Agaminews
Agaminews Banner

সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা এলাকাবাসী


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১ ১২:৩১ পূর্বাহ্ণ সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনে দিশেহারা এলাকাবাসী

মহসিন মিঞা লিটন, উজিরপুর প্রতিনিধি  ‍॥
সন্ধ্যা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী। ভাঙ্গন রোধে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের দাশেরহাট বাজারে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল ১০ টায় গুঠিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ডা: দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে নারী-পুরুষ সহ ৫ শতাধিক এলাকাবাসী মানববন্ধনে অংশগ্রহন করেন। মানববন্ধনে দাশেরহাট বাজার সভাপতি দুলাল খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, ইউপি চেয়ারম্যান ডা: দেলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য হানিফ মোল্লা, শহিদুল ইসলাম, মনির হোসেন, মহিলা ইউপি সদস্য আনোয়ারা বেগম, শাহানাজ পারভীন, বাজার কমিটির সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, রাহাত চৌকদার, জাহিদ হোসেন লালন প্রমুখ। ভুক্তভুগি এলাকাবাসী বলেন, সন্ধ্যা নদীর দীর্ঘদিন অব্যাহত ভাঙ্গনে ওই ইউনিয়নের ছয়টি গ্রামের, মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পানের বরজ, ফসলী জমি, বসতী বাড়ী, দাশের হাট বাজারের একাংশ সহ ৬শত একর জমি সর্ম্পূণ বিলিন হয়ে গেছে।

 

সরকারী কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্থরা বিভিন্ন এলাকায়, আশ্রয়কেন্দ্রে, বেড়িবাধেঁ আশ্রয় নিয়েছে। সবকিছু হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্থরা মানবতার জীবন যাপন করছে। দ্রæত এই ভাঙ্গন রোধে কোন ব্যবস্থা না গ্রহন করলে অচিরেই উজিরপুরের মানচিত্র থেকে গুঠিয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দাশেরহাট বাজার, হানুয়া, আশোয়ার, বান্না, রৈভদ্রাদী, নিত্যানন্দী, ও কমলাপুর গ্রাম বিলুপ্তি হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে হানুয়া বারপাইকা গ্রাম, আশোয়ার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইকেøান সেন্টার, বড় বাড়ী জামে মসজিদ, হানুয়া মাদ্রাসা, কালীখোলা মন্দির সম্পূর্ণ বিলিন হয়ে গেছে।

 

হুমকির মুখে রয়েছে কাকরাদাড়ী বেড়িবাধ প্রকল্প, দাসেরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমলাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হানুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হানুয়া দাখিল মাদ্রসা, পায়রা বন্দর থেকে কোটালিপাড়া সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি টাওয়ারসহ অসংখ্য বসতবাড়ী হুমকির মুখে রয়েছে। পানি সম্পাদ মন্ত্রনালয় থেকে অতি দ্রæত ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বøক ফেলে ভাঙ্গণ রোধ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সু-দৃষ্টি কামনা করছেন এলাকাবাসী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দিপক রঞ্জন দাস বলেন, সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গন রোধ করতে প্রকল্প তৈরি করে বরাদ্দের জন্য মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে। অতিদ্রæত বরাদ্দ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।