Agaminews
Agaminews Banner

বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা, নেপথ্যে যারা!


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২১ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ বাউফলে ইউপি চেয়ারম্যানের উপর হামলা, নেপথ্যে যারা!

বাউফল প্রতিনিধি ॥
দীর্ঘ ৯ মাস চিকিৎসার পর পূণরায় দায়িত্ব নিয়েছেন প্রতিপক্ষের হামলায় আহত পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক। চেয়ারম্যান ইব্রাহিম ফারুক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নিহত শহীদ ইব্রাহিম সেলিমের ভাই এবং বাউফল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। গত ৫ ডিসেম্বর পূণরায় নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়ে ইব্রাহিম ফারুক অভিযোগ করে বলেন, জনপ্রিয়তায় ঈর্শ্বান্বিত হয়ে পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল আমাকে হত্যার চেষ্টা করছেন। পৌর মেয়রের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার। ইব্রাহিম ফারুক বলেন, আমি পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি তা মানতে পারছেন না মেয়র জুয়েল। মেয়র জুয়েলের নেতৃত্বে ২০২০ সালে ২৪ মে যুবলীগ নেতা তাপসকে খুন করা হয়। ‍এবং সেই ত্যা মামলায় তাকে ১ নাম্বার আসামী করা হয়।  আমি তাপসের পরিবারের পাশে দাড়িয়েছি। তাই মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যান ক্ষিপ্ত হয়ে  গত ২১ ফেব্রুয়ারি আমার ওপর অতর্কীত হামলা করেছে। হামলায় আমার বাম চোখ নষ্ট হওয়ার পথে। বাম চোখে এখন আর আমি দেখতে পাই না। বর্তমানে তাপস হত্যা ও আমাকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামীরা বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আমি ন্যায় বিচার চাই। বাউফল পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত খান ছানা বলেন, পৌরবাসী আগামীতে ইব্রাহিম ফারুককে মেয়র হিসেবে দেখতে চায়। তাই জনপ্রিয়তায় ঈর্শ্বান্বিত হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মোতালেব হাওলাদার ও মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল তাকে জনবিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করছেন। এরই অংশ হিসেবে যুবলীগ নেতা তাপসকে খুন ও ইব্রাহিম ফারুকের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে। বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোতালেব হাওলাদার বলেন, ইব্রাহীম ফারুকের উপর হামলার পরপর আমি আমার লোকজন নিয়ে হামলাকারীদের শাস্তির দাবীতে আন্দোলন করেছি। যা গণমাধ্যম অবগত আছে। অথচ তিনি আমাকে দুষছেন। এটা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ প্রসঙ্গে জানার জন্য বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।