত্রার কেবিন বুকিং নিয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের বরিশাল কাউন্টারের তানভীর ইসলাম জানান, ঢাকা থেকে বরিশালগামী সব ধরনের কেবিন আগেই বিক্রি হয়ে গেছে।
এম খান-৭ লঞ্চের ম্যানেজার শুভ বলেন, “ঈদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে বরিশালগামী সব কেবিন বুকিং রয়েছে।”

অন্যদিকে সড়কপথেও একই চিত্র দেখা গেছে। বরিশালগামী বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হলেও ফিরতি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না সহজে।

বাস সংশ্লিষ্টদের দাবি, জ্বালানি সংকটের আশঙ্কার কারণেই তারা ২৩ মার্চের পরের ফিরতি টিকিট বুকিং নিতে সাহস পাচ্ছেন না।

লাবিবা পরিবহনের বরিশাল ম্যানেজার জানান, আগের বছরগুলোতে অধিকাংশ যাত্রী একসঙ্গে যাওয়া-আসার টিকিট কিনে রাখতেন। কিন্তু এবছর জ্বালানি তেলের সংকটের শঙ্কায় রিটার্ন টিকিটের অগ্রিম বুকিং রাখা হচ্ছে না।

হানিফ পরিবহনের বরিশাল কাউন্টারের ম্যানেজার মামুন বলেন, “ফিরতি যাত্রার সময় যদি তেলের সংকট না থাকে, তাহলে যাত্রীরা কাউন্টারে এসেই টিকিট কিনতে পারবেন।”

বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “সড়কে শৃঙ্খলা মেনেই ঈদযাত্রা সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি। তবে তেলের সংকটের বিষয়টি কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করেছে। ঢাকা থেকে একটি বাসের রাউন্ড ট্রিপে প্রায় ১০০ থেকে ১১০ লিটার জ্বালানি প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন অনেক সময় দুই বা তিনবারে গাড়িগুলোকে তেল নিতে হচ্ছে।”

এদিকে জ্বালানি সংকটের বিষয়টি নাকচ করেছেন মেঘনা পেট্রোলিয়াম বরিশাল ডিপোর ম্যানেজার মো. শাহ আলম। তিনি জানান, জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। অবৈধভাবে কেউ যাতে তেল মজুদ করতে না পারে সেজন্য প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

FacebookTwitterMessengerWhatsAppEmailCopy LinkGmailViberShare
প্রকাশক ও সম্পাদক: মেহেরুন্নেছা বেগম।  কপিরাইট © ২০২৫ দৈনিক আজকের বার্তা সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

প্রিন্ট করুন