Agaminews
Agaminews Banner

বরিশালে সেই এতিমখানায় মেয়র সাদিকের ঈদ উপহার


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: মে ১০, ২০২১ ৫:১৪ অপরাহ্ণ বরিশালে সেই এতিমখানায় মেয়র সাদিকের ঈদ উপহার

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বরিশালের সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র পক্ষ থেকে ঈদের খাদ্য উপহার পেলেন পলাশপুর এতিমখানার সেই এতিম শিশুরা। রবিবার গভীর রাতে পলাশপুরে প্রতিবছরের মত এবছরও করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় পরিবারের ঘরে ঘরে গিয়ে পৌছে দেওয়া হয়েছে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার। গতকাল সোমবার সকালে পলাশপুর গিয়ে দেখা গেছে এতিমখানাসহ প্রায় ঘরেই দেখা গেছে খুশির আমেজ। তাদের মুখে মুখে শুনা যাচ্ছে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র প্রশাংসা। অন্যদিকে ঈদের খাদ্য সামগ্রী পেয়ে দিনব্যাপী কুরআনখানী ও দোয়া মোনাজাত চলছে নগরীর পলাশপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ৭ নম্বর সড়কের গুচ্ছ গ্রাম সংলগ্ন সেই রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায়। উল্লেখ্য, মহামারি করোনা ভাইরাসের আক্রান্তর সংখ্যা প্রতিদিন বেড়েই চলছে। তাই স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা, এতিমখানা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু পলাশপুর এতিমখানায় এতিমদের কোন ঠিকানা না থাকায় মাদ্রাই হলো তাদের একমাত্র ভরসা। এতিম শিশুদের কেউর নেই বাবা অবার কেউর নেই মা। তাই বরিশাল নগরীর পলাশপুর রহমানিয়া কিরাতুল কুরআন হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানাই তাদের আপন ঠিকানা। তবে বর্তমানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেইে চলছে তাদের শিক্ষা প্রদানের কার্যক্রম। লকডাউনের মধ্যে মাদ্রাসায় কোন খাবার এবং রমজানের প্রথম দিন ইফতারের কোন ব্যবস্থা হয়েছিলোনা মাদ্রাসায়। খরটি শুনেই বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ তিনি মাদ্রাসার পরিচালককে খবর দিয়ে এতিমদের ইফতারের জন্য নগদ অর্থ দেন ইফতার কেনার জন্য। ইফতার দিয়েই ভুলে যাননি এতিম শিশুদের কথা। এতিম শিশুরা ঈদে কি খাবে সেকথাটি মনে রেখেছে। তাই ঈদের দিন এতিমদের খাবার জন্য গভীর রাতে মাদ্রাসায় গিয়ে তার পক্ষ থেকে ঈদ উপহার পাঠিয়ে দিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছে একটি সোয়াবিন তেল, চিনি, পোলাউর চাল, দুদ, সেমাই একটি প্যাকেট। তবে এতিম শিশুদের জন্য মাদ্রাসায় ২০ প্যাকেট উপহার পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা গেছে, লকডাউনের মধ্যে মাদ্রাসায় খাবার সংকট থাকায় কিছুটা কষ্টে রয়েছে এতিমখানাটি এতিমরা। এক কথায় বলা যাচ্ছে কষ্টে আছে ওরা। তাই এতিম শিশুদের ইফতারী অথবা খাবার দিয়ে সাহয্য করার জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন মাদ্রাসার কতৃপক্ষ। অন্যদিকে মাদ্রাসার চার তলা ভবনের কাজ চলছে। মাদ্রাসার পরিচালক নুরুল ইসলাম ফিরোজী বলেন, করোনায় মধ্যে আমরা রয়েছি খুব কষ্টে। কিন্তু কি করবো এই এতিমদের কেউ না থাকায় আমারই দেখা শুনা করতে হচ্ছে। এদের নিয়েই চলছে আমার জীবন। তাই আপনার সবাই মাদ্রাসায় চাল,ডাল ও খাবার দিয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসুন…..মাদ্রাসার বিকাশ নাম্বার ০১৯২৪৬১২৯১৮।