খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১ পৌষ, ১৪৩২

আইনের ধারা লেখা সাইনবোর্ডের নিচেই অবৈধ স্থাপনা

আমতলী প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
আইনের ধারা লেখা সাইনবোর্ডের নিচেই অবৈধ স্থাপনা

মহাসড়ক আইনের ৯ (১১) ধারা অনুযায়ী মহাসড়কের উভয় পার্শ্বে ভূমির প্রান্তসীমা থেকে ১০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা দন্ডনীয় অপরাধ। এমন আইনের ধারা সম্বলিত লেখা সাইনবোর্ডের নিচেই নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধ স্থাপনা।

পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের পাশে এমন কয়েক হাজার অবৈধ স্থাপনা রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

জানা গেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়ক। এ মহাসড়কের উভয় পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের ১০ মিটার করে ভূমি রয়েছে। এ সব ভূমি রক্ষায় সড়ক ও জনপথ বিভাগ ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের অন্তত দুই ডজন স্থানে ‘মহাসড়ক আইনের ৯ (১১) ধারা অনুযায়ী মহাসড়কের উভয় পাশে ভূমির প্রান্তসীমা হতে ১০ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করা দন্ডনীয় অপরাধ’ লেখা সাইনবোর্ড টানিয়েছে।

কিন্তু স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই সব ভূমি দখল করে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে হাজার হাজার পাকা-আধা পাকা ও কাঁচা স্থাপনা নির্মাণ করেছে। অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা ওই জমি অধিক মূল্যে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

গত ২০ বছর ধরে সড়কের পাশের ভূমি এমন ক্রয়-বিক্রয় চললেও সড়ক বিভাগ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের। এ জমি উদ্ধারের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। আরও অভিযোগ রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগের একটি মহল ওই জমি ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। ফলে সড়কের পাশে অহরহ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। এতে সড়কে দুর্ঘটনাসহ নানা সমস্যার দেখা দিচ্ছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের ৭১ কিলোমিটারের শতাধিক স্ট্যান্ডে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে প্রভাবশালীরা। ওই স্থাপনায় তারা ব্যবসা করছেন।

বরগুনার আমতলী উপজেলার শাখারিয়া থেকে বান্দ্রা ৩৭ কিলোমিটার সড়কের শাখারিয়া, ব্রিকস ফিল্ড, কেওয়াবুনিয়া, মহিষকাটা, চুনাখালী, আমড়াগাছিয়া খানকা, ডাক্তারবাড়ী, ঘটখালী, তুলাতলী, একে স্কুল চৌরাস্তা, ছুরিকাটা, মানিকঝুড়ি, খুড়িয়ার খেয়াঘাট, খলিয়ান, কল্যাণপুর ও বান্দ্রাসহ অন্তত ৩০টি স্থানে প্রভাবশালীরা জমি দখল করে সহস্রাধিক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। অবৈধ স্থাপনার সাথেই সড়ক ও জনপথ বিভাগের আইনের সাইনবোর্ড টানানো আছে কিন্তু বাস্তবে তারা কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বান্দ্রা স্ট্যান্ডের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে স্থাপনা নির্মাণ করে ব্যবসা করছি। কেউ তো উচ্ছেদ করতে আসেনি।’ তারা আরও বলেন, ‘তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতাদের মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজনকে ম্যানেজ করে স্থাপনা নির্মাণ করেছি।’

মহিষকাটা স্ট্যান্ডের আয়াত ডিজিটাল স্টুডিওর মালিক মিজানুর রহমান ও মৃধা হোটেলের মালিক জলিল মৃধা বলেন, ‘গত ২০ বছর ধরে মাসিক চুক্তিতে ঘর ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছি। কিন্তু মালিক কিভাবে সড়কের পাশে ঘর তুলেছেন তা আমাদের জানা নেই।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাখারিয়া বাস স্ট্যান্ডের কয়েকজন বলেন, ‘এভাবে তো গত এক যুগ ধরে চলে আসছে। কেউ তো উচ্ছেদ করতে আসেনি। ভয় দেখাতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন আইনের ধারা লিখে সাইনবোর্ড টানিয়েছে।’ তারা আরও বলেন, ‘যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন সেই দলের নেতাদের অনুমতি নিয়ে স্থাপনা নির্মাণ করতে হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মৌখিক অনুমতি নিয়েই স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের ম্যানেজ ছাড়া কিছুই হয়নি।’ তবে এই প্রভাবশালী কারা, নাম জানতে চাইলে স্থানীয়রা নাম প্রকাশে অপরগতা প্রকাশ করেন।

আমতলী পৌর শহরের হাসপাতাল সড়কের বাবুল হোসেন বলেন, ‘সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমতি না নিয়েই স্থাপনা নির্মাণ করেছি। সরকারের প্রয়োজন হলে জমি ছেড়ে দেব।’

পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আতিক উল্যাহ বলেন, ‘মানুষকে সচেতন করতে আইনের ধারা লিখে সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে, যাতে তারা সরকারী জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ না করেন। কিন্তু তারা সচেতন হয়নি। যারা সড়ক ও জনপথ বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন, তাদের ওই সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা নির্মাণে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জড়িতের প্রমাণ পেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে

ডিসেম্বর মাসের প্রথম আট দিনেই ১ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। এ জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখতে ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ২০ কোটি ২০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে মূলত প্রবাসী ও রপ্তানি আয়ের ধারাকে সহায়তা দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ মঙ্গলবার এই ডলার কেনা হয়।

এ সময় প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ২৭ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা পর্যন্ত। কাট-অফ রেট ১২২ টাকা ২৯ পয়সা, যা মাল্টিপল প্রাইস নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

জানা যায়, চলতি (২০২৫-২৬) অর্থবছরে এ পর্যন্ত নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫১ কোটি ৪০ লাখ (২ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার) ডলার কিনেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৩ জুলাই থেকে নিলামের মাধ্যমে ডলার কেনা শুরু করে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, চলতি মাসের ১ থেকে ৮ ডিসেম্বর সময়ে দেশে ১০০ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। এর মধ্যে ৮ ডিসেম্বর এসেছে ১৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ৮৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২১ শতাংশ।

পাশাপাশি গত জুলাই থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৪০৪ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১ হাজার ১৯৬ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
তফসিলের পর অনুমতি ছাড়া সমাবেশ–আন্দোলন করলে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সব ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন সমাবেশ, আন্দোলন করা থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে।

এ বিষয়ে সতর্ক করে অন্তর্বর্তী সরকার বলেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

 

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন যেন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও উৎসবমুখর হয়- এটিই বর্তমানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল লক্ষ্য। একটি সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের জন্য যা যা করণীয় সরকার সেই দিকেই মনোনিবেশ করছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সশস্ত্র বাহিনীসহ দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সব বাহিনী নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করবে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রায় নয় লাখ সদস্য নিয়োজিত থাকবে, যা এ যাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ। সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যেই দেড় লাখ পুলিশ সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদনহীন সভা–সমাবেশ ও আন্দোলন নিয়ে সতর্ক করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, অনেকেরই নায্য দাবি-দাওয়া রয়েছে। গত দেড় বছরে দুই হাজারের বেশি আন্দোলন-বিক্ষোভ সংঘটিত করে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আন্দোলনকারীরা দাবি-দাওয়া উপস্থাপন করেছেন। সরকার নায্য দাবিতে সব সময়ই সাড়া দিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছে।

‘কিন্তু আমরা এখন নির্বাচনমুখী সময়ে আছি। এ কারণে সকলের যা কিছু দাবি-দাওয়া আছে তা নির্বাচন পরবর্তী সরকারের কাছে উপস্থাপনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমরা আশা করব, এ সময়ের মধ্যে কেউ দাবি-দাওয়া নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি বা স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্ন করবেন না।’

চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
চলতি সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল: সিইসি

ত্রয়োদশ ‎জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল চলতি সপ্তাহে হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ কথা বলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল কখন ঘোষণা করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সপ্তাহে তফসিল হয়ে যাবে।’

দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির দপ্তরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সিইসি। সাক্ষাৎ শেষে প্রধান বিচারপতির দপ্তর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। দুপুর দেড়টার দিকে সিইসি সুপ্রিম কোর্টে এলে তাঁকে স্বাগত জানান সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী।

প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ওনার (প্রধান বিচারপতি) সাথে কথা হয়েছে। উনি অবসরে চলে যাচ্ছেন। একটা ফেয়ারওয়েল কল (বিদায়ী সাক্ষাৎ) করতে এসেছি ওনার সাথে।…উনি এ মাসে অবসরে যাবেন। আমরা একসাথে কাজ করেছি। সে জন্য ওনার সাথে একটা ফেয়ারওয়েল কলের মতো, সৌজন্য সাক্ষাৎ আছে না একটা, ফেয়ারওয়েল কল করতে এসেছিলাম ওনার সঙ্গে। অন্য কোনো বিষয় নয়।’

এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি নাসির উদ্দীন বলেন, ‘ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটি’ (নির্বাচনী তদন্ত কমিটি) যাতে ওনারা ডিপ্লয় করবেন, আমাদের তফসিল ঘোষণার সাথে সাথে। এই কাজটা যাতে উনি ত্বরান্বিত করেন, সে বিষয়ে ওনাকে অনুরোধ জানিয়েছি।’

প্রধান বিচারপতি কী আশ্বাস দিয়েছেন—এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, ‘উনি (প্রধান বিচারপতি) জাস্ট, ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির যে লোকজন দেওয়ার কথা আছে, ডেপ্লয়মেন্ট আছে, সে ব্যাপারে ওনারা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছেন এবং নেবেন, কোনো অসুবিধা হবে না বলে অ্যাসিউর (আশ্বস্ত) করেছেন।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, মামলা নিয়ে কোনো কথা হয়নি।