Agaminews
Agaminews Banner

পুলিশ কর্মকর্তার অনুরোধে ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে যাই’


আজকের বার্তা | প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২১ ১:৪৪ অপরাহ্ণ পুলিশ কর্মকর্তার অনুরোধে ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে যাই’
বার্তা ডেস্ক ॥
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দিন পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার এক কর্মকর্তার অনুরোধে বায়তুল মোকাররমে যান বলে জানিয়েছেন হেফাজত ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত হওয়া কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। আদালতের অনুমতি নিয়ে মামুনুল হক বলেন, গত ২৬ মার্চ আমি বাংলাবাজারে জুমার নামাজ পড়াই। এসময় সেখানে পুলিশি প্রটেকশন ছিল। নামাজ শেষে জানতে পারি বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিরা জড়ো হয়েছেন। এসময় একজন ডিআইজি পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার অনুরোধে বায়তুল মোকাররমে যাই। সেখানে পুলিশের অনুরোধে আমি বক্তব্য রাখি। আমিতো কোনো অন্যায় করিনি। ভবিষ্যতে পুলিশ অনুরোধ করলে আমরা তো কোথাও যেতে পারবো না। মামুনুল বিচারককে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি চাইলে আমার ওইদিনের কল রেকর্ড চেক করতে পারেন। পল্টন থানায় হওয়া মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে হওয়া মামলায় রিমান্ড শুনানিকালে মামুনুল একথা বলেন। এই মামলাসহ মতিঝিল থানার আরেক মামলায় আজ সোমবার মামুনুলের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী। এদিন বেলা ১১টার দিকে মামুনুলকে সিএমএম আদালতে আনা হয় এবং দুপুর ১২টার দিকে রিমান্ড শুনানি শেষে মামুনুলকে ফের নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তার রিমান্ড ও জামিন বিষয়ে শুনানি হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ বলেন, পল্টন থানার দায়ের করা মামলায় বাদীপক্ষের কোনো তথ্য ঠিক নেই। তিনি কোন হাসপাতালে ছিলেন তার কোনো তথ্য দেননি। অপরদিকে মতিঝিলের মামলাটি অনেক পুরনো। পুলিশ আট বছরেও অভিযোগপত্র দাখিল করতে পারেনি। তাই আমরা রিমান্ড বাতিল করে জামিন চাইছি। গত ১৮ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা থেকে মামুনুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯ এপ্রিল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। প্রথম দফায় সাতদিনের রিমান্ড শেষে সোমবার মামুনুলকে আদালতে হাজির করে ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে সহিংসতার ঘটনায় মতিঝিল থানায় ও গত ২৬ মার্চ বায়তুল মোকাররমে সমাবেশ ঘিরে হামলার ঘটনায় পল্টন থানায় করা দুই মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়।