Agaminews
Agaminews Banner

টঙ্গীতে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত রোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পুলিশের


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: এপ্রিল ৩০, ২০২১ ১২:৩১ অপরাহ্ণ টঙ্গীতে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত রোধে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পুলিশের
বার্তা ডেস্ক ॥
গাজীপুরের টঙ্গী, গাছা ও পূবাইল এলাকায় কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত রোধে ব্যতিক্রমী উদ্দ্যোগ নিয়েছেন পুলিশ। রাস্তার মোড়ে, স্কুল গেটে, পাড়া কিংবা মহল্লায় মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, চুরি, নারীদের উত্ত্যক্তসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কিশোররা। এসব কিশোররা  বিভিন্ন স্টাইলে চুলের কাটিং, বিভিন্ন রং এ কালার করে সংঘবদ্ধ হয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে চলছে। আর এদেরকে ব্যবহার করছে বিভিন্ন নেতারা। অপরাধে জড়িয়ে পড়া এসব কিশোরদের প্রথমত চুলকেটে পরিবারের সাথে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে পুলিশ। জান যায়, টঙ্গীসহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত বেড়েই চলছে। উঠতি বয়সি এসব কিশোররা দিন দিন নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। কেউ মাদকে, কেউ ছিনতাই, কেউ খুনের ঘটনায় জড়াচ্ছে। তবে দলীয় নেতারা এদের ব্যবহার করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চলছে। যে কোন ঘটনায় এখন কিশোর গ্যাং। এর ফলে এলাকায় বাড়ছে নানা অপরাধ, ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা। এসব কিশোরদের অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রতিটি এলাকায় বিট পুলিশ অফিসারদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্টাইলে চুলের কাটিং, ছেঁড়া প্যান্ট, সন্ধ্যার পরে বিশেষ কোন স্থানে আড্ডায় সংঘবদ্ধ এসব কিশোরদের ধরে সেলুনে নিয়ে চুল কেটে পরিবারকে খবর দেন এবং কাউন্সিলিং করেন। এভাবে অর্ধশতাধিক কিশোরকে নিয়ে তার পরিবারের সাথে কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে অপরাধের সাথে জড়িত না থাকার জন্য বলা হচ্ছে। এবিষয়ে গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কমিশনার স্যারের নির্দেশে কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত রোধে একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা অনেক কিশোরকে ধরে চুলের কাটিং পরিবর্তনসহ পরিবারের সাথে কথা বলে অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ব্যাপারে মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিসি) দক্ষিণ অপরাধ ইলতুৎ মিশের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের  বিভিন্ন স্টাইলে চুলের কাটিং, ছেঁড়া প্যান্ট পরা, সন্ধ্যার পরে বিশেষ কোন স্থানে আড্ডা দেয়া, বিশেষ কোন কাজে একত্রে মিলিত হওয়া, মোবাইলে ইভটিজিং করাসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। এসব কিশোরদের বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে কিংবা পরিবারের সাথে কথা বলে অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে, আশা করি কিশোরদের মধ্যে অনেকটাই অপরাধ কমে আসবে।